চুয়াডাঙ্গা ০৪:১০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দীর্ঘ ১৭ বছর পর আলমডাঙ্গার ঝন্টু হত্যা মামলার রায়: দুইজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

Padma Sangbad
২০

আলমডাঙ্গা (চুয়াডাঙ্গা) প্রতিনিধি:

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় বহুল আলোচিত ঝন্টু হত্যা মামলায় দীর্ঘ ১৭ বছর পর দুই আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বুধবার চুয়াডাঙ্গা জেলা ও দায়রা জজ এবং শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মোক্তাগীর আলম এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলো—আলমডাঙ্গা উপজেলার গাংনী ইউনিয়নের শালিকা গ্রামের সোলায়মান আলীর ছেলে ইসমাইল হোসেন এবং একই গ্রামের মৃত আবু ছদ্দিনের ছেলে আবুল কালাম আজাদ।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০০৯ সালের ১৯ এপ্রিল রাত সাড়ে ৭টার দিকে মোবাইল ফোনে কল পেয়ে বাড়ি থেকে বের হন ঝন্টু। পরদিন ২০ এপ্রিল সকালে গ্রামের একটি ধানখেত থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের বাবা জাহা বক্স মণ্ডল বাদী হয়ে ২০০৯ সালের ২০ এপ্রিল আলমডাঙ্গা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। আর্থিক লেনদেনের বিরোধকে কেন্দ্র করে পরিকল্পিতভাবে ঝন্টুকে হত্যা করা হয়েছে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়।

দীর্ঘ তদন্ত শেষে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে চলা বিচারিক প্রক্রিয়ায় আদালত ২০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য ও প্রমাণ পর্যালোচনার পর এই রায় দেন।

মামলার রায়ের বিষয়ে শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁسুলি (পিপি) অ্যাডভোকেট আ. স. ম. আব্দুর রউফ বলেন, “দীর্ঘ সাক্ষ্যপ্রমাণ শেষে আদালত দুই আসামির বিরুদ্ধে অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় দিয়েছেন। এ রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্ট এবং নিহতের পরিবার ন্যায়বিচার পেয়েছে।”

আপডেট : ০২:৪০:০৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

দীর্ঘ ১৭ বছর পর আলমডাঙ্গার ঝন্টু হত্যা মামলার রায়: দুইজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

আপডেট : ০২:৪০:০৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
২০

আলমডাঙ্গা (চুয়াডাঙ্গা) প্রতিনিধি:

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় বহুল আলোচিত ঝন্টু হত্যা মামলায় দীর্ঘ ১৭ বছর পর দুই আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বুধবার চুয়াডাঙ্গা জেলা ও দায়রা জজ এবং শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মোক্তাগীর আলম এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলো—আলমডাঙ্গা উপজেলার গাংনী ইউনিয়নের শালিকা গ্রামের সোলায়মান আলীর ছেলে ইসমাইল হোসেন এবং একই গ্রামের মৃত আবু ছদ্দিনের ছেলে আবুল কালাম আজাদ।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০০৯ সালের ১৯ এপ্রিল রাত সাড়ে ৭টার দিকে মোবাইল ফোনে কল পেয়ে বাড়ি থেকে বের হন ঝন্টু। পরদিন ২০ এপ্রিল সকালে গ্রামের একটি ধানখেত থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের বাবা জাহা বক্স মণ্ডল বাদী হয়ে ২০০৯ সালের ২০ এপ্রিল আলমডাঙ্গা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। আর্থিক লেনদেনের বিরোধকে কেন্দ্র করে পরিকল্পিতভাবে ঝন্টুকে হত্যা করা হয়েছে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়।

দীর্ঘ তদন্ত শেষে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে চলা বিচারিক প্রক্রিয়ায় আদালত ২০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য ও প্রমাণ পর্যালোচনার পর এই রায় দেন।

মামলার রায়ের বিষয়ে শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁسুলি (পিপি) অ্যাডভোকেট আ. স. ম. আব্দুর রউফ বলেন, “দীর্ঘ সাক্ষ্যপ্রমাণ শেষে আদালত দুই আসামির বিরুদ্ধে অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় দিয়েছেন। এ রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্ট এবং নিহতের পরিবার ন্যায়বিচার পেয়েছে।”