চুয়াডাঙ্গা ১১:০৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শ্রীনগরে অগ্রণী ব্যাংকের গ্রাহকদের টাকা ফেরতের দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা

Padma Sangbad

{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":["local"],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{"transform":1},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":true,"containsFTESticker":false}

১৩৭

মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি:

মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগরে অগ্রণী ব্যাংক শাখা থেকে ক্যাশ কর্মকর্তার আত্মসাৎ করা গ্রাহকদের আমানতের অর্থ দ্রুত ফেরতের দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার (৪ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে ‘ভুক্তভোগী গ্রাহক ও সচেতন নাগরিক সমাজে’র ব্যানারে অগ্রণী ব্যাংক শ্রীনগর শাখার সামনে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া ভুক্তভোগী গ্রাহকদের অভিযোগ, অগ্রণী ব্যাংক শ্রীনগর শাখার ক্যাশ অফিসার মো. শরিফুজ্জামান সোহাগ বিভিন্ন প্রতারণামূলক কৌশল ও প্রলোভন দেখিয়ে গ্রাহকদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে তা আত্মসাৎ করেছেন। অনেক গ্রাহকের কাছে টাকা জমা দেওয়ার বৈধ রসিদ বা স্লিপ থাকা সত্ত্বেও পরবর্তী সময়ে ব্যাংকের মূল হিসাব নথিতে সেই অর্থের কোনো হদিস মিলছে না। সাম্প্রতিক সময়ে এই জালিয়াতির বিষয়টি প্রকাশ পাওয়ার পর থেকে ব্যাংক শাখায় শত শত গ্রাহক ভিড় করে তাদের আমানতের হিসাব যাচাই ও টাকা ফেরতের দাবি জানিয়ে আসছেন। ব্যাংকের কাছে অন্তত ২১৩ জন থেকে আড়াই শতাধিক গ্রাহকের লিখিত অভিযোগ জমা রয়েছে। বিভিন্ন সূত্রে ধারণা করা হচ্ছে, এই ক্যাশ কর্মকর্তার আত্মসাৎ করা মোট অর্থের পরিমাণ ২০ থেকে ২৫ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে।

এর আগে গত ২৯ সেপ্টেম্বর রাতে রাজধানীর পাইকপাড়া এলাকায় বোনের বাসা থেকে অভিযুক্ত ক্যাশ কর্মকর্তা শরিফুজ্জামান সোহাগকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ সময় তার কাছ থেকে নগদ ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা, বেশ কিছু চেক বই ও ব্যাংকের লকার উদ্ধার করা হয়। পরদিন তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়। বর্তমানে চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তদন্ত করছে। অন্যদিকে অগ্রণী ব্যাংকের মুন্সিগঞ্জ অঞ্চলের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তদন্ত ও পুঙ্খানুপুঙ্খ যাচাই-বাছাই সাপেক্ষে বৈধ আমানতকারীদের টাকা ফেরত দেওয়ার বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা হচ্ছে।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ব্যাংকের ওপর পূর্ণ আস্থা রেখেই তারা তাদের কষ্টার্জিত অর্থ জমা রেখেছিলেন। কিন্তু বর্তমানে জমানো টাকা ফেরত পাওয়া নিয়ে তারা গভীর অনিশ্চয়তা ও চরম দুশ্চিন্তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। তারা অবিলম্বে সুষ্ঠু তদন্ত শেষ করে প্রকৃত ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ, এই দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত সবার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং গ্রাহকদের আমানতের সম্পূর্ণ টাকা নিরাপদে ফেরতের দাবি জানান।

ভুক্তভোগী গ্রাহক ও সচেতন নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়, আগামীতে তাদের এই দাবি পূরণে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া না হলে আরও কঠোর আন্দোলন ও কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

আপডেট : ০১:৪১:৫৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬

শ্রীনগরে অগ্রণী ব্যাংকের গ্রাহকদের টাকা ফেরতের দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা

আপডেট : ০১:৪১:৫৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬
১৩৭

মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি:

মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগরে অগ্রণী ব্যাংক শাখা থেকে ক্যাশ কর্মকর্তার আত্মসাৎ করা গ্রাহকদের আমানতের অর্থ দ্রুত ফেরতের দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার (৪ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে ‘ভুক্তভোগী গ্রাহক ও সচেতন নাগরিক সমাজে’র ব্যানারে অগ্রণী ব্যাংক শ্রীনগর শাখার সামনে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া ভুক্তভোগী গ্রাহকদের অভিযোগ, অগ্রণী ব্যাংক শ্রীনগর শাখার ক্যাশ অফিসার মো. শরিফুজ্জামান সোহাগ বিভিন্ন প্রতারণামূলক কৌশল ও প্রলোভন দেখিয়ে গ্রাহকদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে তা আত্মসাৎ করেছেন। অনেক গ্রাহকের কাছে টাকা জমা দেওয়ার বৈধ রসিদ বা স্লিপ থাকা সত্ত্বেও পরবর্তী সময়ে ব্যাংকের মূল হিসাব নথিতে সেই অর্থের কোনো হদিস মিলছে না। সাম্প্রতিক সময়ে এই জালিয়াতির বিষয়টি প্রকাশ পাওয়ার পর থেকে ব্যাংক শাখায় শত শত গ্রাহক ভিড় করে তাদের আমানতের হিসাব যাচাই ও টাকা ফেরতের দাবি জানিয়ে আসছেন। ব্যাংকের কাছে অন্তত ২১৩ জন থেকে আড়াই শতাধিক গ্রাহকের লিখিত অভিযোগ জমা রয়েছে। বিভিন্ন সূত্রে ধারণা করা হচ্ছে, এই ক্যাশ কর্মকর্তার আত্মসাৎ করা মোট অর্থের পরিমাণ ২০ থেকে ২৫ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে।

এর আগে গত ২৯ সেপ্টেম্বর রাতে রাজধানীর পাইকপাড়া এলাকায় বোনের বাসা থেকে অভিযুক্ত ক্যাশ কর্মকর্তা শরিফুজ্জামান সোহাগকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ সময় তার কাছ থেকে নগদ ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা, বেশ কিছু চেক বই ও ব্যাংকের লকার উদ্ধার করা হয়। পরদিন তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়। বর্তমানে চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তদন্ত করছে। অন্যদিকে অগ্রণী ব্যাংকের মুন্সিগঞ্জ অঞ্চলের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তদন্ত ও পুঙ্খানুপুঙ্খ যাচাই-বাছাই সাপেক্ষে বৈধ আমানতকারীদের টাকা ফেরত দেওয়ার বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা হচ্ছে।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ব্যাংকের ওপর পূর্ণ আস্থা রেখেই তারা তাদের কষ্টার্জিত অর্থ জমা রেখেছিলেন। কিন্তু বর্তমানে জমানো টাকা ফেরত পাওয়া নিয়ে তারা গভীর অনিশ্চয়তা ও চরম দুশ্চিন্তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। তারা অবিলম্বে সুষ্ঠু তদন্ত শেষ করে প্রকৃত ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ, এই দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত সবার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং গ্রাহকদের আমানতের সম্পূর্ণ টাকা নিরাপদে ফেরতের দাবি জানান।

ভুক্তভোগী গ্রাহক ও সচেতন নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়, আগামীতে তাদের এই দাবি পূরণে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া না হলে আরও কঠোর আন্দোলন ও কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।