চুয়াডাঙ্গা ০২:৩২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঘোড়ায় চড়ে কনের বাড়িতে বর, দেখতে উৎসুক মানুষের ভিড়

Padma Sangbad
৪৫

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে ঘোড়ায় চড়ে কনের বাড়িতে যান বোরহান চৌধুরী নামে এক যুবক। এসময় তাকে দেখতে ভিড় জমান উৎসুক মানুষ।

শুক্রবার (১৬ মে) দুপুরে উপজেলার কুশোডাঙ্গা গ্রামের কনের বাড়িতে ১২০ বরযাত্রী নিয়ে যান তিনি। বোরহান চৌধুরী উপজেলার পৌরসদরের ছোলনা গ্রামের মরহুম আমিরুল ইসলাম চৌধুরীর ছেলে।

স্থানীয় ও পরিবার সূত্র জানায়, কুশোডাঙ্গা গ্রামের মো. ফারুক শেখের মেয়ে ফারজানা রহমান তিম্মার সঙ্গে বিয়ে ঠিক হয় বোরহান চৌধুরীর। কনের বাড়ি প্রায় দেড় থেকে দুই কিলোমিটারের পথ। পুরো পথ ঘোড়ার পিঠে চড়ে যান বোরহান। ঘোড়ার পাশাপাশি মোটরসাইকেল, মাইক্রোবাসে অন্তত ১২০ জন বরযাত্রী ছিল তার সঙ্গে।

বোরহান চৌধুরীর ফুফাতো ভাই শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘মামাতো ভাইয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে আত্মীয়-স্বজনের উদ্যোগে এমন আয়োজন করা হয়েছে। ব্যতিক্রমী আয়োজনে উভয় পরিবার খুশি।’

কনের বাবা মো. ফারুক শেখ বলেন, ‘পুরোনো ঐতিহ্য ঘোড়ায় চড়ে বর আসা। এ দৃশ্যটি দেখে সবাই খুশি। একটি ভিন্নধর্মী বিয়ের উৎসবে পরিণত হয়েছে।’

স্থানীয় মহব্বত জান চৌধুরী বলেন, ‘এক সময় জমিদার পরিবারের সদস্যদের যেন ঘোড়া ছাড়া চলতোই না। এখন আর ঘোড়া হাঁকিয়ে রাজপুত্রের ছুটে চলার দৃশ্য চোখে পড়ে না। গ্রামবাংলার হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্য ধরে রাখতে সেই ঘোড়ার পিঠে চড়ে কনের বাড়িতে যাওয়ার দৃশ্য দেখতে পেলাম। খুব ভালো লাগল ‘

বোয়ালমারী উপজেলা শিল্পকলা একাডেমির সদস্য খান মোস্তাফিজুর রহমান সুমন বলেন, ‘একসময় পালকি, ঘোড়া ও গরুর গাড়ি ছিল গ্রামবাংলার ঐতিহ্য। এখন সচরাচর এসব যানবাহন দেখা যায় না। অনেক দিন পর গ্রামবাংলার হারিয়ে যাওয়া সেই ঘোড়ার গাড়িতে চড়ে কনের বাড়িতে যাওয়ার দৃশ্য দেখলাম।’

আপডেট : ১২:৫২:৩০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ মে ২০২৫

ঘোড়ায় চড়ে কনের বাড়িতে বর, দেখতে উৎসুক মানুষের ভিড়

আপডেট : ১২:৫২:৩০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ মে ২০২৫
৪৫

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে ঘোড়ায় চড়ে কনের বাড়িতে যান বোরহান চৌধুরী নামে এক যুবক। এসময় তাকে দেখতে ভিড় জমান উৎসুক মানুষ।

শুক্রবার (১৬ মে) দুপুরে উপজেলার কুশোডাঙ্গা গ্রামের কনের বাড়িতে ১২০ বরযাত্রী নিয়ে যান তিনি। বোরহান চৌধুরী উপজেলার পৌরসদরের ছোলনা গ্রামের মরহুম আমিরুল ইসলাম চৌধুরীর ছেলে।

স্থানীয় ও পরিবার সূত্র জানায়, কুশোডাঙ্গা গ্রামের মো. ফারুক শেখের মেয়ে ফারজানা রহমান তিম্মার সঙ্গে বিয়ে ঠিক হয় বোরহান চৌধুরীর। কনের বাড়ি প্রায় দেড় থেকে দুই কিলোমিটারের পথ। পুরো পথ ঘোড়ার পিঠে চড়ে যান বোরহান। ঘোড়ার পাশাপাশি মোটরসাইকেল, মাইক্রোবাসে অন্তত ১২০ জন বরযাত্রী ছিল তার সঙ্গে।

বোরহান চৌধুরীর ফুফাতো ভাই শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘মামাতো ভাইয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে আত্মীয়-স্বজনের উদ্যোগে এমন আয়োজন করা হয়েছে। ব্যতিক্রমী আয়োজনে উভয় পরিবার খুশি।’

কনের বাবা মো. ফারুক শেখ বলেন, ‘পুরোনো ঐতিহ্য ঘোড়ায় চড়ে বর আসা। এ দৃশ্যটি দেখে সবাই খুশি। একটি ভিন্নধর্মী বিয়ের উৎসবে পরিণত হয়েছে।’

স্থানীয় মহব্বত জান চৌধুরী বলেন, ‘এক সময় জমিদার পরিবারের সদস্যদের যেন ঘোড়া ছাড়া চলতোই না। এখন আর ঘোড়া হাঁকিয়ে রাজপুত্রের ছুটে চলার দৃশ্য চোখে পড়ে না। গ্রামবাংলার হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্য ধরে রাখতে সেই ঘোড়ার পিঠে চড়ে কনের বাড়িতে যাওয়ার দৃশ্য দেখতে পেলাম। খুব ভালো লাগল ‘

বোয়ালমারী উপজেলা শিল্পকলা একাডেমির সদস্য খান মোস্তাফিজুর রহমান সুমন বলেন, ‘একসময় পালকি, ঘোড়া ও গরুর গাড়ি ছিল গ্রামবাংলার ঐতিহ্য। এখন সচরাচর এসব যানবাহন দেখা যায় না। অনেক দিন পর গ্রামবাংলার হারিয়ে যাওয়া সেই ঘোড়ার গাড়িতে চড়ে কনের বাড়িতে যাওয়ার দৃশ্য দেখলাম।’