চুয়াডাঙ্গা ০৯:৪৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঝিনাইদহ ঝিনাইদহে ৩’শ কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ

Padma Sangbad
৪১

ঝিনাইদহে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে খরিফ-২ মৌসুমে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচীর আওতায় মাসকলাই আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ক্ষুদ্র প্রান্তিক ৩’শ কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ করা হয়েছে।

সোমবার সকালে উপজেলা কৃষি অফিসের আয়োজনে সদর উপজেলা চত্বরে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ উদ্বোধন করা হয়। সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাজিয়া আক্তার চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ষষ্টি চন্দ্র রায়। বিশেষ অতিথি ছিলেন সদর উপজেলা কৃষি অফিসার নূর-এ-নবী, অতিরিক্ত কৃষি অফিসার জুনাইদ হাবিব।

উল্লেখ্য, মাসকলাই আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ক্ষুদ্র প্রান্তিক ৩’শ কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ৫ কেজি, ডিএপি সার ১০ কেজি ও এমওপি ৫ কেজি করে মোট বীজ ১.৫ মে. টন এবং সার ৪.৫ মে. টন বিতরণ করা হয়েছে।

কৃষকঝিনাইদহবিতরণবিনামূল্যেবীজসার

Share
Tweet
Share
Pin
Share
0SHARES

ঝিনাইদহ
ঝিনাইদহ চক্ষু হাসপাতালের সহকারী পরিচালকের বিরুদ্ধে পাহাড়সম দুর্নীতির অভিযোগ
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি 38 ১৮ই ভাদ্র, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ · রাত ১১:৩৩ image_print
ঝিনাইদহ চক্ষু হাসপাতালের সহকারী পরিচালকের বিরুদ্ধে পাহাড়সম দুর্নীতির অভিযোগ
ঝিনাইদহ চক্ষু হাসপাতাল ও অন্ধ পুনর্বাসন কেন্দ্রের সহকারী পরিচালক মিলন হোসেনের বিরুদ্ধে নানা অনিময় ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। হাসপাতালের ৮০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির নানা অভিযোগ সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালকের বরাবর লিখিত ভাবে দিলেও অদৃশ্য কারণে আজ পর্যন্ত কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এতে চরম ক্ষুব্ধ হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
অভিযোগে জানা যায়, মিলন হোসেন ১৯৯৯ সালে চক্ষু হাসপাতালে হিসাব রক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। অন্যান্য কর্মকর্তাদের পদোন্নতী না হলেও কর্তৃপক্ষকে ম্যানেজ করে কয়েকদফায় নিজের পদোন্নতী করিয়েছেন। সম্প্রতি তিনি সহকারী পরিচালক পদে পদোন্নতী পেয়েছেন।

হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অভিযোগ মিলন হোসেন হাসপাতালের চশমা ক্রয়, সাইনবোর্ড নির্মাণ, মোটর সাইকেলের সেড নির্মাণে ব্যাপক দুর্নীতি করেছেন। নির্দিষ্ট সময়ে তিনি অফিসে আসেন না। কর্মচারীদের সাথেও র্দূব্যবহার করেন তিনি। হাসপাতালে সরবরাহকৃত ঔষধ, উপকরণ, লেন্স ক্রয় থেকে শুরু করে সকল কেনাকাটায় অনিয়ম করেন তিনি। হিসাব রক্ষক থাকাকালে অতিরিক্ত দ্বায়িত্ব পালনের নামে প্রতিমাসে ২৫০০ টাকা নিতেন। নিজের আত্মীয় স্বজনদের বিনামুল্যে চিকিৎসা করান।

