চুয়াডাঙ্গা ০৪:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রংপুর শিক্ষা অফিসে ঘুষের ৭ লাখ টাকাসহ শিক্ষক আটক

Padma Sangbad
৩২

অনলাইন ডেস্ক।।
রংপুর শিক্ষা অফিসে এমপিওভুক্তি শিক্ষক কর্মচারীদের বিলের সুপারিশ পেতে প্রায় ৭ লাখ টাকা ঘুষ দিতে এসে মাইদুল ইসলাম নামে এক শিক্ষক আটক হয়েছেন। তবে অভিযোগ উঠেছে ঘুষের টাকার পরিমাণ নিয়ে অভিযুক্তের সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় ওই শিক্ষককে পুলিশে দিয়েছে শিক্ষা কর্মকর্তা।

সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা রংপুর অঞ্চলের উপপরিচালকের কার্যালয়ে তাকে ঘুষের টাকাসহ হাতেনাতে আটক করা হয়।

আটক মাইদুল ইসলাম কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার কাজাইকাটা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক।

শিক্ষা অফিসের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনা করে দেখা যায়, দুপুর ১টা ৫৮ মিনিটে একহাতে কালো ব্যাগ নিয়ে অভিযুক্ত মাইদুল ইসলাম সিঁড়ি দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করছে। এসময় ওপর থেকে দুইজন ব্যক্তি নেমে তার সঙ্গে কিছুক্ষণ কথাবার্তা বলে চলে যায়। এরপর অভিযুক্ত মাইদুল ব্যাগ হাতে সিঁড়ি দিয়ে ওপরে উঠে।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা রংপুর অঞ্চলের উপ-পরিচালক মোছা. রোকসানা বেগম বলেন, ‘মাইদুল নামে ওই শিক্ষক এমপিওভুক্তির সুপারিশ করার সময় তাকে প্রায় আট লাখ টাকা ঘুষ দিবে বলে জানান। এসময় টাকার ব্যাগ দেখান। সঙ্গে সঙ্গে কর্মকর্তা কর্মচারীদের মাধ্যমে মাইদুলকে আটক করে দুর্নীতি দমন কমিশনে অবগত করে তাকে আটক করা হয়। পরে টাকার ব্যাগে গিফটের কাগজে মোড়ানো অবস্থায় ৭ লাখ টাকা পাওয়া যায়।’

ঘুষের টাকা বনিবনা না হওয়ায় শিক্ষককে পুলিশের হাতে দেওয়া হয়েছে এমন অভিযোগের বিষয়ে এই শিক্ষা কর্মকর্তা বলেন, ‘এটি ভিত্তিহীন অভিযোগ। আমি স্বচ্ছতা বজায় রেখেই কাজ করছি।’

আটক মাইদুল ইসলাম জানান, তিনি কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার কাজাইকাটা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক। অন্য শিক্ষক ও কর্মচারীদের আটকে থাকা বিল পাশ করতে ৭ লাখ টাকা নিয়ে এসেছেন। তিনি বলেন, ‘টাকা দিলে হয়তো কাজ হবে, কারণ এর আগে খালি হাতে এসে কোনো কাজ হয়নি। তার সুপারিশ আমলে নেননি। এজন্যই আজ টাকা নিয়ে এসেছেন।’

দুদক রংপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. শাওন মিয়া বলেন, ‘ঘুষ দিতে এসে ৭ লাখ টাকাসহ শিক্ষক আটক হওয়ার ঘটনায় থানায় একটি জিডি হয়েছে। এটি দুদক অফিসের আওতাধীন বিষয়। থানা পুলিশ তাদের প্রাথমিক আইনি প্রক্রিয়া শেষে আমাদের যাবতীয় নথি হস্তান্তর করা মাত্রই আমরা তদন্ত কার্যক্রম শুরু করবে। এর পেছনে অন্য কোনো ঘটনা আছে কি-না খতিয়ে দেখা হবে।’

