চুয়াডাঙ্গা ১২:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঈদ শেষে স্বস্তিতে ঢাকায় ফিরছেন যাত্রীরা

Padma Sangbad

অনলাইন ডেস্ক।।
ঈদুল আজহার টানা ছুটি শেষে রাজধানী ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছেন নগরবাসী। তবে অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার ফিরতি যাত্রায় চাপ তুলনামূলক কম দেখা গেছে। সড়ক, রেল ও নৌপথে যাত্রীরা অনেকটাই স্বস্তিতে রাজধানীতে ফিরছেন। একই সময়ে ঈদের সময় বাড়ি যেতে না পারা অনেক মানুষ পরিবার নিয়ে গ্রামের পথে রওনা হওয়ায় পরিবহন কেন্দ্রগুলোতে দুইমুখী যাত্রার চিত্র দেখা যাচ্ছে।

আজ রোববার সকাল থেকে গাবতলী, সায়েদাবাদ, মহাখালী বাস টার্মিনাল, কমলাপুর রেলস্টেশন ও সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে রাজধানীমুখী যাত্রীদের উপস্থিতি বাড়তে দেখা যায়। তবে কোথাও অতিরিক্ত ভিড় বা পরিবহন সংকট দেখা যায়নি।

দক্ষিণাঞ্চল থেকে লঞ্চে ফেরা যাত্রীরা জানিয়েছেন, নদীপথের যাত্রা ছিল স্বস্তিদায়ক এবং নির্ধারিত সময়েই বেশিরভাগ লঞ্চ ঢাকায় পৌঁছেছে। অন্যদিকে ময়মনসিংহ, শেরপুর, জামালপুর, কিশোরগঞ্জ ও গাজীপুরসহ বিভিন্ন জেলা থেকে আসা বাসগুলোতেও যাত্রীচাপ ছিল স্বাভাবিক। কাউন্টারগুলোতে দীর্ঘ লাইন না থাকায় যাত্রীরা সহজেই গন্তব্যে যেতে পেরেছেন এবং অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগও পাওয়া যায়নি।

পরিবহন সংশ্লিষ্টদের মতে, দীর্ঘ ছুটির কারণে মানুষ ধাপে ধাপে রাজধানীতে ফিরছেন, ফলে চাপ কয়েক দিনে ভাগ হয়ে গেছে। শেরপুর থেকে আসা একটি বাসের হেলপার রবিউল ইসলাম জানান, আগের মতো হুড়োহুড়ি ছাড়াই যাত্রীরা স্বাভাবিকভাবে ফিরছেন।

এদিকে যারা ঈদের সময় বাড়ি যেতে পারেননি, তারা এখন ঢাকা ছাড়ছেন। ফলে বাস টার্মিনাল, রেলস্টেশন ও লঞ্চঘাটে ঢাকায় ফেরা ও গ্রামে যাওয়া দুই ধরনের যাত্রীর উপস্থিতি দেখা যাচ্ছে। যদিও এতে কিছুটা ব্যস্ততা তৈরি হয়েছে, তবুও কোথাও বিশৃঙ্খলা দেখা যায়নি।

যাত্রীরা বলছেন, ফাঁকা সড়ক, স্বাভাবিক যান চলাচল ও পর্যাপ্ত পরিবহন সুবিধার কারণে এবারের ঢাকা ফেরা ছিল তুলনামূলক আরামদায়ক। তবে অফিস-আদালত ও প্রতিষ্ঠান খুলে যাওয়ায় বিকেল ও সন্ধ্যার পর রাজধানীমুখী চাপ আরও বাড়তে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপডেট : ১২:১৪:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬

ঈদ শেষে স্বস্তিতে ঢাকায় ফিরছেন যাত্রীরা

আপডেট : ১২:১৪:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬

অনলাইন ডেস্ক।।
ঈদুল আজহার টানা ছুটি শেষে রাজধানী ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছেন নগরবাসী। তবে অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার ফিরতি যাত্রায় চাপ তুলনামূলক কম দেখা গেছে। সড়ক, রেল ও নৌপথে যাত্রীরা অনেকটাই স্বস্তিতে রাজধানীতে ফিরছেন। একই সময়ে ঈদের সময় বাড়ি যেতে না পারা অনেক মানুষ পরিবার নিয়ে গ্রামের পথে রওনা হওয়ায় পরিবহন কেন্দ্রগুলোতে দুইমুখী যাত্রার চিত্র দেখা যাচ্ছে।

আজ রোববার সকাল থেকে গাবতলী, সায়েদাবাদ, মহাখালী বাস টার্মিনাল, কমলাপুর রেলস্টেশন ও সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে রাজধানীমুখী যাত্রীদের উপস্থিতি বাড়তে দেখা যায়। তবে কোথাও অতিরিক্ত ভিড় বা পরিবহন সংকট দেখা যায়নি।

দক্ষিণাঞ্চল থেকে লঞ্চে ফেরা যাত্রীরা জানিয়েছেন, নদীপথের যাত্রা ছিল স্বস্তিদায়ক এবং নির্ধারিত সময়েই বেশিরভাগ লঞ্চ ঢাকায় পৌঁছেছে। অন্যদিকে ময়মনসিংহ, শেরপুর, জামালপুর, কিশোরগঞ্জ ও গাজীপুরসহ বিভিন্ন জেলা থেকে আসা বাসগুলোতেও যাত্রীচাপ ছিল স্বাভাবিক। কাউন্টারগুলোতে দীর্ঘ লাইন না থাকায় যাত্রীরা সহজেই গন্তব্যে যেতে পেরেছেন এবং অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগও পাওয়া যায়নি।

পরিবহন সংশ্লিষ্টদের মতে, দীর্ঘ ছুটির কারণে মানুষ ধাপে ধাপে রাজধানীতে ফিরছেন, ফলে চাপ কয়েক দিনে ভাগ হয়ে গেছে। শেরপুর থেকে আসা একটি বাসের হেলপার রবিউল ইসলাম জানান, আগের মতো হুড়োহুড়ি ছাড়াই যাত্রীরা স্বাভাবিকভাবে ফিরছেন।

এদিকে যারা ঈদের সময় বাড়ি যেতে পারেননি, তারা এখন ঢাকা ছাড়ছেন। ফলে বাস টার্মিনাল, রেলস্টেশন ও লঞ্চঘাটে ঢাকায় ফেরা ও গ্রামে যাওয়া দুই ধরনের যাত্রীর উপস্থিতি দেখা যাচ্ছে। যদিও এতে কিছুটা ব্যস্ততা তৈরি হয়েছে, তবুও কোথাও বিশৃঙ্খলা দেখা যায়নি।

যাত্রীরা বলছেন, ফাঁকা সড়ক, স্বাভাবিক যান চলাচল ও পর্যাপ্ত পরিবহন সুবিধার কারণে এবারের ঢাকা ফেরা ছিল তুলনামূলক আরামদায়ক। তবে অফিস-আদালত ও প্রতিষ্ঠান খুলে যাওয়ায় বিকেল ও সন্ধ্যার পর রাজধানীমুখী চাপ আরও বাড়তে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।