চুয়াডাঙ্গা ০৫:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চলতি মাসেই রোপণ করা হবে আগাম আলু চাষ

Padma Sangbad
৫১

অনলাইন ডেস্ক।।
বর্ষার পানি নেমে যাওয়ার কারণে পদ্মা এবং মেঘনা তীরের উঁচু জমিগুলোকে ট্রাক্টর দিয়ে চাষ করে কৃষকরা আগাম আলু, পেঁয়াজ , মরিচসহ অন্যান্য ফসল আবাদের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয় কৃষকরা । কৃষকরা জানান , গেলো বছর আগাম আলু রোপণ করে কৃষকরা বৃষ্টির কারণে দু’বার ক্ষতির সম্মুখিন হয়েছেন । এবছরও কৃষকরা আগাম আলু রোপণের প্রস্তুতি হিসেবে ট্রাক্টর দিয়ে জমি চাষ করছেন । চাষ করা এসব জমি আলু রোপণের উপযোগী করতে জমিগুলোতে কমপক্ষে ৫ বার চাষ দিতে হয় ।

জমি পুরোপুরি প্রস্তুতি করতে সময় লাগে কমপক্ষে ১৫ দিন । কৃষকরা এসব জমিতে বৃষ্টি আর আবহাওয়ার পরিস্থিতি বুঝে চলতি মাসের মধ্যেই আলু রোপণ শুরু করবেন । আগাম আলুতে কৃষকরা লাভবান হলেও শেষ মুহূর্তের আলু চাষে গেলো বছর কৃষকরা লোকসান গুনেছেন । অনেকে কোল্ড স্টোরে আলু রেখে বেশি দামে বিক্রির আশায় লোকসান গুনেছেন । এজন্য নদী তীরবর্তী এলাকার কৃষকরা আগাম আলু চাষের দিকে ঝুঁকে পড়ছেন । আলু উত্তোলনের পর কৃষকরা অন্যান্য লাভজনক সবজি আবাদের লক্ষ্যেই জমিগুলো চাষ দিয়ে প্রস্তুত করছেন বলেও জানান একাধিক কৃষক । জানাগেছে , আমন ধান কর্তনের পর কৃষকরা একখন্ড জমিও পতিত রাখে না । এ ছাড়া বছরের পর বছর যে জমিগুলো পড়ে থাকত গত কয়েক বছর ধরে সে জমিগুলোতে আগাম জাতের আলু চাষ করে ইতোমতো বিপ্লব ঘটিয়েছে কৃষকরা । ৬০ থেকে ৭০ দিনের মধ্যে উৎপাদিত ডায়মন্ড এবং গেনোলা জাতের আগাম আলু চাষ করে থাকেন এখানকার কৃষকরা । সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে , নদীর তীরবর্তী এলাকার উঁচু জমিগুলোতে কৃষকরা ধনিয়া পাতা , পেঁয়াজের চারা এবং আগাম আলু রোপণের জন্য জমিগুলোকে প্রস্তুত করছেন । মেঘনা নদী তীরবর্তী উত্তর চরমশুরা , দক্ষিণ চরমশুরা , কুন্ডেরচর , বকচর এবং কালিরচর এলাকার বেশ কিছু স্থানে কৃষকদেরকে আলু রোপণের জমি চাষাবাদ করে প্রস্তুত করতে দেখা গেছে । কৃষক মমিন আলী সিকদার বলেন , ‘ জমি চাষ দিয়ে প্রস্তুতি নিয়ে রাখছি । আবহাওয়া ভালো দেখলে আগামী ১০/১৫ দিনের মধ্যে আলুর বীজ জমিতে বপণ করবো । তাছাড়া আবহাওয়া একটু খারাপ দেখলে এই জমিতে শীতকালীন শাকসবজি করে দিবো । গেলো বছর বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পরও আগাম আলুতে লাভবান হয়েছি । ‘ কাউয়াদি এলাকার কৃষক জসিম বলেন , নিজের ট্রাক্টর দিয়ে জমিগুলো চাষ দিয়ে প্রস্তুত করতেছি । কিছু জমিতে উস্তের চারা রোপণ আর ২০ শতাংশ জমিতে আগাম আলু রোপণ করবো । পাশাপাশি আলুর জমিতে সাথী ফসল হিসেবে মিষ্টি কুমড়ার আবাদ করবো । তিনি আরো বলেন , প্রতিবছর তিনি আগাম আলু রোপণ করেন । এবছরও তিনি ধাপে ধাপে প্রায় ২ একর জমিতে আগাম আলু রোপণ করবেন বলেও জানান।।

