চুয়াডাঙ্গা ০৮:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ মে ২০২৬, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশের সামনে চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য রাখল আফগানিস্তান

Padma Sangbad
৩০

দীর্ঘ ৭ মাস পর ওয়ানডে খেলতে নামলেও শুরুটা দুর্দান্ত করেছিলেন বাংলাদেশের পেসাররা। প্রথম পাওয়ার প্লের ১০ ওভারে ৩৬ রানের মধ্যেই তুলে নিয়েছিল আফগানদের ৪ উইকেট। তবে সেই দাপট আর ধরে রাখতে পারেননি বোলাররা। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ৫০ ওভারের ২ বল বাকি থাকতে ২৩৫ রানে অলআউট হয় আফগানরা। শারজার এই পিচে ও প্রতিপক্ষের বোলিং বিবেচনায় যে রান বেশ চ্যালেঞ্জিং।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাহ স্টেডিয়ামে আজ টস জিতে ব্যাটিং বেছে নেয় আফগানিস্তান। বিকাল ৪টায় শুরু হওয়া এই ম্যাচে শুরু থেকেই আঁটসাঁট বোলিং করেন তাসকিন ও শরিফুল। দ্বিতীয় ওভারেই টাইগারদের সাফল্য এনে দেন তাসকিন। গুরবাজকে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিতে বাধ্য করেন এই পেসার। তিনে নেমে থিতু হওয়ার চেষ্টা করেও পারেননি রহমত। ১৩ বলে ২ রান করার পর তাকে সেই উইকেটের পেছনেই ক্যাচ দিতে বাধ্য করেন মোস্তাফিজ।

ইমার্জিং এশিয়া কাপে দুরন্ত ফর্ম নিয়ে আফগানিস্তান দলে জায়গা করে নিয়েছিলেন সেদিকুল্লাহ আতাল। বাংলাদেশের বিপক্ষে এই ম্যাচেও দারুণ ব্যাট করছিলেন তিনি। তবে মোস্তাফিজের বোলিংয়ে তার সেই ব্যাটিং বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। ৩০ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারানো আফগানিস্তান আর ৫ রান যোগ করতেই আতালকে হারায়। দশম ওভারের দ্বিতীয় বলে তাকে এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে ফেলেন মোস্তাফিজ। ৩০ বলে ৩টি চারে ২১ রান আসে এই ওপেনারের ব্যাটে। একই ওভারে আবারও দ্য ফিজের আঘাত। ওভারের পঞ্চম বলে আজমাতুল্লাহ ওমারজাই উইকেটের পেছনেই মুশফিককে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন। ৩৬ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বিপদ বাড়ে আফগানদের।

বিপদে পড়া আফগানিস্তানকে প্রাথমিকভাবে উদ্ধার করেন হাশমতউল্লাহ ও গুলবাদিন নাইব। পঞ্চম উইকেটে ৩৬ রান যোগ করেন এই দুজন। দলীয় ৭১ রানে আবারও তাসকিনের আঘাত। ৩২ বলে ২২ রান করে ফেরত যান গুলবাদিন। এরপর অধিনায়কের সঙ্গে জুটি বাঁধতে নামেন নবি। হাশমতউল্লাহ কিছুটা রয়েসয়ে খেললেও শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক খেলতে থাকেন নবি। শক্ত এই জুটি ভাঙেন সেই মোস্তাফিজই। ১৭৫ রানের মাথায় হাশমতউল্লাহ ফিরলেও ততক্ষণে নবির গঙ্গে গড়া হয়ে যায় ১০৪ রানের জুটি। ৯২ বলে ৫২ রান করেন হাশমতউল্লাহ।

অধিনায়ক ফিরলেও রান তোলার গতিতে ভাটা পড়েনি নবির। ১৮৯ রানে সপ্তম ব্যাটার হিসেবে রশিদ খান ফিরলেও অষ্টম উইকেটে নবাগত নানগেয়ালিয়া খারোটেকে নিয়ে ৩০ রান যোগ করেন নবি। সেঞ্চুরির সম্ভাবনা জাগালেও সেটি হতে দেননি তাসকিন। ৭৯ বলে ৮৪ রান করে দলীয় ২১৯ রানে ফেরেন তিনি। শেষ পর্যন্ত খারোটের অপরাজিত ২৭ রানে স্কোরবোর্ডে ২৩৫ রান তোলে আফগানিস্তান।

বাংলাদেশের হয়ে বল হাতে সবচেয়ে সফল বোলার তাসকিন। ১০ ওভারে ৫৩ রানের বিনিময়ে ৪ উইকেট শিকার করেন তিনি। সমান ওভারে সমান উইকেট পাওয়া মোস্তাফিজ দিয়েছেন ৫৮ রান। ৯ ওভার ৪ বল করে ১ উইকেট নিলেও মাত্র ৩২ রান দিয়েছেন শরিফুল ইসলাম।

