চুয়াডাঙ্গা ১১:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হামের উপসর্গে ভর্তি শিশুর মৃত্যু, মৃত্যুর কারণ নিয়ে বিভ্রান্তি

Padma Sangbad
১০৩

প্রথমে হামে মৃত্যুর দাবি, পরে সংশোধন চুয়াডাঙ্গায় হাম পরিস্থিতি উদ্বেগজনক?

চুয়াডাঙ্গা সংবাদদাতা।।
চুয়াডাঙ্গায় ৯ মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যুকে ঘিরে তৈরি হয়েছে বিভ্রান্তি। সদর হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) প্রথমে গণমাধ্যমকে জানান, হামে আক্রান্ত হয়ে শিশুটির মৃত্যু হয়েছে। তবে সংবাদ প্রকাশের পর জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, মৃত্যুর সঠিক কারণ এখনও নিশ্চিত নয়।

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সকালে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসক শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন। শিশুটির নাম হুমাইরা খাতুন। সে সদর উপজেলার মাখালডাঙ্গা ইউনিয়নের দীননাথপুর গ্রামের বাসিন্দা হুমায়ুন ইকবাল আহমেদের কন্যা।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, গত ১৫ এপ্রিল হামের উপসর্গ নিয়ে শিশুটিকে শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে ১৯ এপ্রিল তাকে হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডে স্থানান্তর করা হয়। ২৩ এপ্রিল চিকিৎসা শেষে ছাড়পত্র দিয়ে বাড়ি পাঠানো হয়। কিন্তু পরদিন সকালে শারীরিক অবস্থার হঠাৎ অবনতি ঘটলে পুনরায় হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

সদর হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত আরএমও ডা. নাজমুস সাকিব প্রথমে জানিয়েছিলেন, জেলায় প্রথমবারের মতো হামে আক্রান্ত হয়ে শিশুটির মৃত্যু হয়েছে এবং ঢাকায় পাঠানো নমুনায় হামের উপস্থিতি নিশ্চিত হয়েছে। তবে ঘণ্টা দুয়েক পরেই তিনি বক্তব্য সংশোধন করে জানান, তাকে ভুল তথ্য দেওয়া হয়েছিল এবং হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়নি।

জেলার সিভিল সার্জন ডা. হাদী জিয়া উদ্দিন আহমেদ জানান, শিশুটি হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হয়েছিল এবং চিকিৎসায় সুস্থ হয়ে বাড়িও ফিরেছিল। পরবর্তীতে তার মৃত্যু হলেও সেটি সরাসরি হামের কারণে হয়েছে কিনা, তা নিশ্চিত নয়।

এদিকে বর্তমানে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ জন রোগী ভর্তি রয়েছেন। এ পর্যন্ত জেলায় প্রায় ৫০ জন রোগী হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন বলে হাসপাতাল সূত্র জানায়।

আপডেট : ০২:৩৯:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

হামের উপসর্গে ভর্তি শিশুর মৃত্যু, মৃত্যুর কারণ নিয়ে বিভ্রান্তি

আপডেট : ০২:৩৯:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
১০৩

প্রথমে হামে মৃত্যুর দাবি, পরে সংশোধন চুয়াডাঙ্গায় হাম পরিস্থিতি উদ্বেগজনক?

চুয়াডাঙ্গা সংবাদদাতা।।
চুয়াডাঙ্গায় ৯ মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যুকে ঘিরে তৈরি হয়েছে বিভ্রান্তি। সদর হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) প্রথমে গণমাধ্যমকে জানান, হামে আক্রান্ত হয়ে শিশুটির মৃত্যু হয়েছে। তবে সংবাদ প্রকাশের পর জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, মৃত্যুর সঠিক কারণ এখনও নিশ্চিত নয়।

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সকালে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসক শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন। শিশুটির নাম হুমাইরা খাতুন। সে সদর উপজেলার মাখালডাঙ্গা ইউনিয়নের দীননাথপুর গ্রামের বাসিন্দা হুমায়ুন ইকবাল আহমেদের কন্যা।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, গত ১৫ এপ্রিল হামের উপসর্গ নিয়ে শিশুটিকে শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে ১৯ এপ্রিল তাকে হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডে স্থানান্তর করা হয়। ২৩ এপ্রিল চিকিৎসা শেষে ছাড়পত্র দিয়ে বাড়ি পাঠানো হয়। কিন্তু পরদিন সকালে শারীরিক অবস্থার হঠাৎ অবনতি ঘটলে পুনরায় হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

সদর হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত আরএমও ডা. নাজমুস সাকিব প্রথমে জানিয়েছিলেন, জেলায় প্রথমবারের মতো হামে আক্রান্ত হয়ে শিশুটির মৃত্যু হয়েছে এবং ঢাকায় পাঠানো নমুনায় হামের উপস্থিতি নিশ্চিত হয়েছে। তবে ঘণ্টা দুয়েক পরেই তিনি বক্তব্য সংশোধন করে জানান, তাকে ভুল তথ্য দেওয়া হয়েছিল এবং হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়নি।

জেলার সিভিল সার্জন ডা. হাদী জিয়া উদ্দিন আহমেদ জানান, শিশুটি হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হয়েছিল এবং চিকিৎসায় সুস্থ হয়ে বাড়িও ফিরেছিল। পরবর্তীতে তার মৃত্যু হলেও সেটি সরাসরি হামের কারণে হয়েছে কিনা, তা নিশ্চিত নয়।

এদিকে বর্তমানে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ জন রোগী ভর্তি রয়েছেন। এ পর্যন্ত জেলায় প্রায় ৫০ জন রোগী হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন বলে হাসপাতাল সূত্র জানায়।