চুয়াডাঙ্গা ০৫:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এইচএসসির ফল প্রকাশের সম্ভাব্য সময় ঘোষণা

Padma Sangbad
৪২

অনলাইন ডেস্ক।।
এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ হতে পারে অক্টোবরের দ্বিতীয় সপ্তাহে।

শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ও আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার এ তথ্য জানিয়েছেন।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘পাবলিক পরীক্ষা আইন অনুযায়ী, লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে ফল প্রকাশের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সে অনুযায়ী আগামী ১৯ অক্টোবরের মধ্যে ফল প্রকাশ করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘আশা করছি, এই সময়ের মধ্যেই এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা সম্ভব হবে।’

এবারের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয়েছিল গত ২৬ জুন, যা শেষ হওয়ার কথা ছিল ১৩ আগস্ট। কিন্তু কয়েকটি বিষয়ের পরীক্ষা স্থগিত করে পুনরায় সূচি প্রকাশ করে পরীক্ষা নেওয়ায় তা শেষ হয় ১৯ আগস্ট।

চলতি বছর ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অংশ নিয়েছিলেন মোট ১২ লাখ ৫১ হাজার ১১১ জন শিক্ষার্থী।

এদের মধ্যে ৬ লাখ ১৮ হাজার ১৫ জন ছেলে ও ৬ লাখ ৩৩ হাজার ৯৬ জন মেয়ে। সারা দেশে ২ হাজার ৭৯৭টি কেন্দ্রে এই পরীক্ষা হয়।

পরীক্ষায় প্রায় ২৭ হাজার শিক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন। সেই হিসাবে ফলের অপেক্ষায় রয়েছেন সোয়া ১২ লাখ শিক্ষার্থী।

আপডেট : ০৩:০৫:৪৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫

এইচএসসির ফল প্রকাশের সম্ভাব্য সময় ঘোষণা

আপডেট : ০৩:০৫:৪৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫
৪২

অনলাইন ডেস্ক।।
এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ হতে পারে অক্টোবরের দ্বিতীয় সপ্তাহে।

শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ও আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার এ তথ্য জানিয়েছেন।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘পাবলিক পরীক্ষা আইন অনুযায়ী, লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে ফল প্রকাশের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সে অনুযায়ী আগামী ১৯ অক্টোবরের মধ্যে ফল প্রকাশ করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘আশা করছি, এই সময়ের মধ্যেই এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা সম্ভব হবে।’

এবারের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয়েছিল গত ২৬ জুন, যা শেষ হওয়ার কথা ছিল ১৩ আগস্ট। কিন্তু কয়েকটি বিষয়ের পরীক্ষা স্থগিত করে পুনরায় সূচি প্রকাশ করে পরীক্ষা নেওয়ায় তা শেষ হয় ১৯ আগস্ট।

চলতি বছর ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অংশ নিয়েছিলেন মোট ১২ লাখ ৫১ হাজার ১১১ জন শিক্ষার্থী।

এদের মধ্যে ৬ লাখ ১৮ হাজার ১৫ জন ছেলে ও ৬ লাখ ৩৩ হাজার ৯৬ জন মেয়ে। সারা দেশে ২ হাজার ৭৯৭টি কেন্দ্রে এই পরীক্ষা হয়।

পরীক্ষায় প্রায় ২৭ হাজার শিক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন। সেই হিসাবে ফলের অপেক্ষায় রয়েছেন সোয়া ১২ লাখ শিক্ষার্থী।