চুয়াডাঙ্গা ০১:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জনগণ রুখে দাঁড়ালে মব ভায়োলেন্স বন্ধ হবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

Padma Sangbad
১০৫

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, ‘মব ভায়োলেন্স কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। জনগণ এখন সচেতন হচ্ছে। জনগণ রুখে দাঁড়ালে এই প্রবণতা বন্ধ হবে। তবে আইন তুলে নেওয়ার অধিকার কারো হাতে নেই।’

আজ সোমবার দুপুরে কক্সবাজারে সীমান্ত পরিস্থিতি, রোহিঙ্গা সংকট ও মাদক পাচার ইস্যু নিয়ে আয়োজিত ‘রোহিঙ্গা ক্যাম্প ও জেলার অভ্যন্তরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক’ সভা শেষে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক-ই-আজম।

সভা শেষে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘মাদক সমাজে নানা উপায়ে ছড়িয়ে পড়েছে। একে রুখতে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে। গণমাধ্যমকেও এগিয়ে আসতে হবে জনসচেতনতা তৈরিতে। সমাজ থেকে মাদক নির্মূলে সরকারের পাশাপাশি গণমাধ্যমেরও বড় ভূমিকা রয়েছে।’

মাদকের গডফাদারদের নিয়ে তিনি বলেন, ‘শুধু বাহক নয়, মাদকের পেছনে থাকা গডফাদারদের আইনের আওতায় আনতে হবে। মাদক ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ধ্বংসের মাধ্যমে সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য ভয়াবহ বিপর্যয় ডেকে আনে। তাই সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধানে সরকার নিরবিচারে কাজ করে যাচ্ছে।’

কক্সবাজার শহরের বিয়াম ফাউন্ডেশন আঞ্চলিক কেন্দ্রে আয়োজিত এ সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা বীর প্রতীক ফারুক-ই-আজম এবং প্রধান উপদেষ্টার প্রতিরক্ষা ও জাতীয় সংহতি উন্নয়ন বিষয়ক বিশেষ সহকারী লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) আবদুল হাফিজ। এছড়াও সেনা, নৌ, বিমানবাহিনী, পুলিশ, র‍্যাব, বিজিবি, কোস্টগার্ড, এপিবিএন, আনসার ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তারা।

সভা শেষে বিকেলে তিনি রোহিঙ্গা ক্যাম্প ও বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম সীমান্ত বিওপি পরিদর্শনে করেন।

আপডেট : ১২:৩১:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ জুলাই ২০২৫

জনগণ রুখে দাঁড়ালে মব ভায়োলেন্স বন্ধ হবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

আপডেট : ১২:৩১:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ জুলাই ২০২৫
১০৫

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, ‘মব ভায়োলেন্স কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। জনগণ এখন সচেতন হচ্ছে। জনগণ রুখে দাঁড়ালে এই প্রবণতা বন্ধ হবে। তবে আইন তুলে নেওয়ার অধিকার কারো হাতে নেই।’

আজ সোমবার দুপুরে কক্সবাজারে সীমান্ত পরিস্থিতি, রোহিঙ্গা সংকট ও মাদক পাচার ইস্যু নিয়ে আয়োজিত ‘রোহিঙ্গা ক্যাম্প ও জেলার অভ্যন্তরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক’ সভা শেষে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক-ই-আজম।

সভা শেষে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘মাদক সমাজে নানা উপায়ে ছড়িয়ে পড়েছে। একে রুখতে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে। গণমাধ্যমকেও এগিয়ে আসতে হবে জনসচেতনতা তৈরিতে। সমাজ থেকে মাদক নির্মূলে সরকারের পাশাপাশি গণমাধ্যমেরও বড় ভূমিকা রয়েছে।’

মাদকের গডফাদারদের নিয়ে তিনি বলেন, ‘শুধু বাহক নয়, মাদকের পেছনে থাকা গডফাদারদের আইনের আওতায় আনতে হবে। মাদক ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ধ্বংসের মাধ্যমে সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য ভয়াবহ বিপর্যয় ডেকে আনে। তাই সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধানে সরকার নিরবিচারে কাজ করে যাচ্ছে।’

কক্সবাজার শহরের বিয়াম ফাউন্ডেশন আঞ্চলিক কেন্দ্রে আয়োজিত এ সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা বীর প্রতীক ফারুক-ই-আজম এবং প্রধান উপদেষ্টার প্রতিরক্ষা ও জাতীয় সংহতি উন্নয়ন বিষয়ক বিশেষ সহকারী লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) আবদুল হাফিজ। এছড়াও সেনা, নৌ, বিমানবাহিনী, পুলিশ, র‍্যাব, বিজিবি, কোস্টগার্ড, এপিবিএন, আনসার ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তারা।

সভা শেষে বিকেলে তিনি রোহিঙ্গা ক্যাম্প ও বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম সীমান্ত বিওপি পরিদর্শনে করেন।