চুয়াডাঙ্গা ০২:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কেরু চিনি মিলে ১৬তম গ্রেডে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ অনেকেই এতে পদোন্নতি বঞ্চনার স্বীকার হচ্ছেন অভিযোগ

Padma Sangbad
১২

দৈনিক পদ্মা সংবাদ ডেস্ক।।
কেরু এ্যান্ড কোম্পানী (বাংলাদেশ) লিমিটেডে পদোন্নতির মাধ্যমে পূরণযোগ্য পদে দীর্ঘদিন ধরে চুক্তিভিত্তিক কর্মী নিয়োগ ও পুনর্নিয়োগের অভিযোগ উঠেছে। কেরুর প্রশাসন বিভাগের জারি করা অফিস আদেশে বিভিন্ন বিক্রয় সেন্টারে কর্মরত কয়েকজন চুক্তিভিত্তিক কর্মীর তালিকা নিয়ে আলোচনা চলছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, বর্তমানে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার বিক্রয় অফিসে ১৬তম গ্রেডভুক্ত বিভিন্ন পদে চুক্তিভিত্তিকভাবে দায়িত্ব পালন করছেন। এরা হলেন ১. মোঃ জহিরুল ইসলাম বিক্রয় সহকারী, ঢাকা সেলস অফিস ২. মোঃ হাসান বিক্রয় সহকারী, ঢাকা সেলস অফিস ৩. মোঃ রায়সুল ইসলাম রাহাত, স্টোর কিপার, ঢাকা সেলস অফিস ৪. মোঃ হাসান বিক্রয় সহকারী, ঢাকা সেলস অফিস ৫. মোঃ তোফায়েল আহমেদ বিক্রয় সহকারী, চট্টগ্রাম বিক্রয় অফিস ৬. শেখ কাওসার ইসলাম বিক্রয় সহকারী, কক্সবাজার বিক্রয় অফিস ও ৭. ফিরোজ আহমেদ অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর, কক্সবাজার বিক্রয় অফিস।
এসব পদ মূলত ১৬তম গ্রেডভুক্ত এবং স্থায়ী কর্মচারীদের পদোন্নতির মাধ্যমে পূরণ করার বিধান রয়েছে। দীর্ঘদিন কর্মরত জুনিয়র কেরানিদের মধ্য থেকে অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে সিনিয়র কেরানি বা সমমানের পদে পদোন্নতি দেওয়ার সুযোগ থাকলেও তা অনুসরণ করা হচ্ছে না বলে অভিযোগ রয়েছে। এদিকে কেরুর প্রশাসন বিভাগের জারি করা অফিস আদেশ (সূত্র নং: কেরু/প্রশা/সংস্থা-৪/৩৩৮৫, তারিখ: ১৮-০৫-২০২৬ খ্রি.) অনুযায়ী চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার বিক্রয় অফিসের জন্য ৫ জনকে ১ জুন ২০২৬ থেকে ২৮ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত ৮৯ দিনের জন্য ‘কানামনা’ (কাজ নেই, মজুরি নেই) ভিত্তিতে পুনরায় কাজ করানোর অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
অফিস আদেশে উল্লেখিত ব্যক্তিরা হলেন, মোঃ তোফায়েল আহমেদ বিক্রয় সহকারী, চট্টগ্রাম বিক্রয় অফিস (১৬তম গ্রেড)। শেখ কাওসার ইসলাম বিক্রয় সহকারী, কক্সবাজার বিক্রয় অফিস (১৬তম গ্রেড)। ফিরোজ আহমেদ অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর, কক্সবাজার বিক্রয় অফিস (১৬তম গ্রেড)। মোঃ সাজেদুর রহমান (বকুল) নিরাপত্তা প্রহরী, কক্সবাজার বিক্রয় অফিস (২০তম গ্রেড)। মোঃ নাজমুল হাসান নিরাপত্তা প্রহরী, কক্সবাজার বিক্রয় অফিস (২০তম গ্রেড)।
অভিযোগকারীরা বলছেন, বিক্রয় সহকারী ও স্টোর কিপারের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে স্থায়ী কর্মচারীদের পদোন্নতি না দিয়ে বছরের পর বছর চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ অব্যাহত রাখা হয়েছে। অথচ এসব বিক্রয় অফিসে লাখ লাখ টাকার পণ্য, নগদ অর্থের হিসাব এবং গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক দায়িত্ব পরিচালিত হয়।
এ বিষয়ে কেরু এন্ড কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাব্বিক হাসান বলেন, সব সেলস সেন্টারে এইরকম চুক্তিভিত্তিক লোক নাই। কয়েকটা তে থাকতে পারে, এ বিষয়ে আমার কাছে কোন অভিযোগ দেয়া হয়নি, অভিযোগ দিলে প্রয়োজনে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপডেট : ১২:০৬:৫৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

