চুয়াডাঙ্গা ০৪:৩২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সারা দেশের ন্যায় চুয়াডাঙ্গায় আজ থেকে শুরু হচ্ছে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা সব ধরনের কোচিং সেন্টার বন্ধ, ১৯টি কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে ৯ হাজার ৪৫৬ জন শিক্ষার্থী

Padma Sangbad
১১

স্টাফ রিপোর্টার।।
সারা দেশের ন্যায় আজ থেকে শুরু হচ্ছে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে একযোগে সকল পরীক্ষা কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা। জেলার ৪ উপজেলার ১৯টি কেন্দ্রে সর্বমোট পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে ৯ হাজার ৪৫৬ জন পরীক্ষার্থী। পরীক্ষা আজ থেকে শুরু হয়ে চলবে আগামী ৮ আগষ্ট পর্যন্ত। ব্যবহারিক পরীক্ষা শুরু হবে ৫ আগষ্ট থেকে চলবে ১৩ আগষ্ট পর্যন্ত। পরীক্ষা সকাল ১০টায় শুরু হবে এবং দুপুর ১ টায় শেষ হবে। বিকেলে পরীক্ষা শুরু হবে ২ টায় এবং শেষ হবে বিকেল ৫ টায়। পরীক্ষা শুরুর কমপক্ষে ৩০ মিনিট পূর্বে পরীক্ষার্থীকে অবশ্যই পরীক্ষাস্থলে প্রবেশ করতে হবে।
গত ২৮ জুন প্রস্তুতিমূলক সভায় প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তা, পরীক্ষা কেন্দ্রের সার্বিক প্রস্তুতি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, বিদ্যুৎ সরবরাহ, সিসিটিভি পর্যবেক্ষণ এবং পরীক্ষার্থীদের নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহার পরীক্ষা কেন্দ্রে ১৪৪ ধারার জারির আদেশ দেন। পাশাপাশি পরীক্ষা কেন্দ্রে মোবাইল ফোন ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এছাড়া পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার আগের দিন সন্ধ্যা থেকে পরীক্ষা শেষ হওয়া পর্যন্ত সব ফটোকপির দোকান বন্ধ রাখা হবে। ২ জুলাই থেকে ৮ আগষ্ট পর্যন্ত সব ধরনের কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখার সিন্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
জেলা প্রশাসনের শিক্ষা ও আইসিটি শাখা সুত্রে জানা যায়, জেলায় মোট ১২টি কেন্দ্রে ৭ হাজার ৫৮৪ জন এইচএসসি (সাধারণ) পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে। এছাড়া ২টি কেন্দ্রে ৮৮৬ জন ভোকেশনাল, ৩টি কেন্দ্রে ৩৮৭ জন আলিম এবং ২টি কেন্দ্রে বিএমটি শাখার ৫৯৯ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছে।
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলায় এইচএসসি বা সাধারণ পরীক্ষার্থীদের জন্য পাঁচটি কেন্দ্র রয়েছে। এর মধ্যে চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজ কেন্দ্রে ৬৪৩ জন, চুয়াডাঙ্গা সরকারি আদর্শ মহিলা কলেজ কেন্দ্রে ৯১০ জন, চুয়াডাঙ্গা পৌর ডিগ্রী কলেজ কেন্দ্রে ৭৩২ জন, বদরগঞ্জ ডিগ্রী কলেজ কেন্দ্রে ৮৯৫ জন এবং তেতুল শেখ কলেজ কেন্দ্রে ২৩৩ জন সাধারণ শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিচ্ছে। অন্যদিকে, চুয়াডাঙ্গা টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ কেন্দ্রে কারিগরি শিক্ষার অধীনে ভোকেশনাল শাখার ১৭৬ জন এবং বিএমটি শাখার ৪৬১ জনসহ সর্বমোট ৬৩৭ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছে। এছাড়া মাদ্রাসা শিক্ষার অধীনে চুয়াডাঙ্গা কামিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে আলিম পরীক্ষার সর্বমোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১১৮ জন।
