চুয়াডাঙ্গা ০১:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খালেদা জিয়ার কণ্ঠ নকল করে অর্থ আত্মসাৎ

Padma Sangbad
৯১

সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নাম ও কণ্ঠ নকল করে এবং নিজেকে তার ‘লিয়াজোঁ অফিসার’ পরিচয় দিয়ে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ করেছেন মোতাল্লেস হোসেন নামে এক ব্যক্তি ও তার সহযোগীরা। এই চক্রের বিরুদ্ধে তদন্তে নেমেছে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

সিআইডির তথ্য অনুযায়ী, প্রতারণার অভিযোগে সংশ্লিষ্ট ১৩টি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট আদালতের নির্দেশে অবরুদ্ধ করা হয়েছে। এসব অ্যাকাউন্টে মোট ৫ কোটি ৩ লাখ ৩৩ হাজার ৭৮২ টাকা অস্থায়ীভাবে জব্দ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান।

তদন্তে আরও উঠে এসেছে, মোতাল্লেস হোসেন ও তার সহযোগীদের অ্যাকাউন্টে প্রায় ২৬ কোটি ৮৪ লাখ টাকার সন্দেহজনক লেনদেন হয়েছে। এসব লেনদেনের উৎস এবং উদ্দেশ্য সম্পর্কে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এছাড়া চক্রটির আর্থিক কর্মকাণ্ড ও স্থাবর সম্পত্তিরও বিশদ বিশ্লেষণ করছে সিআইডি।

সিআইডি জানায়, শুধু প্রতারণা নয়, অর্থপাচার এবং অবৈধভাবে সম্পদ অর্জনের দিকেও নজর রাখা হচ্ছে। পুরো চক্রের সম্পৃক্ততা ও অন্যান্য সহযোগীদের শনাক্ত করতে তদন্ত চলছে।

ঘটনার শিকার হওয়া প্রতারিত ব্যক্তিদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহের পাশাপাশি এই সংঘবদ্ধ প্রতারণা চক্রের অন্যান্য সদস্যদের শনাক্তে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে সিআইডি।

সিআইডির পক্ষ থেকে জনগণকে এ ধরনের প্রতারণামূলক পরিচয়ে প্রতারিত না হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে এবং কোনো সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড চোখে পড়লে তা দ্রুত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানোর অনুরোধ করা হয়েছে।

আপডেট : ১২:১৩:০৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১ অগাস্ট ২০২৫

খালেদা জিয়ার কণ্ঠ নকল করে অর্থ আত্মসাৎ

আপডেট : ১২:১৩:০৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১ অগাস্ট ২০২৫
৯১

সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নাম ও কণ্ঠ নকল করে এবং নিজেকে তার ‘লিয়াজোঁ অফিসার’ পরিচয় দিয়ে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ করেছেন মোতাল্লেস হোসেন নামে এক ব্যক্তি ও তার সহযোগীরা। এই চক্রের বিরুদ্ধে তদন্তে নেমেছে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

সিআইডির তথ্য অনুযায়ী, প্রতারণার অভিযোগে সংশ্লিষ্ট ১৩টি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট আদালতের নির্দেশে অবরুদ্ধ করা হয়েছে। এসব অ্যাকাউন্টে মোট ৫ কোটি ৩ লাখ ৩৩ হাজার ৭৮২ টাকা অস্থায়ীভাবে জব্দ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান।

তদন্তে আরও উঠে এসেছে, মোতাল্লেস হোসেন ও তার সহযোগীদের অ্যাকাউন্টে প্রায় ২৬ কোটি ৮৪ লাখ টাকার সন্দেহজনক লেনদেন হয়েছে। এসব লেনদেনের উৎস এবং উদ্দেশ্য সম্পর্কে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এছাড়া চক্রটির আর্থিক কর্মকাণ্ড ও স্থাবর সম্পত্তিরও বিশদ বিশ্লেষণ করছে সিআইডি।

সিআইডি জানায়, শুধু প্রতারণা নয়, অর্থপাচার এবং অবৈধভাবে সম্পদ অর্জনের দিকেও নজর রাখা হচ্ছে। পুরো চক্রের সম্পৃক্ততা ও অন্যান্য সহযোগীদের শনাক্ত করতে তদন্ত চলছে।

ঘটনার শিকার হওয়া প্রতারিত ব্যক্তিদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহের পাশাপাশি এই সংঘবদ্ধ প্রতারণা চক্রের অন্যান্য সদস্যদের শনাক্তে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে সিআইডি।

সিআইডির পক্ষ থেকে জনগণকে এ ধরনের প্রতারণামূলক পরিচয়ে প্রতারিত না হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে এবং কোনো সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড চোখে পড়লে তা দ্রুত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানোর অনুরোধ করা হয়েছে।