চুয়াডাঙ্গা ১০:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০তম বার্ষিকীতে বাংলাদেশকে রাশিয়ার শুভেচ্ছা

Padma Sangbad
৪৮

২৫ জানুয়ারি ঢাকা ও মস্কো কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০তম বার্ষিকী উপলক্ষে রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আজ বাংলাদেশকে শুভেচ্ছা জানিয়েছে। ঢাকায় প্রাপ্ত রুশ দূতাবাসের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা বলেন, আমাদের সম্পর্কের এই মাইলফলক বার্ষিকীতে আমাদের বাংলাদেশি বন্ধুদের অভিনন্দন জানাই।
তিনি বলেন, আমাদের উভয় দেশ দীর্ঘদিন ধরে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের বন্ধনে আবদ্ধ ছিল, এর ভিত্তি ১৯৭২ সালে স্থাপিত হয়েছিল যখন (তৎকালীন) ইউএসএসআর বাংলাদেশের জনগণের জাতীয় মুক্তি সংগ্রামকে সমর্থন করেছিল এবং নতুন রাষ্ট্রের স্বাধীনতাকে প্রথম স্বীকৃতিদাতা দেশগুলোর অন্যতম ছিল। জাখারোভা বলেন, বাংলাদেশিরা সোভিয়েত সামরিক নাবিকদের কৃতিত্বের কথা স্মরণ রেখেছে, যারা ১৯৭২-১৯৭৪ সালে চট্টগ্রাম বন্দরের মাইন ও ডুবে যাওয়া জাহাজ উদ্ধার করে বন্দর পরিষ্কার করেছিল। তিনি বলেন, আজ আমাদের উভয় দেশ একটি সক্রিয় রাজনৈতিক সংলাপ বজায় রেখেছে, যা সমতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার নীতির ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। মুখপাত্র বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ায় রাশিয়ার প্রধান বাণিজ্যিক অংশীদার এবং দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বছরে ২.৫ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি। তিনি লক্ষ্য করেন, ২০১৭ সালে প্রতিষ্ঠিত রাশিয়া-বাংলাদেশ আন্তঃসরকারি বাণিজ্য, অর্থনৈতিক, বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা বিষয়ক কমিশনের প্রক্রিয়াটি ভালোভাবে কাজ করছে। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র রূপপুরের নির্মাণসহ বড় বড় অর্থনৈতিক প্রকল্প চলমান রয়েছে।

আপডেট : ১০:৫৯:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২২

কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০তম বার্ষিকীতে বাংলাদেশকে রাশিয়ার শুভেচ্ছা

আপডেট : ১০:৫৯:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২২
৪৮

২৫ জানুয়ারি ঢাকা ও মস্কো কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০তম বার্ষিকী উপলক্ষে রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আজ বাংলাদেশকে শুভেচ্ছা জানিয়েছে। ঢাকায় প্রাপ্ত রুশ দূতাবাসের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা বলেন, আমাদের সম্পর্কের এই মাইলফলক বার্ষিকীতে আমাদের বাংলাদেশি বন্ধুদের অভিনন্দন জানাই।
তিনি বলেন, আমাদের উভয় দেশ দীর্ঘদিন ধরে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের বন্ধনে আবদ্ধ ছিল, এর ভিত্তি ১৯৭২ সালে স্থাপিত হয়েছিল যখন (তৎকালীন) ইউএসএসআর বাংলাদেশের জনগণের জাতীয় মুক্তি সংগ্রামকে সমর্থন করেছিল এবং নতুন রাষ্ট্রের স্বাধীনতাকে প্রথম স্বীকৃতিদাতা দেশগুলোর অন্যতম ছিল। জাখারোভা বলেন, বাংলাদেশিরা সোভিয়েত সামরিক নাবিকদের কৃতিত্বের কথা স্মরণ রেখেছে, যারা ১৯৭২-১৯৭৪ সালে চট্টগ্রাম বন্দরের মাইন ও ডুবে যাওয়া জাহাজ উদ্ধার করে বন্দর পরিষ্কার করেছিল। তিনি বলেন, আজ আমাদের উভয় দেশ একটি সক্রিয় রাজনৈতিক সংলাপ বজায় রেখেছে, যা সমতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার নীতির ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। মুখপাত্র বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ায় রাশিয়ার প্রধান বাণিজ্যিক অংশীদার এবং দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বছরে ২.৫ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি। তিনি লক্ষ্য করেন, ২০১৭ সালে প্রতিষ্ঠিত রাশিয়া-বাংলাদেশ আন্তঃসরকারি বাণিজ্য, অর্থনৈতিক, বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা বিষয়ক কমিশনের প্রক্রিয়াটি ভালোভাবে কাজ করছে। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র রূপপুরের নির্মাণসহ বড় বড় অর্থনৈতিক প্রকল্প চলমান রয়েছে।