হাসপাতালের সিনিয়র কনসালটেন্ট সার্জন ডা: মোঃ আব্দুল হালিম বলেন, মিলন হোসেন ঝিনাইদহের সদ্য সাবেক জেলা প্রশাসক এস এম রফিকুল ইসলামের সাথে যোগসাজস করে বিজ্ঞপ্তি ছাড়াই মোটা টাকার বিনিময়ে জনবল নিয়োগ দিয়েছেন। আমাদের কোন পদন্নতী না হলেও তিনি পদোন্নতী বাগিয়ে নিয়েছেন। সম্প্রতি হাসপাতালের কর্মকর্ত-কর্মচারীরা তার বিরুদ্ধে কথা বললে তিনি ছুটির অজুহাতে এখন অফিসে আসেন না। আমরা চাই সমাজসেবা কার্যালয়ে যে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি তার সুষ্ঠু তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

সিনিয়র ল্যাব সহকারী তরিকুল ইসলাম বলেন, এর আগে মিলনের দুর্নীতির ধরে ফেলায় ২ জন কর্মচারীকে বহিস্কার করা হয়। এতদিন তার বিরুদ্ধে আমরা কথা বলতে পারিনি। আমরা হাসপাতালের ৮০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী অভিযোগ দিয়েছি। কিন্তু অদৃশ্য কারণে আজ পর্যন্ত কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। আমরা যে অভিযোগ দিয়েছি তার সুর্নিদিষ্ট প্রমাণ আমাদের কাছে আছে। হাসপাতালের সাধারণ সম্পাদক ও সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক তার বিরুদ্ধে কেন তদন্ত করছে না তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। আমরা চাই আমাদের দেওয়া অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করা হোক।

অভিযোগের ব্যাপারে মিলন হোসেন বলেন, আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ দিয়েছে তার কোন সত্যতা নেই। আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।

এ ব্যাপারে সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক আব্দুল কাদের বলেন, যেহেতু জেলা প্রশাসক ওই হাসপাতালের সভাপতি। বর্তমানে জেলা প্রশাসক নেই এ জন্য তদন্ত কমিটি বা ব্যবস্থা নিতে পারছি না। নতুন জেলা প্রশাসক এলেই অভিযোগের বিষয়ে ব্যবস্থা নিব।।

আপডেট : ১১:৩৫:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৪

ঝিনাইদহ ঝিনাইদহে ৩’শ কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ

আপডেট : ১১:৩৫:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৪
৪১

ঝিনাইদহে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে খরিফ-২ মৌসুমে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচীর আওতায় মাসকলাই আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ক্ষুদ্র প্রান্তিক ৩’শ কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ করা হয়েছে।

সোমবার সকালে উপজেলা কৃষি অফিসের আয়োজনে সদর উপজেলা চত্বরে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ উদ্বোধন করা হয়। সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাজিয়া আক্তার চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ষষ্টি চন্দ্র রায়। বিশেষ অতিথি ছিলেন সদর উপজেলা কৃষি অফিসার নূর-এ-নবী, অতিরিক্ত কৃষি অফিসার জুনাইদ হাবিব।

উল্লেখ্য, মাসকলাই আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ক্ষুদ্র প্রান্তিক ৩’শ কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ৫ কেজি, ডিএপি সার ১০ কেজি ও এমওপি ৫ কেজি করে মোট বীজ ১.৫ মে. টন এবং সার ৪.৫ মে. টন বিতরণ করা হয়েছে।

