চুয়াডাঙ্গা ১১:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খুলনায় ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা

Padma Sangbad
৬৪

খুলনা সংবাদ।।

খুলনায় যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

বুধবার (২৫ মার্চ) সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এই সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক আ. স. ম. জামশেদ খোন্দকার।

সভার শুরুতেই, ২৫ মার্চ কালো রাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হাতে গণহত্যার শিকার সব শহীদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক বলেন, নিরস্ত্র বাঙালিদের নিশ্চিহ্ন করতে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী ১৯৭১ সালের এই দিনে ঢাকাসহ সারা দেশে গণহত্যা চালায়, যা আমরা ‘কালো রাত’ হিসেবে জানি।

তিনি বলেন, গণহত্যা করে পৃথিবীতে কেউ রক্ষা পায় না। যারা এ ধরনের অপরাধ করে তারা শেষ পর্যন্ত পরাজিত শক্তিতে পরিণত হয়। জন্মভূমির জন্য আত্মত্যাগ শহিদী মর্যাদা এনে দেয়। দেশপ্রেম, মানবপ্রেম ও সেবাকে ব্রত ধারণ করে সবাইকে নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করার আহ্বান জানান তিনি।

আলোচনা সভায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বিতান কুমার মন্ডল, কেএমপির উপপুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) শেখ ইমরান, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. নজরুল ইসলাম প্রমুখ বক্তৃতা করেন। সভায় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

দিবসটি উপলক্ষ্যে স্কুল-কলেজ-মাদরাসাসহ সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিশিষ্ট ব্যক্তি/বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সমন্বয়ে গণহত্যা ও মহান মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে স্মৃতিচারণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। বাদজোহর সব মসজিদে মিলাদ মাহফিল ও দোয়া অনুষ্ঠান এবং মন্দির, গির্জা ও অন্যান্য উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়।

আপডেট : ১১:৫৭:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬

খুলনায় ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা

আপডেট : ১১:৫৭:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬
৬৪

খুলনা সংবাদ।।

খুলনায় যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

বুধবার (২৫ মার্চ) সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এই সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক আ. স. ম. জামশেদ খোন্দকার।

সভার শুরুতেই, ২৫ মার্চ কালো রাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হাতে গণহত্যার শিকার সব শহীদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক বলেন, নিরস্ত্র বাঙালিদের নিশ্চিহ্ন করতে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী ১৯৭১ সালের এই দিনে ঢাকাসহ সারা দেশে গণহত্যা চালায়, যা আমরা ‘কালো রাত’ হিসেবে জানি।

তিনি বলেন, গণহত্যা করে পৃথিবীতে কেউ রক্ষা পায় না। যারা এ ধরনের অপরাধ করে তারা শেষ পর্যন্ত পরাজিত শক্তিতে পরিণত হয়। জন্মভূমির জন্য আত্মত্যাগ শহিদী মর্যাদা এনে দেয়। দেশপ্রেম, মানবপ্রেম ও সেবাকে ব্রত ধারণ করে সবাইকে নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করার আহ্বান জানান তিনি।

আলোচনা সভায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বিতান কুমার মন্ডল, কেএমপির উপপুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) শেখ ইমরান, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. নজরুল ইসলাম প্রমুখ বক্তৃতা করেন। সভায় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

দিবসটি উপলক্ষ্যে স্কুল-কলেজ-মাদরাসাসহ সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিশিষ্ট ব্যক্তি/বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সমন্বয়ে গণহত্যা ও মহান মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে স্মৃতিচারণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। বাদজোহর সব মসজিদে মিলাদ মাহফিল ও দোয়া অনুষ্ঠান এবং মন্দির, গির্জা ও অন্যান্য উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়।