চুয়াডাঙ্গা ০৫:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দুই-তিন ঘণ্টার লাইনে মিলছে মাত্র ২০০ টাকার পেট্রোল: ঘাটতি নাকি সিন্ডিকেটের বাণিজ্য?

Padma Sangbad

{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":["local"],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{"transform":1},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":true,"containsFTESticker":false}

৭৫

নিজস্ব প্রতিবেদন:
প্রখর রোদ আর অসহনীয় গরম উপেক্ষা করে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়েও মিলছে না পর্যাপ্ত পেট্রোল। কোথাও দুই থেকে তিন ঘণ্টা অপেক্ষার পর মাত্র ২০০ টাকার পেট্রোল দিয়ে ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে গ্রাহকদের। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে মোটরসাইকেল চালক ও দৈনন্দিন যাতায়াত নির্ভর কর্মজীবীরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বেশ কয়েকটি পেট্রোল পাম্পে সরবরাহ স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক কম। ফলে চাহিদার তুলনায় জ্বালানি কম থাকায় বাধ্য হয়ে নির্দিষ্ট পরিমাণ বেঁধে দেওয়া হচ্ছে। তবে প্রশ্ন উঠছে—এটি কি সত্যিই জ্বালানির ঘাটতি, নাকি কৃত্রিম সংকট তৈরি করে বাড়তি লাভের চেষ্টা?
অনেক ভুক্তভোগীর অভিযোগ, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে তেল মজুত করে পরে বেশি দামে বিক্রির পরিকল্পনা করছে। আবার কেউ কেউ মনে করছেন, সরবরাহ ব্যবস্থাপনায় সমস্যা কিংবা নীতিগত দুর্বলতার কারণেই এই সংকট তৈরি হয়েছে।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখনো সুস্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। তবে পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক না হলে জনদুর্ভোগ আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সাধারণ মানুষের প্রশ্ন—এই ভোগান্তির দায় নেবে কে? ঘাটতি নাকি বাণিজ্যিক কারসাজি—এর সঠিক তদন্ত করে দ্রুত সমাধান চান ভুক্তভোগীরা।

আপডেট : ০৪:৫০:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬

দুই-তিন ঘণ্টার লাইনে মিলছে মাত্র ২০০ টাকার পেট্রোল: ঘাটতি নাকি সিন্ডিকেটের বাণিজ্য?

আপডেট : ০৪:৫০:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬
৭৫

নিজস্ব প্রতিবেদন:
প্রখর রোদ আর অসহনীয় গরম উপেক্ষা করে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়েও মিলছে না পর্যাপ্ত পেট্রোল। কোথাও দুই থেকে তিন ঘণ্টা অপেক্ষার পর মাত্র ২০০ টাকার পেট্রোল দিয়ে ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে গ্রাহকদের। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে মোটরসাইকেল চালক ও দৈনন্দিন যাতায়াত নির্ভর কর্মজীবীরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বেশ কয়েকটি পেট্রোল পাম্পে সরবরাহ স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক কম। ফলে চাহিদার তুলনায় জ্বালানি কম থাকায় বাধ্য হয়ে নির্দিষ্ট পরিমাণ বেঁধে দেওয়া হচ্ছে। তবে প্রশ্ন উঠছে—এটি কি সত্যিই জ্বালানির ঘাটতি, নাকি কৃত্রিম সংকট তৈরি করে বাড়তি লাভের চেষ্টা?
অনেক ভুক্তভোগীর অভিযোগ, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে তেল মজুত করে পরে বেশি দামে বিক্রির পরিকল্পনা করছে। আবার কেউ কেউ মনে করছেন, সরবরাহ ব্যবস্থাপনায় সমস্যা কিংবা নীতিগত দুর্বলতার কারণেই এই সংকট তৈরি হয়েছে।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখনো সুস্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। তবে পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক না হলে জনদুর্ভোগ আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সাধারণ মানুষের প্রশ্ন—এই ভোগান্তির দায় নেবে কে? ঘাটতি নাকি বাণিজ্যিক কারসাজি—এর সঠিক তদন্ত করে দ্রুত সমাধান চান ভুক্তভোগীরা।