চুয়াডাঙ্গা ০২:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জঙ্গলে ভোরের কান্না, রাস্তার পাশ থেকে উদ্ধার নবজাতক

Padma Sangbad
১০৫

বগুড়া প্রতিনিধি।।

বগুড়ার ধুনট উপজেলায় রাস্তার পাশের জঙ্গল থেকে এক নবজাতক ছেলেশিশুকে উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) ভোরে পূর্ব গুয়াডহরী গ্রামের একটি জঙ্গল থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করেন স্থানীয়রা। পরে তার চিকিৎসার জন্য ধুনট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

পুলিশ ও স্থানীয়দের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ভোরে ওই এলাকার রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় এক পথচারী জঙ্গল থেকে শিশুর কান্নার শব্দ শুনতে পান। শব্দের উৎস অনুসরণ করে জঙ্গলের ভেতরে গিয়ে তিনি নবজাতকটিকে পড়ে থাকতে দেখেন। শিশুটির শরীরে রক্তের চিহ্ন ছিল এবং তাকে সেখানে পরিত্যক্ত অবস্থায় পাওয়া যায়।

বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় বাসিন্দা মিজানুর রহমান এগিয়ে এসে শিশুটিকে উদ্ধার করে নিজের বাড়িতে নিয়ে যান। খবর ছড়িয়ে পড়ার পর শিশুটিকে দেখতে ওই বাড়িতে আশপাশের এলাকার বহু মানুষ জড়ো হন।

পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে ধুনট থানা ও উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের সংশ্লিষ্টরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। শিশুটিকে তাদের হেফাজতে নিয়ে চিকিৎসার জন্য ধুনট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

ধুনট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম জানান, শিশুটির শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। নবজাতকটিকে কারা এবং কী কারণে সেখানে রেখে গেছে, তা জানতে তদন্ত চলছে।

এদিকে শিশুটির পরিচয় ও তাকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ফেলে যাওয়ার ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

আপডেট : ১২:৪৮:৩০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জঙ্গলে ভোরের কান্না, রাস্তার পাশ থেকে উদ্ধার নবজাতক

আপডেট : ১২:৪৮:৩০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
১০৫

বগুড়া প্রতিনিধি।।

বগুড়ার ধুনট উপজেলায় রাস্তার পাশের জঙ্গল থেকে এক নবজাতক ছেলেশিশুকে উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) ভোরে পূর্ব গুয়াডহরী গ্রামের একটি জঙ্গল থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করেন স্থানীয়রা। পরে তার চিকিৎসার জন্য ধুনট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

পুলিশ ও স্থানীয়দের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ভোরে ওই এলাকার রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় এক পথচারী জঙ্গল থেকে শিশুর কান্নার শব্দ শুনতে পান। শব্দের উৎস অনুসরণ করে জঙ্গলের ভেতরে গিয়ে তিনি নবজাতকটিকে পড়ে থাকতে দেখেন। শিশুটির শরীরে রক্তের চিহ্ন ছিল এবং তাকে সেখানে পরিত্যক্ত অবস্থায় পাওয়া যায়।

বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় বাসিন্দা মিজানুর রহমান এগিয়ে এসে শিশুটিকে উদ্ধার করে নিজের বাড়িতে নিয়ে যান। খবর ছড়িয়ে পড়ার পর শিশুটিকে দেখতে ওই বাড়িতে আশপাশের এলাকার বহু মানুষ জড়ো হন।

পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে ধুনট থানা ও উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের সংশ্লিষ্টরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। শিশুটিকে তাদের হেফাজতে নিয়ে চিকিৎসার জন্য ধুনট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

ধুনট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম জানান, শিশুটির শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। নবজাতকটিকে কারা এবং কী কারণে সেখানে রেখে গেছে, তা জানতে তদন্ত চলছে।

এদিকে শিশুটির পরিচয় ও তাকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ফেলে যাওয়ার ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।