আপডেট : ০৮:২৫:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ নভেম্বর ২০২৪

বাংলাদেশের সামনে চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য রাখল আফগানিস্তান

আপডেট : ০৮:২৫:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ নভেম্বর ২০২৪
৩০

দীর্ঘ ৭ মাস পর ওয়ানডে খেলতে নামলেও শুরুটা দুর্দান্ত করেছিলেন বাংলাদেশের পেসাররা। প্রথম পাওয়ার প্লের ১০ ওভারে ৩৬ রানের মধ্যেই তুলে নিয়েছিল আফগানদের ৪ উইকেট। তবে সেই দাপট আর ধরে রাখতে পারেননি বোলাররা। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ৫০ ওভারের ২ বল বাকি থাকতে ২৩৫ রানে অলআউট হয় আফগানরা। শারজার এই পিচে ও প্রতিপক্ষের বোলিং বিবেচনায় যে রান বেশ চ্যালেঞ্জিং।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাহ স্টেডিয়ামে আজ টস জিতে ব্যাটিং বেছে নেয় আফগানিস্তান। বিকাল ৪টায় শুরু হওয়া এই ম্যাচে শুরু থেকেই আঁটসাঁট বোলিং করেন তাসকিন ও শরিফুল। দ্বিতীয় ওভারেই টাইগারদের সাফল্য এনে দেন তাসকিন। গুরবাজকে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিতে বাধ্য করেন এই পেসার। তিনে নেমে থিতু হওয়ার চেষ্টা করেও পারেননি রহমত। ১৩ বলে ২ রান করার পর তাকে সেই উইকেটের পেছনেই ক্যাচ দিতে বাধ্য করেন মোস্তাফিজ।

ইমার্জিং এশিয়া কাপে দুরন্ত ফর্ম নিয়ে আফগানিস্তান দলে জায়গা করে নিয়েছিলেন সেদিকুল্লাহ আতাল। বাংলাদেশের বিপক্ষে এই ম্যাচেও দারুণ ব্যাট করছিলেন তিনি। তবে মোস্তাফিজের বোলিংয়ে তার সেই ব্যাটিং বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। ৩০ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারানো আফগানিস্তান আর ৫ রান যোগ করতেই আতালকে হারায়। দশম ওভারের দ্বিতীয় বলে তাকে এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে ফেলেন মোস্তাফিজ। ৩০ বলে ৩টি চারে ২১ রান আসে এই ওপেনারের ব্যাটে। একই ওভারে আবারও দ্য ফিজের আঘাত। ওভারের পঞ্চম বলে আজমাতুল্লাহ ওমারজাই উইকেটের পেছনেই মুশফিককে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন। ৩৬ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বিপদ বাড়ে আফগানদের।

বিপদে পড়া আফগানিস্তানকে প্রাথমিকভাবে উদ্ধার করেন হাশমতউল্লাহ ও গুলবাদিন নাইব। পঞ্চম উইকেটে ৩৬ রান যোগ করেন এই দুজন। দলীয় ৭১ রানে আবারও তাসকিনের আঘাত। ৩২ বলে ২২ রান করে ফেরত যান গুলবাদিন। এরপর অধিনায়কের সঙ্গে জুটি বাঁধতে নামেন নবি। হাশমতউল্লাহ কিছুটা রয়েসয়ে খেললেও শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক খেলতে থাকেন নবি। শক্ত এই জুটি ভাঙেন সেই মোস্তাফিজই। ১৭৫ রানের মাথায় হাশমতউল্লাহ ফিরলেও ততক্ষণে নবির গঙ্গে গড়া হয়ে যায় ১০৪ রানের জুটি। ৯২ বলে ৫২ রান করেন হাশমতউল্লাহ।

অধিনায়ক ফিরলেও রান তোলার গতিতে ভাটা পড়েনি নবির। ১৮৯ রানে সপ্তম ব্যাটার হিসেবে রশিদ খান ফিরলেও অষ্টম উইকেটে নবাগত নানগেয়ালিয়া খারোটেকে নিয়ে ৩০ রান যোগ করেন নবি। সেঞ্চুরির সম্ভাবনা জাগালেও সেটি হতে দেননি তাসকিন। ৭৯ বলে ৮৪ রান করে দলীয় ২১৯ রানে ফেরেন তিনি। শেষ পর্যন্ত খারোটের অপরাজিত ২৭ রানে স্কোরবোর্ডে ২৩৫ রান তোলে আফগানিস্তান।

বাংলাদেশের হয়ে বল হাতে সবচেয়ে সফল বোলার তাসকিন। ১০ ওভারে ৫৩ রানের বিনিময়ে ৪ উইকেট শিকার করেন তিনি। সমান ওভারে সমান উইকেট পাওয়া মোস্তাফিজ দিয়েছেন ৫৮ রান। ৯ ওভার ৪ বল করে ১ উইকেট নিলেও মাত্র ৩২ রান দিয়েছেন শরিফুল ইসলাম।