চুয়াডাঙ্গা ০৯:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১০ লাখ টাকায় মাদককারবারিকে মুক্তি, ক্লোজড ৪ পুলিশ

Padma Sangbad
১৫৪

অনলাইন ডেস্ক।।
মাদক উদ্ধার অভিযানে গিয়ে ১০ লাখ টাকার বিনিময়ে প্রাইভেটকারসহ মাদকের বড় চালান ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা থানার ৪ পুলিশ কর্মকর্তাকে ক্লোজ করা হয়েছে। আজ শুক্রবার বিকেলে এ তথ্য নিশ্চিত করেছন হাতীবান্ধা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুজ্জামান সরকার।

ক্লোজ পুলিশ কর্মকর্তারা হলেন, হাতীবান্ধা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) তুহিন, এসআই রিমন মিয়া, সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) আব্দুল হাকিম এবং এএসআই লুৎফর রহমান।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, গত ১৭ জুলাই দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হাতীবান্ধার বোর্ডের হাট বাজার এলাকায় এক চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীর বাড়িতে অভিযান চালান ওই চার পুলিশ কর্মকর্তা। অভিযানে একটি সাদা প্রাইভেটকার, একটি মোটরসাইকেল ও বিপুল পরিমাণ মাদক জব্দ করা হয়।

তবে জব্দকৃত আলামত থানায় না নিয়ে কৌশল বদলে কয়েক কিলোমিটার দূরে ভেলাগুড়ি ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে বৈঠক করে রফাদফা করে দরকষাকষির এক পর্যায়ে ১০ লাখ টাকায় এ চালান ছেড়ে দেন অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তারা৷ পরবর্তীতে বৈঠকের স্থানের সিসিটিভি ফুটেজ থেকে বিষয়টি জানাজানি হয়।

এ ঘটনার অভিযানিক দলটি পরেরদিন ১৮ জুলাই উপজেলার ভবানিপুর গ্রামে এমন অভিযানে গেলে গ্রামবাসীর তোপের মুখে পড়েন। এমন অভিযোগ উঠায় জেলা পুলিশ এসবের তদন্ত করতে অভিযুক্তদের লালমনিরহাট পুলিশ লাইনসে ক্লোজ করেন। একই সাথে ঘটনাটি তদন্তে একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছে।

হাতীবান্ধা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুজ্জামান সরকার বলেন, ‘প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতা পাওয়ায় ৪ কর্মকর্তাকে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। ঘটনা তদন্তে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জেনেছি।’

আপডেট : ০৬:৪৪:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬

১০ লাখ টাকায় মাদককারবারিকে মুক্তি, ক্লোজড ৪ পুলিশ

আপডেট : ০৬:৪৪:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬
১৫৪

অনলাইন ডেস্ক।।
মাদক উদ্ধার অভিযানে গিয়ে ১০ লাখ টাকার বিনিময়ে প্রাইভেটকারসহ মাদকের বড় চালান ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা থানার ৪ পুলিশ কর্মকর্তাকে ক্লোজ করা হয়েছে। আজ শুক্রবার বিকেলে এ তথ্য নিশ্চিত করেছন হাতীবান্ধা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুজ্জামান সরকার।

ক্লোজ পুলিশ কর্মকর্তারা হলেন, হাতীবান্ধা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) তুহিন, এসআই রিমন মিয়া, সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) আব্দুল হাকিম এবং এএসআই লুৎফর রহমান।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, গত ১৭ জুলাই দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হাতীবান্ধার বোর্ডের হাট বাজার এলাকায় এক চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীর বাড়িতে অভিযান চালান ওই চার পুলিশ কর্মকর্তা। অভিযানে একটি সাদা প্রাইভেটকার, একটি মোটরসাইকেল ও বিপুল পরিমাণ মাদক জব্দ করা হয়।

তবে জব্দকৃত আলামত থানায় না নিয়ে কৌশল বদলে কয়েক কিলোমিটার দূরে ভেলাগুড়ি ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে বৈঠক করে রফাদফা করে দরকষাকষির এক পর্যায়ে ১০ লাখ টাকায় এ চালান ছেড়ে দেন অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তারা৷ পরবর্তীতে বৈঠকের স্থানের সিসিটিভি ফুটেজ থেকে বিষয়টি জানাজানি হয়।

এ ঘটনার অভিযানিক দলটি পরেরদিন ১৮ জুলাই উপজেলার ভবানিপুর গ্রামে এমন অভিযানে গেলে গ্রামবাসীর তোপের মুখে পড়েন। এমন অভিযোগ উঠায় জেলা পুলিশ এসবের তদন্ত করতে অভিযুক্তদের লালমনিরহাট পুলিশ লাইনসে ক্লোজ করেন। একই সাথে ঘটনাটি তদন্তে একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছে।

হাতীবান্ধা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুজ্জামান সরকার বলেন, ‘প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতা পাওয়ায় ৪ কর্মকর্তাকে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। ঘটনা তদন্তে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জেনেছি।’