আপডেট : ০১:৪৫:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ অক্টোবর ২০২১

চলতি মাসেই রোপণ করা হবে আগাম আলু চাষ

আপডেট : ০১:৪৫:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ অক্টোবর ২০২১
৫১

অনলাইন ডেস্ক।।
বর্ষার পানি নেমে যাওয়ার কারণে পদ্মা এবং মেঘনা তীরের উঁচু জমিগুলোকে ট্রাক্টর দিয়ে চাষ করে কৃষকরা আগাম আলু, পেঁয়াজ , মরিচসহ অন্যান্য ফসল আবাদের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয় কৃষকরা । কৃষকরা জানান , গেলো বছর আগাম আলু রোপণ করে কৃষকরা বৃষ্টির কারণে দু’বার ক্ষতির সম্মুখিন হয়েছেন । এবছরও কৃষকরা আগাম আলু রোপণের প্রস্তুতি হিসেবে ট্রাক্টর দিয়ে জমি চাষ করছেন । চাষ করা এসব জমি আলু রোপণের উপযোগী করতে জমিগুলোতে কমপক্ষে ৫ বার চাষ দিতে হয় ।

জমি পুরোপুরি প্রস্তুতি করতে সময় লাগে কমপক্ষে ১৫ দিন । কৃষকরা এসব জমিতে বৃষ্টি আর আবহাওয়ার পরিস্থিতি বুঝে চলতি মাসের মধ্যেই আলু রোপণ শুরু করবেন । আগাম আলুতে কৃষকরা লাভবান হলেও শেষ মুহূর্তের আলু চাষে গেলো বছর কৃষকরা লোকসান গুনেছেন । অনেকে কোল্ড স্টোরে আলু রেখে বেশি দামে বিক্রির আশায় লোকসান গুনেছেন । এজন্য নদী তীরবর্তী এলাকার কৃষকরা আগাম আলু চাষের দিকে ঝুঁকে পড়ছেন । আলু উত্তোলনের পর কৃষকরা অন্যান্য লাভজনক সবজি আবাদের লক্ষ্যেই জমিগুলো চাষ দিয়ে প্রস্তুত করছেন বলেও জানান একাধিক কৃষক । জানাগেছে , আমন ধান কর্তনের পর কৃষকরা একখন্ড জমিও পতিত রাখে না । এ ছাড়া বছরের পর বছর যে জমিগুলো পড়ে থাকত গত কয়েক বছর ধরে সে জমিগুলোতে আগাম জাতের আলু চাষ করে ইতোমতো বিপ্লব ঘটিয়েছে কৃষকরা । ৬০ থেকে ৭০ দিনের মধ্যে উৎপাদিত ডায়মন্ড এবং গেনোলা জাতের আগাম আলু চাষ করে থাকেন এখানকার কৃষকরা । সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে , নদীর তীরবর্তী এলাকার উঁচু জমিগুলোতে কৃষকরা ধনিয়া পাতা , পেঁয়াজের চারা এবং আগাম আলু রোপণের জন্য জমিগুলোকে প্রস্তুত করছেন । মেঘনা নদী তীরবর্তী উত্তর চরমশুরা , দক্ষিণ চরমশুরা , কুন্ডেরচর , বকচর এবং কালিরচর এলাকার বেশ কিছু স্থানে কৃষকদেরকে আলু রোপণের জমি চাষাবাদ করে প্রস্তুত করতে দেখা গেছে । কৃষক মমিন আলী সিকদার বলেন , ‘ জমি চাষ দিয়ে প্রস্তুতি নিয়ে রাখছি । আবহাওয়া ভালো দেখলে আগামী ১০/১৫ দিনের মধ্যে আলুর বীজ জমিতে বপণ করবো । তাছাড়া আবহাওয়া একটু খারাপ দেখলে এই জমিতে শীতকালীন শাকসবজি করে দিবো । গেলো বছর বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পরও আগাম আলুতে লাভবান হয়েছি । ‘ কাউয়াদি এলাকার কৃষক জসিম বলেন , নিজের ট্রাক্টর দিয়ে জমিগুলো চাষ দিয়ে প্রস্তুত করতেছি । কিছু জমিতে উস্তের চারা রোপণ আর ২০ শতাংশ জমিতে আগাম আলু রোপণ করবো । পাশাপাশি আলুর জমিতে সাথী ফসল হিসেবে মিষ্টি কুমড়ার আবাদ করবো । তিনি আরো বলেন , প্রতিবছর তিনি আগাম আলু রোপণ করেন । এবছরও তিনি ধাপে ধাপে প্রায় ২ একর জমিতে আগাম আলু রোপণ করবেন বলেও জানান।।