চুয়াডাঙ্গা ১০:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চুয়াডাঙ্গা দামুড়হুদা উপজেলাধীন কার্পাসডাঙ্গায় স্কুলছাত্রী ধর্ষণ মামলায় সালামের যাবজ্জীবন

Padma Sangbad

{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":["local"],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":false,"containsFTESticker":false}

৫৫

নিজস্ব প্রতিবেদক :
চুয়াডাঙ্গায় এক স্কুলছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে সালাম নামের এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
সোমবার (২০ এপ্রিল) দুপুরে চুয়াডাঙ্গা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) মো. মোক্তাগীর আলম আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত সালাম দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা গ্রামের বজলুর রশিদ মজুর ছেলে। রায় ঘোষণার পর কড়া পুলিশ প্রহরায় তাকে চুয়াডাঙ্গা জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলার তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৩ মার্চ দামুড়হুদা থানার কার্পাসডাঙ্গা এলাকার ১০ম শ্রেণির এক ছাত্রী প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার পথে অপহরণের শিকার হন। আসামি সালাম তাকে বিভিন্ন স্থানে আটকে রেখে ভুয়া বিয়ের প্রলোভন দেখায় এবং একটি কাল্পনিক কাবিননামা তৈরি করে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে একাধিকবার ধর্ষণ করে।
ঘটনার পর দীর্ঘ তদন্ত শেষে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই হারুন অর রশীদ আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

আদালত আসামির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(১) ধারায় যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেন। পাশাপাশি একই আইনের ৭ ধারায় ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। আদালত নির্দেশ দেন, উভয় দণ্ড পর্যায়ক্রমে কার্যকর হবে।

ট্রাইব্যুনালের স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) এম এম শাহজাহান মুকুল বলেন, বর্তমান সময়ে ধর্ষণের মতো অপরাধ বৃদ্ধি পাওয়ায় এই রায় একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, এ ধরনের কঠোর শাস্তি সমাজে অপরাধ প্রবণতা কমাতে সহায়ক হবে।

রায় ঘোষণার পর আদালত প্রাঙ্গণে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। রাষ্ট্রপক্ষ ও ভুক্তভোগীর পরিবার এ রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার আশা ব্যক্ত করেছেন।

আপডেট : ০৫:৫৯:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

চুয়াডাঙ্গা দামুড়হুদা উপজেলাধীন কার্পাসডাঙ্গায় স্কুলছাত্রী ধর্ষণ মামলায় সালামের যাবজ্জীবন

আপডেট : ০৫:৫৯:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬
৫৫

নিজস্ব প্রতিবেদক :
চুয়াডাঙ্গায় এক স্কুলছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে সালাম নামের এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
সোমবার (২০ এপ্রিল) দুপুরে চুয়াডাঙ্গা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) মো. মোক্তাগীর আলম আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত সালাম দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা গ্রামের বজলুর রশিদ মজুর ছেলে। রায় ঘোষণার পর কড়া পুলিশ প্রহরায় তাকে চুয়াডাঙ্গা জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলার তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৩ মার্চ দামুড়হুদা থানার কার্পাসডাঙ্গা এলাকার ১০ম শ্রেণির এক ছাত্রী প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার পথে অপহরণের শিকার হন। আসামি সালাম তাকে বিভিন্ন স্থানে আটকে রেখে ভুয়া বিয়ের প্রলোভন দেখায় এবং একটি কাল্পনিক কাবিননামা তৈরি করে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে একাধিকবার ধর্ষণ করে।
ঘটনার পর দীর্ঘ তদন্ত শেষে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই হারুন অর রশীদ আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

আদালত আসামির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(১) ধারায় যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেন। পাশাপাশি একই আইনের ৭ ধারায় ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। আদালত নির্দেশ দেন, উভয় দণ্ড পর্যায়ক্রমে কার্যকর হবে।

ট্রাইব্যুনালের স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) এম এম শাহজাহান মুকুল বলেন, বর্তমান সময়ে ধর্ষণের মতো অপরাধ বৃদ্ধি পাওয়ায় এই রায় একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, এ ধরনের কঠোর শাস্তি সমাজে অপরাধ প্রবণতা কমাতে সহায়ক হবে।

রায় ঘোষণার পর আদালত প্রাঙ্গণে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। রাষ্ট্রপক্ষ ও ভুক্তভোগীর পরিবার এ রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার আশা ব্যক্ত করেছেন।