চুয়াডাঙ্গা ০৯:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তিস্তা ও ধরলার পানি বৃদ্ধি, ব্যারাজের সব গেট উন্মুক্ত

Padma Sangbad
১৩৯

অনলাইন ডেস্ক।।
উজানের পাহাড়ি ঢল ও টানা ভারী বৃষ্টির কারণে উত্তরের প্রধান নদী তিস্তা ও ধরলার পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে নদীর পানি কিছু স্থানে বিপদসীমা অতিক্রম করতে পারে, যার ফলে লালমনিরহাটসহ রংপুর অঞ্চলে স্বল্পমেয়াদী আকস্মিক বন্যা দেখা দেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ‎ ‎​পাউবোর তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় অববাহিকায় ভারী বৃষ্টিপাত এবং পাহাড়ি ঢলের কারণে নদীর পানির সমতল দ্রুত ভরাট হচ্ছে। পানির অতিরিক্ত চাপ ও প্রবাহ নিয়ন্ত্রণে দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট খুলে দেওয়া হয়েছে। এর ফলে নদী তীরবর্তী চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চলে পানি প্রবেশ করতে শুরু করেছে। ‎ ‎​লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রামের দহগ্রাম, হাতীবান্ধার গড্ডিমারী, সিন্দুর্না, ডাউয়াবাড়ি, কালীগঞ্জের ভোটমারী, আদিতমারীর মহিষখোচা এবং সদর উপজেলার খুনিয়াগাছ ও রাজপুর ইউনিয়নের তিস্তা ও ধরলা তীরবর্তী নিচু এলাকাগুলোতে ইতোমধ্যে পানি ঢুকতে শুরু করেছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। বিশেষ করে পানি বৃদ্ধির কারণে নিচু এলাকার আমন ধানের বীজতলা ও ফসলি জমি তলিয়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। নদীপারের সাধারণ মানুষ ও কৃষকদের মধ্যে নতুন করে বন্যার আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। ‎ ‎লালমনিরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সুনীল কুমার জানান, ‘উজানের ঢল ও স্থানীয় বৃষ্টির কারণে তিস্তা ও ধরলার পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। পানির চাপ সামলাতে ব্যারাজের সবকটি গেট খুলে রাখা হয়েছে। আমরা সার্বিক পরিস্থিতি অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছি এবং যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রস্তুত রয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। নদী তীরবর্তী লোকজনকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।’ ‎ ‎​এদিকে জেলা প্রশাসন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির পক্ষ থেকে পরিস্থিতির ওপর নজর রাখা হচ্ছে। আকস্মিক বন্যা মোকাবেলায় দুর্গত এলাকায় প্রয়োজনীয় ত্রাণ সহায়তা ও প্রস্তুতি নেওয়ার কাজ চলছে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে।

আপডেট : ০১:৪৫:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

তিস্তা ও ধরলার পানি বৃদ্ধি, ব্যারাজের সব গেট উন্মুক্ত

আপডেট : ০১:৪৫:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
১৩৯

অনলাইন ডেস্ক।।
উজানের পাহাড়ি ঢল ও টানা ভারী বৃষ্টির কারণে উত্তরের প্রধান নদী তিস্তা ও ধরলার পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে নদীর পানি কিছু স্থানে বিপদসীমা অতিক্রম করতে পারে, যার ফলে লালমনিরহাটসহ রংপুর অঞ্চলে স্বল্পমেয়াদী আকস্মিক বন্যা দেখা দেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ‎ ‎​পাউবোর তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় অববাহিকায় ভারী বৃষ্টিপাত এবং পাহাড়ি ঢলের কারণে নদীর পানির সমতল দ্রুত ভরাট হচ্ছে। পানির অতিরিক্ত চাপ ও প্রবাহ নিয়ন্ত্রণে দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট খুলে দেওয়া হয়েছে। এর ফলে নদী তীরবর্তী চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চলে পানি প্রবেশ করতে শুরু করেছে। ‎ ‎​লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রামের দহগ্রাম, হাতীবান্ধার গড্ডিমারী, সিন্দুর্না, ডাউয়াবাড়ি, কালীগঞ্জের ভোটমারী, আদিতমারীর মহিষখোচা এবং সদর উপজেলার খুনিয়াগাছ ও রাজপুর ইউনিয়নের তিস্তা ও ধরলা তীরবর্তী নিচু এলাকাগুলোতে ইতোমধ্যে পানি ঢুকতে শুরু করেছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। বিশেষ করে পানি বৃদ্ধির কারণে নিচু এলাকার আমন ধানের বীজতলা ও ফসলি জমি তলিয়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। নদীপারের সাধারণ মানুষ ও কৃষকদের মধ্যে নতুন করে বন্যার আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। ‎ ‎লালমনিরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সুনীল কুমার জানান, ‘উজানের ঢল ও স্থানীয় বৃষ্টির কারণে তিস্তা ও ধরলার পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। পানির চাপ সামলাতে ব্যারাজের সবকটি গেট খুলে রাখা হয়েছে। আমরা সার্বিক পরিস্থিতি অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছি এবং যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রস্তুত রয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। নদী তীরবর্তী লোকজনকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।’ ‎ ‎​এদিকে জেলা প্রশাসন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির পক্ষ থেকে পরিস্থিতির ওপর নজর রাখা হচ্ছে। আকস্মিক বন্যা মোকাবেলায় দুর্গত এলাকায় প্রয়োজনীয় ত্রাণ সহায়তা ও প্রস্তুতি নেওয়ার কাজ চলছে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে।