চুয়াডাঙ্গা ০৭:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে স্বামী-স্ত্রীর আত্মহত্যা

Padma Sangbad
১৪২

গাজীপুর প্রতিনিধি।।

গাজীপুরের শ্রীপুরে স্বামী-স্ত্রীর ট্রেনে কাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ শনিবার সন্ধ্যায় উপজেলার রাজাবাড়ি ইউনিয়নের ইজ্জতপুর রেল স্টেশনের উত্তর পাশের বর্হিগমণসিগনালের পাশে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে আত্নহত্যা করেন তারা।

নিহত মোছা. রিনা আক্তার (২৫) শ্রীপুর উপজেলার বরমী ইউনিয়নের পাইটালবাড়ি গ্রামের মো. সিদ্দিক মিয়ার কন্যা। অপর নিহত তার দ্বিতীয় স্বামী আল আমিনের বিস্তারিত পরিচয় পাওয়া যায়নি। রিনা স্থানীয় আরবেলা ফ্যাশন নামক পোষাক কারখানার শ্রমিক ছিলেন। আল আমিন স্থানীয় হ্যামস গার্মেন্টসের শ্রমিক ছিলেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

স্থানীয়রা জানান, আজ শনিবার দুপুর থেকে তারা দুইজন রেললাইনে হাঁটাহাটি করছিলেন। হঠাৎ সন্ধ্যার পর জানা যায় তারা ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে আত্নহত্যা করেছেন।

স্থানীয় বাসিন্দা লিপি বেগম বলেন, ‘আজ পাঁচটার দিকে দুইজন ছেলে জানায় দুইজন মানুষ ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়েছেন। এ সময় আশপাশের লোকজন গিয়ে দুইজনের মরদেহ দেখতে পায়।’

নিহত রিনা আক্তারের ভাই সুমন বলেন, ‘আগের স্বামীর ঘর থেকে চলে এসে রিনা আল আমিনকে বিয়ে করেছে। বিয়ের পর থেকে তাদের সাথে তেমন যোগাযোগ নাই। তাদের আত্নহত্যা কারণ বলতে পারব না।’

স্থানীয় বাসিন্দা জহিরুল ইসলাম সিরাজী বলেন, ‘বিকালের দিকে দুইজন ছেলে-মেয়ে ময়মনসিংহগামী কমিউটার ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দেয়। এরপর ট্রেনের নিচে পড়ে তাদের মৃত্যু হয়। তাদের মরদেহের বিভিন্ন অংশ রেলপথের প্রায় ৫০০ মিটার জুড়ে পড়ে রয়েছে।’

জয়দেবপুর রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত উপপরিদর্শক এসআই ফারুক হোসেন বলেন, ‘খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধারের কাজ চলছে। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন।’

আপডেট : ১১:৫৬:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬

ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে স্বামী-স্ত্রীর আত্মহত্যা

আপডেট : ১১:৫৬:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬
১৪২

গাজীপুর প্রতিনিধি।।

গাজীপুরের শ্রীপুরে স্বামী-স্ত্রীর ট্রেনে কাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ শনিবার সন্ধ্যায় উপজেলার রাজাবাড়ি ইউনিয়নের ইজ্জতপুর রেল স্টেশনের উত্তর পাশের বর্হিগমণসিগনালের পাশে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে আত্নহত্যা করেন তারা।

নিহত মোছা. রিনা আক্তার (২৫) শ্রীপুর উপজেলার বরমী ইউনিয়নের পাইটালবাড়ি গ্রামের মো. সিদ্দিক মিয়ার কন্যা। অপর নিহত তার দ্বিতীয় স্বামী আল আমিনের বিস্তারিত পরিচয় পাওয়া যায়নি। রিনা স্থানীয় আরবেলা ফ্যাশন নামক পোষাক কারখানার শ্রমিক ছিলেন। আল আমিন স্থানীয় হ্যামস গার্মেন্টসের শ্রমিক ছিলেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

স্থানীয়রা জানান, আজ শনিবার দুপুর থেকে তারা দুইজন রেললাইনে হাঁটাহাটি করছিলেন। হঠাৎ সন্ধ্যার পর জানা যায় তারা ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে আত্নহত্যা করেছেন।

স্থানীয় বাসিন্দা লিপি বেগম বলেন, ‘আজ পাঁচটার দিকে দুইজন ছেলে জানায় দুইজন মানুষ ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়েছেন। এ সময় আশপাশের লোকজন গিয়ে দুইজনের মরদেহ দেখতে পায়।’

নিহত রিনা আক্তারের ভাই সুমন বলেন, ‘আগের স্বামীর ঘর থেকে চলে এসে রিনা আল আমিনকে বিয়ে করেছে। বিয়ের পর থেকে তাদের সাথে তেমন যোগাযোগ নাই। তাদের আত্নহত্যা কারণ বলতে পারব না।’

স্থানীয় বাসিন্দা জহিরুল ইসলাম সিরাজী বলেন, ‘বিকালের দিকে দুইজন ছেলে-মেয়ে ময়মনসিংহগামী কমিউটার ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দেয়। এরপর ট্রেনের নিচে পড়ে তাদের মৃত্যু হয়। তাদের মরদেহের বিভিন্ন অংশ রেলপথের প্রায় ৫০০ মিটার জুড়ে পড়ে রয়েছে।’

জয়দেবপুর রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত উপপরিদর্শক এসআই ফারুক হোসেন বলেন, ‘খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধারের কাজ চলছে। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন।’