“উত্তম চরিত্র ও সুন্দর আচরণ মিজানের পাল্লায় সবচেয়ে ভারী।”

রাশিদা-য়ে আশরার।
“উত্তম চরিত্র সুন্দর আচরণ সবচেয়ে বেশি হবে মিজানের পাল্লা ভারী।”হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)
আরেকটি দোয়া মিজানের পাল্লায় সবচেয়ে ভারী হবেঃ
সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি সুবহানাল্লাহিল আলিউল আজিম। প্রতিদিন একশতবার অথবা যত খুশি করা যায়।
আমরা মানুষ জেনে না জেনে, কারণে-অকারণে ভুল করে থাকি, পাপের সমুদ্রে পতিত হই। সবকিছু সৃষ্টিকর্তার দেখছেন এমনকি সপ্ত আসমানের উপরে থেকেও পিপীলিকার পায়ের আওয়াজ! আর সবকিছুই লিপিবদ্ধ হচ্ছে ডায়েরিতে, দুই কাঁধে দু’জন ফেরেশতা নিয়ত লিখছেন এছাড়াও আমাদের শরীরে অর্থাৎ ঘাড়ের নীচে একটি “ককশিট” নামক ক্যামেরা যন্ত্র আছে যা আমরা দেখতে পাই না। রোজ হাশরের ময়দানে সমস্ত মৃত ব্যক্তিকে একে একে তোলা হবে এবং বিচারকার্য শুরু হবে। যা সে এই পৃথিবীতে করেছে শেষ বিচারের দিন দেখানো হবে তার আমলনামায়, যতই অস্বীকার করবে ততই তাকে বিভিন্ন ভাবে দেখানো হবে-অবশেষে মুখের জবান কেড়ে নেওয়া হবে। যে ভালো কাজের অনুসারী সে ডান হাতে তার আমলনামা পাবে। আর যে খারাপ কাজ করেছে তার আমলনামা দেওয়া হবে ডান বাম হাতে।
রোজ হাশরের ময়দানে অর্থাৎ শেষ বিচারের দিনে
সূর্য মাথার এক হাত উপরে থাকবে, মগজ গুলো ভাতের মাড়ের মতো গলে গলে পড়বে আর জিব্বা টা কুকুরের মতো জ্বলতে থাকবে! তখন সৃষ্টিকর্তা থাকবেন অনেক বেশি রাগান্বিত; মানুষের কুকর্মের ফল স্বরূপ! হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)-সেজদারত অবস্থায় থাকবেন সৃষ্টিকর্তাকে রাজি-খুশি করার জন্য। অবশেষে যারা নবীজি (সাঃ) এর শাফায়াত লাভ করবেন অর্থাৎ (সুপারিশ) তিনি জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবেন।
কিন্তু তার আগে শুরু হবে প্রতিটি ব্যক্তির পৃথিবীর জীবনের হিসাব নিকাশের পালা। সেদিন নেক আমল ও গুনাহ গোনা নয়- মাপা হবে নিক্তিতে (অর্থাৎ সোনার দোকানে থাকে ঐরকম ছোট পাল্লা) জাররা (অর্থাৎ টিনের চালের ছিদ্র দিয়ে যে পরিমাণ রোদ ভিতরে আসে ) পরিমাণ গুনাহসমূহ ওজন করা হবে, ছোট-বড় সব রকম গুনাহ ও ভালো কাজ সমূহ। ভালো কাজের যেমন পুরস্কার আছে তেমনই মন্দ কাজের জন্য শাস্তির ব্যবস্থা। উত্তম চরিত্র, সুন্দর ব্যবহার এবং আচার- আচরণ যার যত বেশি তার পাল্লা তত ভারি হবে। এই সহজ কাজটি আমরা ইচ্ছা করলে সহজেই করতে পারি, যা আমাদের ইহকাল পরকালের পাথেয় স্বরূপ!২০২২




















