চুয়াডাঙ্গা ০৮:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আলমডাঙ্গায় দুর্নীতি রোধে এমপির ঝটিকা অভিযান

Padma Sangbad
৩৪

আলমডাঙ্গা সংবাদদাতা।।
আলমডাঙ্গার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে দুর্নীতি ও অনিয়ম প্রতিরোধে ঝটিকা পরিদর্শন করেছেন চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সংসদ সদস্য মাসুদ পারভেজ রাসেল। সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তিনি আলমডাঙ্গা পৌরসভা, কৃষি অফিস ও সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে আকস্মিক পরিদর্শন করেন।

সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই সরকারি দপ্তরে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ঘোষণা দিয়ে আসছেন তিনি। দালাল চক্রের দৌরাত্ম্য কমানো, কর্মকর্তাদের সময়মতো উপস্থিতি নিশ্চিত করা এবং নাগরিক সেবায় অনিয়ম রোধে ব্যস্ত সময়েই তিনি এ পরিদর্শনে যান।

পরিদর্শনকালে তিনি বিভিন্ন ফাইল ও নথিপত্র পর্যালোচনা করেন এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলে সেবা পেতে অতিরিক্ত টাকা বা ঘুষ দিতে হচ্ছে কি না তা খোঁজ নেন। কোনো অনিয়ম পাওয়া গেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সতর্ক করেন। একই সঙ্গে দ্রুত ও হয়রানিমুক্ত সেবা নিশ্চিত করতে নির্দেশনা দেন।

স্থানীয়রা এমপির এই উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। বিশেষ করে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে অতিরিক্ত ফি আদায়ের অভিযোগ বন্ধ হবে এমন প্রত্যাশা করেছেন অনেকে।

পরিদর্শন শেষে এমপি মাসুদ পারভেজ রাসেল বলেন, “সরকারি অফিসে দালালের মাধ্যমে নয়, সরাসরি সেবা পাবে মানুষ এটাই আমাদের লক্ষ্য।”

সচেতন মহল মনে করছেন, এ উদ্যোগ প্রশাসনে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আপডেট : ০৫:৩৬:৪৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আলমডাঙ্গায় দুর্নীতি রোধে এমপির ঝটিকা অভিযান

আপডেট : ০৫:৩৬:৪৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
৩৪

আলমডাঙ্গা সংবাদদাতা।।
আলমডাঙ্গার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে দুর্নীতি ও অনিয়ম প্রতিরোধে ঝটিকা পরিদর্শন করেছেন চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সংসদ সদস্য মাসুদ পারভেজ রাসেল। সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তিনি আলমডাঙ্গা পৌরসভা, কৃষি অফিস ও সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে আকস্মিক পরিদর্শন করেন।

সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই সরকারি দপ্তরে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ঘোষণা দিয়ে আসছেন তিনি। দালাল চক্রের দৌরাত্ম্য কমানো, কর্মকর্তাদের সময়মতো উপস্থিতি নিশ্চিত করা এবং নাগরিক সেবায় অনিয়ম রোধে ব্যস্ত সময়েই তিনি এ পরিদর্শনে যান।

পরিদর্শনকালে তিনি বিভিন্ন ফাইল ও নথিপত্র পর্যালোচনা করেন এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলে সেবা পেতে অতিরিক্ত টাকা বা ঘুষ দিতে হচ্ছে কি না তা খোঁজ নেন। কোনো অনিয়ম পাওয়া গেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সতর্ক করেন। একই সঙ্গে দ্রুত ও হয়রানিমুক্ত সেবা নিশ্চিত করতে নির্দেশনা দেন।

স্থানীয়রা এমপির এই উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। বিশেষ করে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে অতিরিক্ত ফি আদায়ের অভিযোগ বন্ধ হবে এমন প্রত্যাশা করেছেন অনেকে।

পরিদর্শন শেষে এমপি মাসুদ পারভেজ রাসেল বলেন, “সরকারি অফিসে দালালের মাধ্যমে নয়, সরাসরি সেবা পাবে মানুষ এটাই আমাদের লক্ষ্য।”

সচেতন মহল মনে করছেন, এ উদ্যোগ প্রশাসনে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।