চুয়াডাঙ্গা ০৩:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফ্রান্সে ২৪ ঘন্টায় ৫ লক্ষাধিক আক্রান্ত

Padma Sangbad
৮০

করোনার ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের তাণ্ডবে সংক্রমণের ব্যাপক ঊর্ধ্বগতি দেখা দিয়েছে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে। যার মধ্যে ফ্রান্সে সংক্রমণের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে সংক্রমণ এতোটাই বেড়েছে যে, তা অতীতের সব রেকর্ড ভেঙেছে। এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে এনডিটিভি।

প্রতিবেদনে বলা হয়, করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর থেকে একদিনে সর্বোচ্চ সংক্রমণ দেখলো ফ্রান্স। দেশটিতে মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি) ফ্রান্সে ৫ লাখ ১ হাজার ৬৩৫ জন নতুন করে ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছেন। এসময় মৃত্যু হয়েছে ৩৬৪ জনের। ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে একমাত্র ফ্রান্সেই দৈনিক বিপুল সংখ্যক মানুষ ভাইরাসে আক্রান্ত বলে শনাক্ত হচ্ছেন। গত সপ্তাহে দেশটিতে প্রতিদিন গড়ে ৩ লাখ ৬০ হাজারেরও বেশি মানুষ ভাইরাসে আক্রান্ত হচ্ছেন।

জানা যায়, অধিক সংখ্যক মানুষ ভাইরাসে আক্রান্ত হলেও দেশটিতে বর্তমানে ৩০ হাজারেরও বেশি করোনা রোগী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ২০২০ সালের নভেম্বর মাসের পর থেকে এই সংখ্যাটি বর্তমানে সর্বোচ্চ পর্যায়ে আছ্যে। অবশ্য এর মধ্যে ৩ হাজার ৭০০ জনের কিছু বেশি মানুষ ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে রয়েছেন। যা মহামারির পূর্ববর্তী অবস্থার তুলনায় কম।

বিশেষজ্ঞদের ধারণা, অতিসংক্রামক ধরন ওমিক্রনের কারণেই ফ্রান্সে সংক্রমণ ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে এই ভ্যারিয়েন্ট অত্যন্ত সংক্রামক হলেও ডেল্টা ধরনের তুলনায় কম বিপজ্জনক।

আপডেট : ১১:১২:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২২

ফ্রান্সে ২৪ ঘন্টায় ৫ লক্ষাধিক আক্রান্ত

আপডেট : ১১:১২:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২২
৮০

করোনার ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের তাণ্ডবে সংক্রমণের ব্যাপক ঊর্ধ্বগতি দেখা দিয়েছে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে। যার মধ্যে ফ্রান্সে সংক্রমণের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে সংক্রমণ এতোটাই বেড়েছে যে, তা অতীতের সব রেকর্ড ভেঙেছে। এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে এনডিটিভি।

প্রতিবেদনে বলা হয়, করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর থেকে একদিনে সর্বোচ্চ সংক্রমণ দেখলো ফ্রান্স। দেশটিতে মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি) ফ্রান্সে ৫ লাখ ১ হাজার ৬৩৫ জন নতুন করে ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছেন। এসময় মৃত্যু হয়েছে ৩৬৪ জনের। ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে একমাত্র ফ্রান্সেই দৈনিক বিপুল সংখ্যক মানুষ ভাইরাসে আক্রান্ত বলে শনাক্ত হচ্ছেন। গত সপ্তাহে দেশটিতে প্রতিদিন গড়ে ৩ লাখ ৬০ হাজারেরও বেশি মানুষ ভাইরাসে আক্রান্ত হচ্ছেন।

জানা যায়, অধিক সংখ্যক মানুষ ভাইরাসে আক্রান্ত হলেও দেশটিতে বর্তমানে ৩০ হাজারেরও বেশি করোনা রোগী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ২০২০ সালের নভেম্বর মাসের পর থেকে এই সংখ্যাটি বর্তমানে সর্বোচ্চ পর্যায়ে আছ্যে। অবশ্য এর মধ্যে ৩ হাজার ৭০০ জনের কিছু বেশি মানুষ ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে রয়েছেন। যা মহামারির পূর্ববর্তী অবস্থার তুলনায় কম।

বিশেষজ্ঞদের ধারণা, অতিসংক্রামক ধরন ওমিক্রনের কারণেই ফ্রান্সে সংক্রমণ ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে এই ভ্যারিয়েন্ট অত্যন্ত সংক্রামক হলেও ডেল্টা ধরনের তুলনায় কম বিপজ্জনক।