কেরু চিনি মিলে ১৬তম গ্রেডে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ অনেকেই এতে পদোন্নতি বঞ্চনার স্বীকার হচ্ছেন অভিযোগ

আপডেট : ১২:০৬:৫৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
১২

দৈনিক পদ্মা সংবাদ ডেস্ক।।
কেরু এ্যান্ড কোম্পানী (বাংলাদেশ) লিমিটেডে পদোন্নতির মাধ্যমে পূরণযোগ্য পদে দীর্ঘদিন ধরে চুক্তিভিত্তিক কর্মী নিয়োগ ও পুনর্নিয়োগের অভিযোগ উঠেছে। কেরুর প্রশাসন বিভাগের জারি করা অফিস আদেশে বিভিন্ন বিক্রয় সেন্টারে কর্মরত কয়েকজন চুক্তিভিত্তিক কর্মীর তালিকা নিয়ে আলোচনা চলছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, বর্তমানে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার বিক্রয় অফিসে ১৬তম গ্রেডভুক্ত বিভিন্ন পদে চুক্তিভিত্তিকভাবে দায়িত্ব পালন করছেন। এরা হলেন ১. মোঃ জহিরুল ইসলাম বিক্রয় সহকারী, ঢাকা সেলস অফিস ২. মোঃ হাসান বিক্রয় সহকারী, ঢাকা সেলস অফিস ৩. মোঃ রায়সুল ইসলাম রাহাত, স্টোর কিপার, ঢাকা সেলস অফিস ৪. মোঃ হাসান বিক্রয় সহকারী, ঢাকা সেলস অফিস ৫. মোঃ তোফায়েল আহমেদ বিক্রয় সহকারী, চট্টগ্রাম বিক্রয় অফিস ৬. শেখ কাওসার ইসলাম বিক্রয় সহকারী, কক্সবাজার বিক্রয় অফিস ও ৭. ফিরোজ আহমেদ অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর, কক্সবাজার বিক্রয় অফিস।
এসব পদ মূলত ১৬তম গ্রেডভুক্ত এবং স্থায়ী কর্মচারীদের পদোন্নতির মাধ্যমে পূরণ করার বিধান রয়েছে। দীর্ঘদিন কর্মরত জুনিয়র কেরানিদের মধ্য থেকে অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে সিনিয়র কেরানি বা সমমানের পদে পদোন্নতি দেওয়ার সুযোগ থাকলেও তা অনুসরণ করা হচ্ছে না বলে অভিযোগ রয়েছে। এদিকে কেরুর প্রশাসন বিভাগের জারি করা অফিস আদেশ (সূত্র নং: কেরু/প্রশা/সংস্থা-৪/৩৩৮৫, তারিখ: ১৮-০৫-২০২৬ খ্রি.) অনুযায়ী চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার বিক্রয় অফিসের জন্য ৫ জনকে ১ জুন ২০২৬ থেকে ২৮ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত ৮৯ দিনের জন্য ‘কানামনা’ (কাজ নেই, মজুরি নেই) ভিত্তিতে পুনরায় কাজ করানোর অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
অফিস আদেশে উল্লেখিত ব্যক্তিরা হলেন, মোঃ তোফায়েল আহমেদ বিক্রয় সহকারী, চট্টগ্রাম বিক্রয় অফিস (১৬তম গ্রেড)। শেখ কাওসার ইসলাম বিক্রয় সহকারী, কক্সবাজার বিক্রয় অফিস (১৬তম গ্রেড)। ফিরোজ আহমেদ অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর, কক্সবাজার বিক্রয় অফিস (১৬তম গ্রেড)। মোঃ সাজেদুর রহমান (বকুল) নিরাপত্তা প্রহরী, কক্সবাজার বিক্রয় অফিস (২০তম গ্রেড)। মোঃ নাজমুল হাসান নিরাপত্তা প্রহরী, কক্সবাজার বিক্রয় অফিস (২০তম গ্রেড)।
অভিযোগকারীরা বলছেন, বিক্রয় সহকারী ও স্টোর কিপারের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে স্থায়ী কর্মচারীদের পদোন্নতি না দিয়ে বছরের পর বছর চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ অব্যাহত রাখা হয়েছে। অথচ এসব বিক্রয় অফিসে লাখ লাখ টাকার পণ্য, নগদ অর্থের হিসাব এবং গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক দায়িত্ব পরিচালিত হয়।
এ বিষয়ে কেরু এন্ড কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাব্বিক হাসান বলেন, সব সেলস সেন্টারে এইরকম চুক্তিভিত্তিক লোক নাই। কয়েকটা তে থাকতে পারে, এ বিষয়ে আমার কাছে কোন অভিযোগ দেয়া হয়নি, অভিযোগ দিলে প্রয়োজনে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।