চুয়াডাঙ্গা ০১:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জীবননগরে গলায় ফাঁস দিয়ে অনার্স শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা

Padma Sangbad
৯৬

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলায় সাগরিকা খাতুন (২০) নামে এক অনার্স পড়ুয়া ছাত্রী আত্মহত্যা করেছেন। শুক্রবার (১৮ এপ্রিল) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার সুটিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। সাগরিকা স্থানীয় দর্শনা সরকারি কলেজের অনার্স প্রথম বর্ষের ছাত্রী এবং সুটিয়া গ্রামের ইউনুস আলীর মেয়ে।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সাগরিকা পড়াশোনায় অত্যন্ত মনোযোগী ও মেধাবী ছিলেন। গত ১২ এপ্রিল রাতে স্বর্ণের দুল কেনাকে কেন্দ্র করে তার মায়ের সঙ্গে কথা-কাটাকাটি হয়। ওই রাতেই সাগরিকা ঘুমের ওষুধ সেবন করেন। পরবর্তীতে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে পরিবারের সদস্যরা তাকে রাতেই জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। কয়েকদিন চিকিৎসা নিয়ে ১৫ এপ্রিল তিনি বাড়ি ফেরেন। তবে বাড়ি ফেরার পর পারিবারিক টানাপোড়েন আরও বাড়তে থাকে।

দুঃখজনকভাবে, শুক্রবার দুপুরে পরিবারের অন্য সদস্যরা বাড়িতে না থাকার সুযোগে সাগরিকা ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন।

জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মামুন হোসেন বিশ্বাস বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে এবং সুরতহাল শেষে থানায় নিয়ে আসে। শনিবার মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যুর মামলা রেকর্ড করা হয়েছে।

আপডেট : ১২:৩০:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৫

জীবননগরে গলায় ফাঁস দিয়ে অনার্স শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা

আপডেট : ১২:৩০:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৫
৯৬

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলায় সাগরিকা খাতুন (২০) নামে এক অনার্স পড়ুয়া ছাত্রী আত্মহত্যা করেছেন। শুক্রবার (১৮ এপ্রিল) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার সুটিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। সাগরিকা স্থানীয় দর্শনা সরকারি কলেজের অনার্স প্রথম বর্ষের ছাত্রী এবং সুটিয়া গ্রামের ইউনুস আলীর মেয়ে।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সাগরিকা পড়াশোনায় অত্যন্ত মনোযোগী ও মেধাবী ছিলেন। গত ১২ এপ্রিল রাতে স্বর্ণের দুল কেনাকে কেন্দ্র করে তার মায়ের সঙ্গে কথা-কাটাকাটি হয়। ওই রাতেই সাগরিকা ঘুমের ওষুধ সেবন করেন। পরবর্তীতে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে পরিবারের সদস্যরা তাকে রাতেই জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। কয়েকদিন চিকিৎসা নিয়ে ১৫ এপ্রিল তিনি বাড়ি ফেরেন। তবে বাড়ি ফেরার পর পারিবারিক টানাপোড়েন আরও বাড়তে থাকে।

দুঃখজনকভাবে, শুক্রবার দুপুরে পরিবারের অন্য সদস্যরা বাড়িতে না থাকার সুযোগে সাগরিকা ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন।

জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মামুন হোসেন বিশ্বাস বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে এবং সুরতহাল শেষে থানায় নিয়ে আসে। শনিবার মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যুর মামলা রেকর্ড করা হয়েছে।