তাহসিফের মৃত্যুর রহস্য কাটেনি: ঘটনা ভিন্ন খাতে নেওয়ার দাবি বাবার

দৈনিক পদ্মা সংবাদ ডেস্ক :
বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কে এম তাহসিফ সাউরির মৃত্যুর রহস্য এখনো কাটেনি। বিষয়টি দিন দিন আরও জটিল হয়ে উঠছে। ছেলের মৃত্যু নিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে বন্ধু দীপের দেওয়া ভাষ্য মানতে নারাজ তাহসিফের বাবা কে এম এনায়েতুল করিম। তাঁর দাবি, পুরো ঘটনাটি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার অপচেষ্টা চলছে।
শুক্রবার গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে তাহসিফের বাবা এ কথা বলেন। পিবিআইয়ের জিজ্ঞাসাবাদে বন্ধু দীপের দেওয়া ‘ধাওয়ার মুখে নদীতে ঝাঁপ দেওয়ার’ তত্ত্ব পুরোপুরি নাকচ করে দিয়েছেন তিনি।
নিহত তাহসিফের বাবা কে এম এনায়েতুল করিম বলেন, “না না, এ ধরনের কিছু হতে পারে না। কেন তাকে কেউ ধাওয়া দিতে যাবে? এগুলো বাজে কথা, প্রশ্নই আসে না। আমার ছেলে সাঁতার জানত। সে তো পাইলট। প্রশিক্ষণের অংশ হিসেবে তার সুইমিংয়ের ওপর বড় ধরনের কোর্স করা আছে এবং তার সার্টিফিকেটও রয়েছে।”
ঘটনা আড়াল বা কোনো গভীর ষড়যন্ত্রের আশঙ্কা করছেন কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “স্বাভাবিকভাবে তো এটাই মনে হয়। আমার ছেলেকে কেউ কেন ধাওয়া দেবে? আমার কাছে মনে হচ্ছে, পুরো ঘটনাটি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার বা অন্য কোনোভাবে উপস্থাপনের চেষ্টা চলছে।”
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার নিখোঁজ হওয়ার আগে স্থানীয় ছোট ভাই দীপের ডাকেই বাসা থেকে বের হয়েছিলেন তাহসিফ। ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটনে গত বৃহস্পতিবার রাতে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ঢাকা মেট্রো উত্তরের একটি দল দীপকে হেফাজতে নেয়। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি তাহসিফের সঙ্গে বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত এবং ঘটনার আগের নানা তথ্য দিচ্ছেন।
দীপের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তদন্তকারীরা বিভিন্ন স্থান শনাক্ত করে তা যাচাই-বাছাই করছেন। এছাড়া তাঁর দেওয়া তথ্যের সূত্র ধরেই টঙ্গী পশ্চিম থানাধীন মাজার বস্তি এলাকা থেকে তাহসিফের ব্যবহৃত একটি নম্বরপ্লেটবিহীন মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে।





















