এবার নতুন মোড় রামিসা হত্যাকাণ্ড নিয়ে

অনলাইন ডেস্ক : এবার নতুন মোড় রামিসা হত্যাকাণ্ড নিয়ে! রাজধানীর পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসা আক্তার (৭) হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মূল অভিযুক্ত সোহেল রানাকে গ্রেপ্তারের পর তার স্ত্রী স্বপ্নাকেও আটক করেছে পুলিশ। তদন্তে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, হত্যাকাণ্ডে স্বপ্না সক্রিয়ভাবে সহযোগিতা করেছেন বলে জানিয়েছে ডিএমপি।
মঙ্গলবার (১৯ মে) রাতে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) এস এন নজরুল ইসলাম।
পুলিশ জানায়, রামিসার পরিবার দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে একই ভবনে বসবাস করে আসছিল। সম্প্রতি অভিযুক্ত দম্পতি মাত্র দুই মাস আগে ওই ভবনের উল্টো পাশের একটি ফ্ল্যাটে ভাড়া ওঠেন।
ঘটনার দিন সকালে শিশুটিকে স্কুলে পাঠানোর জন্য খুঁজতে গিয়ে তার মা ফ্ল্যাটের দরজার সামনে স্যান্ডেল দেখতে পান। এ সময় তিনি দরজায় নক করলেও ভেতরে হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হচ্ছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ।
তদন্ত কর্মকর্তাদের বরাতে জানানো হয়, অভিযুক্ত সোহেল রানা জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যান, এ সময় তার স্ত্রী স্বপ্না দরজা বন্ধ রেখে তাকে পালানোর সুযোগ করে দেন। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জে অভিযান চালিয়ে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ডিএমপি জানায়, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, শিশুটি প্রতিবেশীর বিকৃত আচরণের শিকার হয়েছিল। ঘটনা প্রকাশ পেয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয় এবং পরে আলামত গোপনের চেষ্টা করা হয়। তবে ধ র্ষ ণের বিষয়টি ময়নাতদন্ত ও কেমিক্যাল রিপোর্টের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।
এর আগে সকালে পল্লবীর ওই ফ্ল্যাটের খাটের নিচ থেকে রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ এবং বাথরুম থেকে তার খণ্ডিত মাথা উদ্ধার করে পুলিশ। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছে।
এ ঘটনায় পল্লবী থানায় একটি হত্যা মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং তদন্ত অব্যাহত আছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।





