আলমডাঙ্গা উপজেলায় সাধারণ বা এইচএসসি পরীক্ষার জন্য তিনটি কেন্দ্র নির্ধারিত রয়েছে। আলমডাঙ্গা সরকারি ডিগ্রী কলেজ কেন্দ্রে পরীক্ষার্থী ৬৫৮ জন, আলমডাঙ্গা মহিলা ডিগ্রী কলেজ কেন্দ্র ৩২১ জন এবং এম, এস, জোহা ডিগ্রী কলেজ কেন্দ্র ৭২৫ জন সাধারণ শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিচ্ছে। বিএমটি শাখার পরীক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে নিগার সিদ্দিক কলেজ কেন্দ্র। সেখানে বিএমটি শাখার সর্বমোট ৩৭৮ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিচ্ছে। তাছাড়া আলমডাঙ্গা আলিম মাদ্রাসা কেন্দ্রে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে আলিম পরীক্ষায় অংশ নিবে ১২৯ জন।
দামুড়হুদা উপজেলায় ২টি কেন্দ্রে এইচএসসি পরীক্ষ অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে দর্শনা সরকারি কলেজ কেন্দ্রে ৭৫৯ জন এবং আব্দুল ওদুদ শাহ্ ডিগ্রী কলেজ কেন্দ্রে ৯০৪ জন সাধারণ শিক্ষার্থী। এই উপজেলায় কারিগরি শিক্ষার বিএমটি শাখার জন্য আব্দুল ওদুদ শাহ ডিগ্রী কলেজকে কেন্দ্র করা হয়েছে (যার ভেন্যু দামুড়হুদা পাইলট গার্লস স্কুল এন্ড কলেজ) এবং এখানে বিএমটি শাখার সর্বমোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ২২১ জন। এই উপজেলায় পৃথক কোনো ভোকেশনাল বা আলিম পরীক্ষার কেন্দ্র নেই।
জীবননগর উপজেলায় সাধারণ এইচএসসি পরীক্ষার জন্য দুটি কেন্দ্র রয়েছে। এর মধ্যে জীবননগর ডিগ্রী কলেজ কেন্দ্রে ৪৮১ জন এবং জীবননগর সরকারি আদর্শ মহিলা ডিগ্রী কলেজ কেন্দ্রে ৩২৩ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিবে। কারিগরি শিক্ষার জন্য নির্ধারিত জীবননগর টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ কেন্দ্রে ভোকেশনাল শাখার ৬২ জন এবং বিএমটি শাখার ১৮৭ জনসহ সর্বমোট ২৪৯ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে। এছাড়া, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে জীবননগর ফাজিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে আলিম পরীক্ষার সর্বমোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৪০ জন।
এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা নিয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) বি এম তারিক-উজ-জামান বলেন, প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তার বিষয়ে কোনো প্রশাসন এবার কঠোর ভূমিকায় থাকবে। কেন্দ্র সচিবদের মাধ্যমে যথাযথ নিয়মে প্রশ্নপত্র গ্রহণ ও বিতরণ করতে হবে। এবার সারা দেশে একই প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ফলে কোথাও প্রশ্নফাঁস কিংবা এ ধরনের কোনো গুজব ছড়িয়ে পড়লে তা পুরো দেশের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে। এ কারণে প্রশ্নপত্র সংরক্ষণ ও বিতরণের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। যেসব কেন্দ্রে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে না, সেসব কেন্দ্রে প্রশ্নপত্র সরবরাহ করা হবে না। পরীক্ষাকালীন কেন্দ্র ও আশপাশের এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আজ বৃহস্পতিবার পরীক্ষার শুরু হওয়ার ১ ঘন্টা পূর্ব থেকে পরীক্ষা কেন্দ্রের ২শ গজের মধ্যে ১৪৪ ধারা জারি করা হবে। পাশাপাশি প্রতিটি কক্ষে দেয়ালঘড়ি, পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়।
পরীক্ষা ব্যবস্থাপনার সার্বিক তদারকির জন্য দুটি ভিজিলেন্স টিম গঠন করা হয়েছে। চুয়াডাঙ্গা সদর ও আলমডাঙ্গা উপজেলার জন্য ভিজিলেন্স টিমের আহবায়ক করা হয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালককে এবং সদস্য করা হয়েছে জেলা শিক্ষা অফিসারকে। অপরদিকে জীবননগর ও দামুড়হুদায় ভিজিলেন্স টিমের আহবায়ক করা হয়েছে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এবং সদস্য করা হয়েছে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারকে।

