চুয়াডাঙ্গা ১২:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জয়রামপুরে চলন্ত ট্রেন থেকে পড়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মচারীর মৃত্যু

Padma Sangbad
১৮১

চুয়াডাঙ্গার জয়রামপুরে চলন্ত ট্রেন থেকে ছিটকে পড়ে গফ্ফার আলী ওরফে আকাশ (২৮) নামে এক যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। তিনি আন্তঃনগর কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস ট্রেনে চুয়াডাঙ্গা থেকে নিজ বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে ছিলেন।

গফ্ফার আলী জীবননগর উপজেলার সেনেরহুদা গ্রামের কেন্দ্রীয় মসজিদপাড়ার বাসিন্দা জিন্নাত আলীর একমাত্র ছেলে। তিনি চুয়াডাঙ্গা পানি উন্নয়ন বোর্ডে অফিস সহকারী হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

বুধবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে জয়রামপুর রেলস্টেশনের পাশে কলোনি পাড়ার ঈদগাহ সংলগ্ন মাঠের কাছে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, রাজশাহী থেকে ছেড়ে আসা খুলনাগামী কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস ট্রেনটি যাওয়ার কিছুক্ষণ পর রেললাইনের পাশে একটি মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। ধারণা করা হচ্ছে, অসাবধানতাবশত চলন্ত ট্রেন থেকে পড়ে তার মৃত্যু হয়েছে।

পরে মরদেহের পকেটে থাকা পরিচয়পত্র (আইডি কার্ড) থেকে তার পরিচয় শনাক্ত করা হয়।

নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, আকাশ প্রতিদিন অফিস শেষে মাঝে মধ্যে কপোতাক্ষ ট্রেনে চড়ে চুয়াডাঙ্গা থেকে দর্শনা হল্ট স্টেশনে নামতেন। সেখান থেকে সড়কপথে নিজ গ্রাম সেনেরহুদায় ফিরতেন। বুধবার সন্ধ্যায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি জানতে পারেন।

পরিবার সূত্রে আরও জানা গেছে, মরদেহ গ্রহণের জন্য তারা রওনা দিয়েছেন।

চুয়াডাঙ্গা রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) জগদীশ চন্দ্র বসু ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকলে সুরতহাল শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

এদিকে গফ্ফার আলীর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। একমাত্র ছেলেকে হারিয়ে পরিবারে নেমে এসেছে শোকের মাতম।।

আপডেট : ০৪:৫৩:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ মে ২০২৫

জয়রামপুরে চলন্ত ট্রেন থেকে পড়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মচারীর মৃত্যু

আপডেট : ০৪:৫৩:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ মে ২০২৫
১৮১

চুয়াডাঙ্গার জয়রামপুরে চলন্ত ট্রেন থেকে ছিটকে পড়ে গফ্ফার আলী ওরফে আকাশ (২৮) নামে এক যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। তিনি আন্তঃনগর কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস ট্রেনে চুয়াডাঙ্গা থেকে নিজ বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে ছিলেন।

গফ্ফার আলী জীবননগর উপজেলার সেনেরহুদা গ্রামের কেন্দ্রীয় মসজিদপাড়ার বাসিন্দা জিন্নাত আলীর একমাত্র ছেলে। তিনি চুয়াডাঙ্গা পানি উন্নয়ন বোর্ডে অফিস সহকারী হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

বুধবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে জয়রামপুর রেলস্টেশনের পাশে কলোনি পাড়ার ঈদগাহ সংলগ্ন মাঠের কাছে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, রাজশাহী থেকে ছেড়ে আসা খুলনাগামী কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস ট্রেনটি যাওয়ার কিছুক্ষণ পর রেললাইনের পাশে একটি মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। ধারণা করা হচ্ছে, অসাবধানতাবশত চলন্ত ট্রেন থেকে পড়ে তার মৃত্যু হয়েছে।

পরে মরদেহের পকেটে থাকা পরিচয়পত্র (আইডি কার্ড) থেকে তার পরিচয় শনাক্ত করা হয়।

নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, আকাশ প্রতিদিন অফিস শেষে মাঝে মধ্যে কপোতাক্ষ ট্রেনে চড়ে চুয়াডাঙ্গা থেকে দর্শনা হল্ট স্টেশনে নামতেন। সেখান থেকে সড়কপথে নিজ গ্রাম সেনেরহুদায় ফিরতেন। বুধবার সন্ধ্যায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি জানতে পারেন।

পরিবার সূত্রে আরও জানা গেছে, মরদেহ গ্রহণের জন্য তারা রওনা দিয়েছেন।

চুয়াডাঙ্গা রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) জগদীশ চন্দ্র বসু ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকলে সুরতহাল শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

এদিকে গফ্ফার আলীর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। একমাত্র ছেলেকে হারিয়ে পরিবারে নেমে এসেছে শোকের মাতম।।