চুয়াডাঙ্গা ০৬:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যশোরে মাকে হত্যার অভিযোগ, স্কুলশিক্ষক ছেলে পলাতক

Padma Sangbad
১৩৭

যশোর সংবাদদাতা: যশোর সদর উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামে মাকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার স্কুলশিক্ষক ছেলের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এ ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত মামুনুর রশিদ ওরফে মামুন (৪০) পলাতক রয়েছেন।

নিহত আনোয়ারা বেগম (৫৮) দুর্গাপুর গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক আলতাফ হোসেনের স্ত্রী। অভিযুক্ত মামুন লাউজানী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক বিষয় নিয়ে মা-ছেলের মধ্যে বিরোধ চলছিল। বৃহস্পতিবার বিকেলে বাড়িতে এসে মায়ের সঙ্গে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে মামুন ধারালো বটি দিয়ে মাকে আঘাত করেন বলে অভিযোগ। এতে ঘটনাস্থলেই আনোয়ারা বেগমের মৃত্যু হয়। পরে মামুন ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।

পরিবারের সদস্যদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, মামুন আগে দুইবার বিয়ে করেছিলেন। দাম্পত্য কলহের কারণে দুটি বিয়েই বিচ্ছেদ হয়। এ নিয়ে মায়ের সঙ্গে তার বিরোধ ছিল। এছাড়া পারিবারিক অশান্তির কারণে তিনি মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন এবং কয়েক বছর আগে পাবনা মানসিক হাসপাতালে চিকিৎসাও নিয়েছিলেন।

খবর পেয়ে যশোর কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি মাসুম খান বলেন, ঘটনার পর থেকে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

আপডেট : ০২:৩৩:৫০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬

যশোরে মাকে হত্যার অভিযোগ, স্কুলশিক্ষক ছেলে পলাতক

আপডেট : ০২:৩৩:৫০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬
১৩৭

যশোর সংবাদদাতা: যশোর সদর উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামে মাকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার স্কুলশিক্ষক ছেলের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এ ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত মামুনুর রশিদ ওরফে মামুন (৪০) পলাতক রয়েছেন।

নিহত আনোয়ারা বেগম (৫৮) দুর্গাপুর গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক আলতাফ হোসেনের স্ত্রী। অভিযুক্ত মামুন লাউজানী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক বিষয় নিয়ে মা-ছেলের মধ্যে বিরোধ চলছিল। বৃহস্পতিবার বিকেলে বাড়িতে এসে মায়ের সঙ্গে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে মামুন ধারালো বটি দিয়ে মাকে আঘাত করেন বলে অভিযোগ। এতে ঘটনাস্থলেই আনোয়ারা বেগমের মৃত্যু হয়। পরে মামুন ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।

পরিবারের সদস্যদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, মামুন আগে দুইবার বিয়ে করেছিলেন। দাম্পত্য কলহের কারণে দুটি বিয়েই বিচ্ছেদ হয়। এ নিয়ে মায়ের সঙ্গে তার বিরোধ ছিল। এছাড়া পারিবারিক অশান্তির কারণে তিনি মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন এবং কয়েক বছর আগে পাবনা মানসিক হাসপাতালে চিকিৎসাও নিয়েছিলেন।

খবর পেয়ে যশোর কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি মাসুম খান বলেন, ঘটনার পর থেকে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।