আপডেট : ০১:১৬:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬

সারা দেশের ন্যায় চুয়াডাঙ্গায় আজ থেকে শুরু হচ্ছে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা সব ধরনের কোচিং সেন্টার বন্ধ, ১৯টি কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে ৯ হাজার ৪৫৬ জন শিক্ষার্থী

আপডেট : ০১:১৬:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬
১১

স্টাফ রিপোর্টার।।
সারা দেশের ন্যায় আজ থেকে শুরু হচ্ছে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে একযোগে সকল পরীক্ষা কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা। জেলার ৪ উপজেলার ১৯টি কেন্দ্রে সর্বমোট পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে ৯ হাজার ৪৫৬ জন পরীক্ষার্থী। পরীক্ষা আজ থেকে শুরু হয়ে চলবে আগামী ৮ আগষ্ট পর্যন্ত। ব্যবহারিক পরীক্ষা শুরু হবে ৫ আগষ্ট থেকে চলবে ১৩ আগষ্ট পর্যন্ত। পরীক্ষা সকাল ১০টায় শুরু হবে এবং দুপুর ১ টায় শেষ হবে। বিকেলে পরীক্ষা শুরু হবে ২ টায় এবং শেষ হবে বিকেল ৫ টায়। পরীক্ষা শুরুর কমপক্ষে ৩০ মিনিট পূর্বে পরীক্ষার্থীকে অবশ্যই পরীক্ষাস্থলে প্রবেশ করতে হবে।
গত ২৮ জুন প্রস্তুতিমূলক সভায় প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তা, পরীক্ষা কেন্দ্রের সার্বিক প্রস্তুতি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, বিদ্যুৎ সরবরাহ, সিসিটিভি পর্যবেক্ষণ এবং পরীক্ষার্থীদের নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহার পরীক্ষা কেন্দ্রে ১৪৪ ধারার জারির আদেশ দেন। পাশাপাশি পরীক্ষা কেন্দ্রে মোবাইল ফোন ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এছাড়া পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার আগের দিন সন্ধ্যা থেকে পরীক্ষা শেষ হওয়া পর্যন্ত সব ফটোকপির দোকান বন্ধ রাখা হবে। ২ জুলাই থেকে ৮ আগষ্ট পর্যন্ত সব ধরনের কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখার সিন্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
জেলা প্রশাসনের শিক্ষা ও আইসিটি শাখা সুত্রে জানা যায়, জেলায় মোট ১২টি কেন্দ্রে ৭ হাজার ৫৮৪ জন এইচএসসি (সাধারণ) পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে। এছাড়া ২টি কেন্দ্রে ৮৮৬ জন ভোকেশনাল, ৩টি কেন্দ্রে ৩৮৭ জন আলিম এবং ২টি কেন্দ্রে বিএমটি শাখার ৫৯৯ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছে।
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলায় এইচএসসি বা সাধারণ পরীক্ষার্থীদের জন্য পাঁচটি কেন্দ্র রয়েছে। এর মধ্যে চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজ কেন্দ্রে ৬৪৩ জন, চুয়াডাঙ্গা সরকারি আদর্শ মহিলা কলেজ কেন্দ্রে ৯১০ জন, চুয়াডাঙ্গা পৌর ডিগ্রী কলেজ কেন্দ্রে ৭৩২ জন, বদরগঞ্জ ডিগ্রী কলেজ কেন্দ্রে ৮৯৫ জন এবং তেতুল শেখ কলেজ কেন্দ্রে ২৩৩ জন সাধারণ শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিচ্ছে। অন্যদিকে, চুয়াডাঙ্গা টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ কেন্দ্রে কারিগরি শিক্ষার অধীনে ভোকেশনাল শাখার ১৭৬ জন এবং বিএমটি শাখার ৪৬১ জনসহ সর্বমোট ৬৩৭ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছে। এছাড়া মাদ্রাসা শিক্ষার অধীনে চুয়াডাঙ্গা কামিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে আলিম পরীক্ষার সর্বমোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১১৮ জন।
