চুয়াডাঙ্গা ০৫:০৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পুলিশ কর্মকর্তার ‘ঘুষ নেওয়ার’ ভিডিও ফাঁস

Padma Sangbad
১১

রাজশাহী ব্যুরো।।

রাজশাহীর বাগমারা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) কমলেশ দাসের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে তাঁকে এক ব্যক্তির কাছ থেকে খাম গ্রহণ করে তার ভেতরের টাকা গুণতে দেখা গেছে। ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার মুখে থানা থেকে প্রত্যাহার করে রাজশাহী পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ৫২ সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা যায়, নিজ কার্যালয়ে বসে কমলেশ দাস একজন ব্যক্তির কাছ থেকে একটি খাম নেন। পরে খামের ভেতর থাকা নোটগুলো বের করে দ্রুত গুনে নিজের মানিব্যাগে রাখেন। পুরো ঘটনার সময় অর্থ প্রদানকারী ব্যক্তির সঙ্গে তাকে স্বাভাবিক ও হাস্যোজ্জ্বলভাবে কথা বলতে দেখা যায়।

জানা গেছে, ‘কাজিম বাবু’ নামের একটি ফেসবুক পেজ থেকে প্রথম ভিডিওটি প্রকাশ করা হয়। এরপর অল্প সময়ের মধ্যেই ভিডিওটি বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং নেটিজেনদের মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে। তবে ভিডিওতে অর্থ প্রদানকারী ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি।এছাড়া ভিডিওটির অডিও বন্ধ থাকায় সেখানে কী ধরনের কথোপকথন হয়েছে বা কী কারণে অর্থ লেনদেন হয়েছে, সে বিষয়েও নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হয়নি।

অভিযোগ প্রসঙ্গে কমলেশ দাস বলেন, ভিডিওটি কীভাবে ধারণ করা হয়েছে, সে বিষয়ে তার কোনো ধারণা নেই। তিনি দাবি করেন, অনেক ক্ষেত্রে ভাতা কিংবা রেশন-সংক্রান্ত অর্থও এভাবে গ্রহণ করা হয়ে থাকে।

এ বিষয়ে রাজশাহী জেলা পুলিশের মুখপাত্র ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপডেট : ০১:২৬:০৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬

পুলিশ কর্মকর্তার ‘ঘুষ নেওয়ার’ ভিডিও ফাঁস

আপডেট : ০১:২৬:০৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬
১১

রাজশাহী ব্যুরো।।

রাজশাহীর বাগমারা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) কমলেশ দাসের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে তাঁকে এক ব্যক্তির কাছ থেকে খাম গ্রহণ করে তার ভেতরের টাকা গুণতে দেখা গেছে। ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার মুখে থানা থেকে প্রত্যাহার করে রাজশাহী পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ৫২ সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা যায়, নিজ কার্যালয়ে বসে কমলেশ দাস একজন ব্যক্তির কাছ থেকে একটি খাম নেন। পরে খামের ভেতর থাকা নোটগুলো বের করে দ্রুত গুনে নিজের মানিব্যাগে রাখেন। পুরো ঘটনার সময় অর্থ প্রদানকারী ব্যক্তির সঙ্গে তাকে স্বাভাবিক ও হাস্যোজ্জ্বলভাবে কথা বলতে দেখা যায়।

জানা গেছে, ‘কাজিম বাবু’ নামের একটি ফেসবুক পেজ থেকে প্রথম ভিডিওটি প্রকাশ করা হয়। এরপর অল্প সময়ের মধ্যেই ভিডিওটি বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং নেটিজেনদের মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে। তবে ভিডিওতে অর্থ প্রদানকারী ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি।এছাড়া ভিডিওটির অডিও বন্ধ থাকায় সেখানে কী ধরনের কথোপকথন হয়েছে বা কী কারণে অর্থ লেনদেন হয়েছে, সে বিষয়েও নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হয়নি।

অভিযোগ প্রসঙ্গে কমলেশ দাস বলেন, ভিডিওটি কীভাবে ধারণ করা হয়েছে, সে বিষয়ে তার কোনো ধারণা নেই। তিনি দাবি করেন, অনেক ক্ষেত্রে ভাতা কিংবা রেশন-সংক্রান্ত অর্থও এভাবে গ্রহণ করা হয়ে থাকে।

এ বিষয়ে রাজশাহী জেলা পুলিশের মুখপাত্র ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।