আপডেট : ১২:১২:৩৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

রংপুর শিক্ষা অফিসে ঘুষের ৭ লাখ টাকাসহ শিক্ষক আটক

আপডেট : ১২:১২:৩৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
৩২

অনলাইন ডেস্ক।।
রংপুর শিক্ষা অফিসে এমপিওভুক্তি শিক্ষক কর্মচারীদের বিলের সুপারিশ পেতে প্রায় ৭ লাখ টাকা ঘুষ দিতে এসে মাইদুল ইসলাম নামে এক শিক্ষক আটক হয়েছেন। তবে অভিযোগ উঠেছে ঘুষের টাকার পরিমাণ নিয়ে অভিযুক্তের সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় ওই শিক্ষককে পুলিশে দিয়েছে শিক্ষা কর্মকর্তা।

সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা রংপুর অঞ্চলের উপপরিচালকের কার্যালয়ে তাকে ঘুষের টাকাসহ হাতেনাতে আটক করা হয়।

আটক মাইদুল ইসলাম কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার কাজাইকাটা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক।

শিক্ষা অফিসের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনা করে দেখা যায়, দুপুর ১টা ৫৮ মিনিটে একহাতে কালো ব্যাগ নিয়ে অভিযুক্ত মাইদুল ইসলাম সিঁড়ি দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করছে। এসময় ওপর থেকে দুইজন ব্যক্তি নেমে তার সঙ্গে কিছুক্ষণ কথাবার্তা বলে চলে যায়। এরপর অভিযুক্ত মাইদুল ব্যাগ হাতে সিঁড়ি দিয়ে ওপরে উঠে।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা রংপুর অঞ্চলের উপ-পরিচালক মোছা. রোকসানা বেগম বলেন, ‘মাইদুল নামে ওই শিক্ষক এমপিওভুক্তির সুপারিশ করার সময় তাকে প্রায় আট লাখ টাকা ঘুষ দিবে বলে জানান। এসময় টাকার ব্যাগ দেখান। সঙ্গে সঙ্গে কর্মকর্তা কর্মচারীদের মাধ্যমে মাইদুলকে আটক করে দুর্নীতি দমন কমিশনে অবগত করে তাকে আটক করা হয়। পরে টাকার ব্যাগে গিফটের কাগজে মোড়ানো অবস্থায় ৭ লাখ টাকা পাওয়া যায়।’

ঘুষের টাকা বনিবনা না হওয়ায় শিক্ষককে পুলিশের হাতে দেওয়া হয়েছে এমন অভিযোগের বিষয়ে এই শিক্ষা কর্মকর্তা বলেন, ‘এটি ভিত্তিহীন অভিযোগ। আমি স্বচ্ছতা বজায় রেখেই কাজ করছি।’

আটক মাইদুল ইসলাম জানান, তিনি কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার কাজাইকাটা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক। অন্য শিক্ষক ও কর্মচারীদের আটকে থাকা বিল পাশ করতে ৭ লাখ টাকা নিয়ে এসেছেন। তিনি বলেন, ‘টাকা দিলে হয়তো কাজ হবে, কারণ এর আগে খালি হাতে এসে কোনো কাজ হয়নি। তার সুপারিশ আমলে নেননি। এজন্যই আজ টাকা নিয়ে এসেছেন।’

দুদক রংপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. শাওন মিয়া বলেন, ‘ঘুষ দিতে এসে ৭ লাখ টাকাসহ শিক্ষক আটক হওয়ার ঘটনায় থানায় একটি জিডি হয়েছে। এটি দুদক অফিসের আওতাধীন বিষয়। থানা পুলিশ তাদের প্রাথমিক আইনি প্রক্রিয়া শেষে আমাদের যাবতীয় নথি হস্তান্তর করা মাত্রই আমরা তদন্ত কার্যক্রম শুরু করবে। এর পেছনে অন্য কোনো ঘটনা আছে কি-না খতিয়ে দেখা হবে।’