আলমডাঙ্গা উপজেলায় সাধারণ বা এইচএসসি পরীক্ষার জন্য তিনটি কেন্দ্র নির্ধারিত রয়েছে। আলমডাঙ্গা সরকারি ডিগ্রী কলেজ কেন্দ্রে পরীক্ষার্থী ৬৫৮ জন, আলমডাঙ্গা মহিলা ডিগ্রী কলেজ কেন্দ্র ৩২১ জন এবং এম, এস, জোহা ডিগ্রী কলেজ কেন্দ্র ৭২৫ জন সাধারণ শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিচ্ছে। বিএমটি শাখার পরীক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে নিগার সিদ্দিক কলেজ কেন্দ্র। সেখানে বিএমটি শাখার সর্বমোট ৩৭৮ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিচ্ছে। তাছাড়া আলমডাঙ্গা আলিম মাদ্রাসা কেন্দ্রে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে আলিম পরীক্ষায় অংশ নিবে ১২৯ জন।
দামুড়হুদা উপজেলায় ২টি কেন্দ্রে এইচএসসি পরীক্ষ অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে দর্শনা সরকারি কলেজ কেন্দ্রে ৭৫৯ জন এবং আব্দুল ওদুদ শাহ্ ডিগ্রী কলেজ কেন্দ্রে ৯০৪ জন সাধারণ শিক্ষার্থী। এই উপজেলায় কারিগরি শিক্ষার বিএমটি শাখার জন্য আব্দুল ওদুদ শাহ ডিগ্রী কলেজকে কেন্দ্র করা হয়েছে (যার ভেন্যু দামুড়হুদা পাইলট গার্লস স্কুল এন্ড কলেজ) এবং এখানে বিএমটি শাখার সর্বমোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ২২১ জন। এই উপজেলায় পৃথক কোনো ভোকেশনাল বা আলিম পরীক্ষার কেন্দ্র নেই।
জীবননগর উপজেলায় সাধারণ এইচএসসি পরীক্ষার জন্য দুটি কেন্দ্র রয়েছে। এর মধ্যে জীবননগর ডিগ্রী কলেজ কেন্দ্রে ৪৮১ জন এবং জীবননগর সরকারি আদর্শ মহিলা ডিগ্রী কলেজ কেন্দ্রে ৩২৩ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিবে। কারিগরি শিক্ষার জন্য নির্ধারিত জীবননগর টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ কেন্দ্রে ভোকেশনাল শাখার ৬২ জন এবং বিএমটি শাখার ১৮৭ জনসহ সর্বমোট ২৪৯ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে। এছাড়া, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে জীবননগর ফাজিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে আলিম পরীক্ষার সর্বমোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৪০ জন।
এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা নিয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) বি এম তারিক-উজ-জামান বলেন, প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তার বিষয়ে কোনো প্রশাসন এবার কঠোর ভূমিকায় থাকবে। কেন্দ্র সচিবদের মাধ্যমে যথাযথ নিয়মে প্রশ্নপত্র গ্রহণ ও বিতরণ করতে হবে। এবার সারা দেশে একই প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ফলে কোথাও প্রশ্নফাঁস কিংবা এ ধরনের কোনো গুজব ছড়িয়ে পড়লে তা পুরো দেশের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে। এ কারণে প্রশ্নপত্র সংরক্ষণ ও বিতরণের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। যেসব কেন্দ্রে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে না, সেসব কেন্দ্রে প্রশ্নপত্র সরবরাহ করা হবে না। পরীক্ষাকালীন কেন্দ্র ও আশপাশের এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আজ বৃহস্পতিবার পরীক্ষার শুরু হওয়ার ১ ঘন্টা পূর্ব থেকে পরীক্ষা কেন্দ্রের ২শ গজের মধ্যে ১৪৪ ধারা জারি করা হবে। পাশাপাশি প্রতিটি কক্ষে দেয়ালঘড়ি, পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়।
পরীক্ষা ব্যবস্থাপনার সার্বিক তদারকির জন্য দুটি ভিজিলেন্স টিম গঠন করা হয়েছে। চুয়াডাঙ্গা সদর ও আলমডাঙ্গা উপজেলার জন্য ভিজিলেন্স টিমের আহবায়ক করা হয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালককে এবং সদস্য করা হয়েছে জেলা শিক্ষা অফিসারকে। অপরদিকে জীবননগর ও দামুড়হুদায় ভিজিলেন্স টিমের আহবায়ক করা হয়েছে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এবং সদস্য করা হয়েছে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারকে।