চুয়াডাঙ্গা ০৩:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দালালি ও পা-চাটা সংস্কৃতি: দেশ ও জাতির জন্য এক নীরব অভিশাপ

Padma Sangbad

{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":["local"],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{"transform":1},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":true,"containsFTESticker":false}

৭২

নিজস্ব প্রতিবেদক।
জ্ঞানহীন মানুষ যেন জীবন্ত মৃত মানুষের সমতুল্য। একটি গাছ মরে গেলেও তার কিছু মূল্য থাকে, কিন্তু যে মানুষ নিজের বিবেক হারায়, জ্ঞানকে বিকৃত করে এবং সত্যকে বিক্রি করে দেয়, তার মূল্য সমাজে শূন্যের কোটায় নেমে আসে।
আজকের সমাজে সবচেয়ে বড় অভিশাপগুলোর একটি হলো দালালি ও পা-চাটা সংস্কৃতি। যোগ্যতা, সততা ও ন্যায়ের পরিবর্তে যখন তোষামোদ, স্বার্থসিদ্ধি আর চাটুকারিতা স্থান দখল করে নেয়, তখন ক্ষতিগ্রস্ত হয় পুরো জাতি।
সমাজে এমনও দেখা যায়—নির্দোষ মানুষ শাস্তি পায়, আর প্রকৃত অপরাধীরা প্রভাব ও দালালির জোরে পার পেয়ে যায়। এটি শুধু অন্যায় নয়, মানবতারও বিরোধী। ন্যায়বিচার যখন বিক্রি হয়ে যায়, তখন সাধারণ মানুষের আস্থা ভেঙে পড়ে।
আরেকটি ভয়ংকর দিক হলো ভুয়া পরিচয়ের বিস্তার। কেউ কোনো সংবাদপত্র, টিভি চ্যানেল, অনলাইন পোর্টাল বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে যুক্ত নয়, অথচ নিজেকে সাংবাদিক, আইনকর্মী বা সমাজসেবক পরিচয় দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করে। এরা সমাজের জন্য বোঝা, কারণ এদের উদ্দেশ্য সেবা নয়—প্রতারণা ও প্রভাব খাটানো।
আবার কিছু মানুষকে দেখা যায়, অল্প কিছুদিন আগেও যাদের কিছুই ছিল না, হঠাৎ করে বিলাসবহুল গাড়ি, দামি পোশাক, বড় বাড়ি ও প্রভাবশালী জীবনযাপন শুরু করেছে। প্রশ্ন জাগে—এর উৎস কোথায়? অনেক ক্ষেত্রেই উত্তর মিলে দালালি, তোষামোদ ও অসৎ পথের মধ্যে।
দেশ ও জাতির উন্নয়ন কখনো দালালি দিয়ে হয় না। উন্নয়ন আসে মেধা, শ্রম, সততা ও ন্যায়ের মাধ্যমে। তাই সমাজ থেকে দালালি ও পা-চাটা সংস্কৃতি দূর করতে হলে সচেতনতা, আইনের সঠিক প্রয়োগ এবং নৈতিক শিক্ষার বিকাশ জরুরি।
মনে রাখতে হবে—চাটুকাররা সাময়িক সুবিধা পায়, কিন্তু ইতিহাসে সম্মান পায় সত্যবাদী ও সৎ মানুষরাই।

আপডেট : ০৪:০৮:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

দালালি ও পা-চাটা সংস্কৃতি: দেশ ও জাতির জন্য এক নীরব অভিশাপ

আপডেট : ০৪:০৮:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
৭২

নিজস্ব প্রতিবেদক।
জ্ঞানহীন মানুষ যেন জীবন্ত মৃত মানুষের সমতুল্য। একটি গাছ মরে গেলেও তার কিছু মূল্য থাকে, কিন্তু যে মানুষ নিজের বিবেক হারায়, জ্ঞানকে বিকৃত করে এবং সত্যকে বিক্রি করে দেয়, তার মূল্য সমাজে শূন্যের কোটায় নেমে আসে।
আজকের সমাজে সবচেয়ে বড় অভিশাপগুলোর একটি হলো দালালি ও পা-চাটা সংস্কৃতি। যোগ্যতা, সততা ও ন্যায়ের পরিবর্তে যখন তোষামোদ, স্বার্থসিদ্ধি আর চাটুকারিতা স্থান দখল করে নেয়, তখন ক্ষতিগ্রস্ত হয় পুরো জাতি।
সমাজে এমনও দেখা যায়—নির্দোষ মানুষ শাস্তি পায়, আর প্রকৃত অপরাধীরা প্রভাব ও দালালির জোরে পার পেয়ে যায়। এটি শুধু অন্যায় নয়, মানবতারও বিরোধী। ন্যায়বিচার যখন বিক্রি হয়ে যায়, তখন সাধারণ মানুষের আস্থা ভেঙে পড়ে।
আরেকটি ভয়ংকর দিক হলো ভুয়া পরিচয়ের বিস্তার। কেউ কোনো সংবাদপত্র, টিভি চ্যানেল, অনলাইন পোর্টাল বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে যুক্ত নয়, অথচ নিজেকে সাংবাদিক, আইনকর্মী বা সমাজসেবক পরিচয় দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করে। এরা সমাজের জন্য বোঝা, কারণ এদের উদ্দেশ্য সেবা নয়—প্রতারণা ও প্রভাব খাটানো।
আবার কিছু মানুষকে দেখা যায়, অল্প কিছুদিন আগেও যাদের কিছুই ছিল না, হঠাৎ করে বিলাসবহুল গাড়ি, দামি পোশাক, বড় বাড়ি ও প্রভাবশালী জীবনযাপন শুরু করেছে। প্রশ্ন জাগে—এর উৎস কোথায়? অনেক ক্ষেত্রেই উত্তর মিলে দালালি, তোষামোদ ও অসৎ পথের মধ্যে।
দেশ ও জাতির উন্নয়ন কখনো দালালি দিয়ে হয় না। উন্নয়ন আসে মেধা, শ্রম, সততা ও ন্যায়ের মাধ্যমে। তাই সমাজ থেকে দালালি ও পা-চাটা সংস্কৃতি দূর করতে হলে সচেতনতা, আইনের সঠিক প্রয়োগ এবং নৈতিক শিক্ষার বিকাশ জরুরি।
মনে রাখতে হবে—চাটুকাররা সাময়িক সুবিধা পায়, কিন্তু ইতিহাসে সম্মান পায় সত্যবাদী ও সৎ মানুষরাই।