চুয়াডাঙ্গা ১২:১৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জামিনে মুক্তি পেলেন সেলিনা হায়াৎ আইভী

Padma Sangbad
১৯

অনলাইন ডেস্ক।।
প্রায় ১৩ মাস কারাভোগের পর নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভী জামিনে মুক্তি পেয়েছেন।

বুধবার (৩ জুন) রাত ১০টার দিকে কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়। কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার শিরিনা আক্তার আমাদের সময়কে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, কারাবন্দি ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভীর জামিনের আদেশ কারাগারে পৌঁছায় ৩ জুন। পরে অন্য কোনো আটকাদেশ না থাকায় প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তাকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

সেলিনা হায়াৎ আইভীর মুক্তির সময় কারাগার ফটকে তাঁর আইনজীবী ও স্বজনেরা উপস্থিত ছিলেন। পরে তিনি কারাগার থেকে বের হয়ে নারায়ণগঞ্জের উদ্দেশে রওনা দেন।

নারায়ণগঞ্জ শহরের দেওভোগের নিজ বাসা থেকে গত বছরের ৯ মে ভোরে আইভীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তাকে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের ঘটনায় হওয়া তিনটি হত্যা মামলা ও দুটি হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

হাইকোর্ট থেকে ৯ নভেম্বর এই পাঁচটি মামলায় জামিন পান সেলিনা হায়াৎ আইভী। এ জামিনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে পৃথক পাঁচটি আবেদন করে। চেম্বার আদালত ১২ নভেম্বর হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত করে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনগুলো আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে শুনানির জন্য পাঠান। গত ১০ মে জামিনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের করা পৃথক পাঁচটি লিভ টু আপিল খারিজ করে আইভীর জামিন বহাল রাখেন সর্বোচ্চ আদালত।

২০০৩ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জ পৌরসভার মেয়র ছিলেন সেলিনা হায়াৎ আইভী। পরে নবগঠিত নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের টানা তিনটি নির্বাচনে জয়ী হন তিনি।

আপডেট : ০৩:১০:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬

জামিনে মুক্তি পেলেন সেলিনা হায়াৎ আইভী

আপডেট : ০৩:১০:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬
১৯

অনলাইন ডেস্ক।।
প্রায় ১৩ মাস কারাভোগের পর নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভী জামিনে মুক্তি পেয়েছেন।

বুধবার (৩ জুন) রাত ১০টার দিকে কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়। কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার শিরিনা আক্তার আমাদের সময়কে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, কারাবন্দি ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভীর জামিনের আদেশ কারাগারে পৌঁছায় ৩ জুন। পরে অন্য কোনো আটকাদেশ না থাকায় প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তাকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

সেলিনা হায়াৎ আইভীর মুক্তির সময় কারাগার ফটকে তাঁর আইনজীবী ও স্বজনেরা উপস্থিত ছিলেন। পরে তিনি কারাগার থেকে বের হয়ে নারায়ণগঞ্জের উদ্দেশে রওনা দেন।

নারায়ণগঞ্জ শহরের দেওভোগের নিজ বাসা থেকে গত বছরের ৯ মে ভোরে আইভীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তাকে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের ঘটনায় হওয়া তিনটি হত্যা মামলা ও দুটি হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

হাইকোর্ট থেকে ৯ নভেম্বর এই পাঁচটি মামলায় জামিন পান সেলিনা হায়াৎ আইভী। এ জামিনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে পৃথক পাঁচটি আবেদন করে। চেম্বার আদালত ১২ নভেম্বর হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত করে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনগুলো আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে শুনানির জন্য পাঠান। গত ১০ মে জামিনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের করা পৃথক পাঁচটি লিভ টু আপিল খারিজ করে আইভীর জামিন বহাল রাখেন সর্বোচ্চ আদালত।

২০০৩ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জ পৌরসভার মেয়র ছিলেন সেলিনা হায়াৎ আইভী। পরে নবগঠিত নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের টানা তিনটি নির্বাচনে জয়ী হন তিনি।