৯০ ভাগ মুসলমানের দেশের সংসদে ইসলাম ছিল না: চরমোনাই পীর

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম বলেছেন, ‘সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য ১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীন হলো। রক্তের সাগর পড়ি দিয়ে স্বাধীনতা আসলেও বিগত দিনে যারা দেশ শাসন করেছে তাদের থেকে আমরা পেয়েছি খুন-গুম-হত্যা, টাকা পাচার। কারণ ৯০ ভাগ মুসলমানের দেশের সংসদে ইসলাম ছিল না। আমরা ইসলামের আলোকে দেশ পরিচালনা করার জন্য সমঝোতা করেছিলাম। কিন্তু যাদের সঙ্গে সমঝোতা করেছিলাম তারাও বিদ্যমান আইনেই দেশ চালাবে বলে ঘোষণা দেওয়ায় সেই সমঝোতা ত্যাগ করতে হয়েছে।’
আজ বুধবার কুড়িগ্রাম-২ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী মাওলানা নুর বখতের সমর্থনে কুড়িগ্রাম কলেজ মোড় বিজয় স্তম্ভে আয়োজিত জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম বলেন, ‘চব্বিশের জুলাইয়ে বিদ্যমান আইন ও পুরোনো বন্দোবস্তের বিরুদ্ধে কোটি মানুষ লড়াই করেছে। হাজার তরুণ-বৃদ্ধ-শিশু জীবন দিয়েছে, পঙ্গুত্ব বরণ করেছে, অন্ধত্ব বরণ করেছে। এত ত্যাগ ও রক্ত-জীবন উৎসর্গ করার পরেও যারা বিদ্যমান আইন ও পুরোনো বন্দোবস্তে দেশ চালাতে চায় তারা নির্বাচনের আগেই জুলাইয়ের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করছে। তাদেরকে সুযোগ দেওয়া যাবে না।’
আক্ষেপ করে তিনি বলেন, ‘পুরোনো আইনেই যদি দেশ চলবে তাহলে আবু সাঈদ, মুগ্ধদের কেন জীবন দিতে হলো? কেন এতগুলো তাজা প্রাণ উৎসর্গ করা হলো? তাই বলব, যারা দেশকে ভালোবাসেন, যারা জুলাইয়ের রক্তকে স্বার্থক করতে চান তারা আগামী নির্বাচনে হাতপাখা মার্কায় ভোট দিন। প্রিন্সিপ্যাল নুর বখতের মতো শিক্ষাবিদ আলেম যদি সংসদে থাকে তাহলে কোনো চাঁদাবাজ, কোনো সন্ত্রাসী বাংলাদেশে আশ্রয় পাবে না। ’
সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি ছাত্র নেতা সুলতান আহমেদসহ কেন্দ্র ও জেলা নেতারা।


