কৃষকঝিনাইদহবিতরণবিনামূল্যেবীজসার

Share
Tweet
Share
Pin
Share
0SHARES

ঝিনাইদহ
ঝিনাইদহ চক্ষু হাসপাতালের সহকারী পরিচালকের বিরুদ্ধে পাহাড়সম দুর্নীতির অভিযোগ
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি 38 ১৮ই ভাদ্র, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ · রাত ১১:৩৩ image_print
ঝিনাইদহ চক্ষু হাসপাতালের সহকারী পরিচালকের বিরুদ্ধে পাহাড়সম দুর্নীতির অভিযোগ
ঝিনাইদহ চক্ষু হাসপাতাল ও অন্ধ পুনর্বাসন কেন্দ্রের সহকারী পরিচালক মিলন হোসেনের বিরুদ্ধে নানা অনিময় ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। হাসপাতালের ৮০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির নানা অভিযোগ সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালকের বরাবর লিখিত ভাবে দিলেও অদৃশ্য কারণে আজ পর্যন্ত কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এতে চরম ক্ষুব্ধ হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
অভিযোগে জানা যায়, মিলন হোসেন ১৯৯৯ সালে চক্ষু হাসপাতালে হিসাব রক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। অন্যান্য কর্মকর্তাদের পদোন্নতী না হলেও কর্তৃপক্ষকে ম্যানেজ করে কয়েকদফায় নিজের পদোন্নতী করিয়েছেন। সম্প্রতি তিনি সহকারী পরিচালক পদে পদোন্নতী পেয়েছেন।

হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অভিযোগ মিলন হোসেন হাসপাতালের চশমা ক্রয়, সাইনবোর্ড নির্মাণ, মোটর সাইকেলের সেড নির্মাণে ব্যাপক দুর্নীতি করেছেন। নির্দিষ্ট সময়ে তিনি অফিসে আসেন না। কর্মচারীদের সাথেও র্দূব্যবহার করেন তিনি। হাসপাতালে সরবরাহকৃত ঔষধ, উপকরণ, লেন্স ক্রয় থেকে শুরু করে সকল কেনাকাটায় অনিয়ম করেন তিনি। হিসাব রক্ষক থাকাকালে অতিরিক্ত দ্বায়িত্ব পালনের নামে প্রতিমাসে ২৫০০ টাকা নিতেন। নিজের আত্মীয় স্বজনদের বিনামুল্যে চিকিৎসা করান।

হাসপাতালের সিনিয়র কনসালটেন্ট সার্জন ডা: মোঃ আব্দুল হালিম বলেন, মিলন হোসেন ঝিনাইদহের সদ্য সাবেক জেলা প্রশাসক এস এম রফিকুল ইসলামের সাথে যোগসাজস করে বিজ্ঞপ্তি ছাড়াই মোটা টাকার বিনিময়ে জনবল নিয়োগ দিয়েছেন। আমাদের কোন পদন্নতী না হলেও তিনি পদোন্নতী বাগিয়ে নিয়েছেন। সম্প্রতি হাসপাতালের কর্মকর্ত-কর্মচারীরা তার বিরুদ্ধে কথা বললে তিনি ছুটির অজুহাতে এখন অফিসে আসেন না। আমরা চাই সমাজসেবা কার্যালয়ে যে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি তার সুষ্ঠু তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

সিনিয়র ল্যাব সহকারী তরিকুল ইসলাম বলেন, এর আগে মিলনের দুর্নীতির ধরে ফেলায় ২ জন কর্মচারীকে বহিস্কার করা হয়। এতদিন তার বিরুদ্ধে আমরা কথা বলতে পারিনি। আমরা হাসপাতালের ৮০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী অভিযোগ দিয়েছি। কিন্তু অদৃশ্য কারণে আজ পর্যন্ত কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। আমরা যে অভিযোগ দিয়েছি তার সুর্নিদিষ্ট প্রমাণ আমাদের কাছে আছে। হাসপাতালের সাধারণ সম্পাদক ও সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক তার বিরুদ্ধে কেন তদন্ত করছে না তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। আমরা চাই আমাদের দেওয়া অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করা হোক।

অভিযোগের ব্যাপারে মিলন হোসেন বলেন, আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ দিয়েছে তার কোন সত্যতা নেই। আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।

এ ব্যাপারে সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক আব্দুল কাদের বলেন, যেহেতু জেলা প্রশাসক ওই হাসপাতালের সভাপতি। বর্তমানে জেলা প্রশাসক নেই এ জন্য তদন্ত কমিটি বা ব্যবস্থা নিতে পারছি না। নতুন জেলা প্রশাসক এলেই অভিযোগের বিষয়ে ব্যবস্থা নিব।।