চুয়াডাঙ্গা ১২:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হাইকোর্টের অনুমতিতে পরিষদে বসতে গিয়ে হামলা: চুয়াডাঙ্গায় তিন ইউপি চেয়ারম্যান ধাওয়া, খাদিমপুরে অবরুদ্ধ ও ভাঙচুর

Padma Sangbad
১০৮

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি।।

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলায় একাধিক ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যানদের দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরুকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে খাদিমপুর ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে এ ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর খাদিমপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোজাহিদুর রহমান জোয়ার্দ্দার লোটাসকে সাময়িক অপসারণ করে প্রশাসক নিয়োগ দেয় জেলা প্রশাসন। এর বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট পিটিশন দায়ের করলে আদালত তাকে পরিষদে বসে কাজ করার অনুমতি দেন। সেই অনুমতির ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার সকালে পরিষদে গিয়ে দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু করেন তিনি।

খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা পরিষদে গিয়ে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করেন, চেয়ার-টেবিল ভাঙচুর করেন এবং চেয়ারম্যানকে কক্ষে অবরুদ্ধ করে দেশীয় অস্ত্র প্রদর্শন করেন। পরে চেয়ারম্যানের সমর্থকরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে হামলাকারীদের ধাওয়া দেন। হামলাকারীরা চারটি মোটরসাইকেল ফেলে পালিয়ে গেলে সেগুলো ভাঙচুর করা হয়।

চেয়ারম্যান মোজাহিদুর রহমান বলেন, সকাল থেকে অফিস করছিলাম। কিছু লোকজন পরিষদে এসে ঘেরাও করে, ইটপাটকেল মারে এবং দেশীয় অস্ত্র প্রদর্শন করে আমাকে অবরুদ্ধ করে রাখে। পুরো ঘটনা সিসিটিভি ক্যামেরায় ধারণ হয়েছে।

একই উপজেলার নাগদাহ ইউপি চেয়ারম্যান এজাজ ইমতিয়াজ বিপুল ও কালিদাসপুর ইউপি চেয়ারম্যান শেখ আশাদুল হক মিকাকেও পরিষদ থেকে ধাওয়া দিয়ে বের করে দেওয়া হয়। এসব ঘটনায় স্থানীয় বিএনপির কর্মী-সমর্থকদের উপস্থিতি দেখা গেছে।

চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোস্তাফিজুর রহমান জানান, সবকটি ঘটনার খবর পেয়েই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। খাদিমপুরের ঘটনায় জসিম নামে একজনকে থানা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক।

উল্লেখ্য, হাইকোর্টের রিট পিটিশনের প্রেক্ষিতে আলমডাঙ্গার চিৎলা ইউপি চেয়ারম্যান হাসানুজ্জামান সরোয়ার, খাসকররা ইউপি চেয়ারম্যান তাসফির আহমেদ লাল ও ডাউকি ইউপি চেয়ারম্যান তরিকুল ইসলামও নিজ নিজ পরিষদে বসে দাপ্তরিক কাজ করার অনুমতি পেয়েছেন।।

আপডেট : ০৮:৫৮:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

হাইকোর্টের অনুমতিতে পরিষদে বসতে গিয়ে হামলা: চুয়াডাঙ্গায় তিন ইউপি চেয়ারম্যান ধাওয়া, খাদিমপুরে অবরুদ্ধ ও ভাঙচুর

আপডেট : ০৮:৫৮:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
১০৮

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি।।

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলায় একাধিক ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যানদের দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরুকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে খাদিমপুর ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে এ ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর খাদিমপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোজাহিদুর রহমান জোয়ার্দ্দার লোটাসকে সাময়িক অপসারণ করে প্রশাসক নিয়োগ দেয় জেলা প্রশাসন। এর বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট পিটিশন দায়ের করলে আদালত তাকে পরিষদে বসে কাজ করার অনুমতি দেন। সেই অনুমতির ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার সকালে পরিষদে গিয়ে দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু করেন তিনি।

খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা পরিষদে গিয়ে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করেন, চেয়ার-টেবিল ভাঙচুর করেন এবং চেয়ারম্যানকে কক্ষে অবরুদ্ধ করে দেশীয় অস্ত্র প্রদর্শন করেন। পরে চেয়ারম্যানের সমর্থকরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে হামলাকারীদের ধাওয়া দেন। হামলাকারীরা চারটি মোটরসাইকেল ফেলে পালিয়ে গেলে সেগুলো ভাঙচুর করা হয়।

চেয়ারম্যান মোজাহিদুর রহমান বলেন, সকাল থেকে অফিস করছিলাম। কিছু লোকজন পরিষদে এসে ঘেরাও করে, ইটপাটকেল মারে এবং দেশীয় অস্ত্র প্রদর্শন করে আমাকে অবরুদ্ধ করে রাখে। পুরো ঘটনা সিসিটিভি ক্যামেরায় ধারণ হয়েছে।

একই উপজেলার নাগদাহ ইউপি চেয়ারম্যান এজাজ ইমতিয়াজ বিপুল ও কালিদাসপুর ইউপি চেয়ারম্যান শেখ আশাদুল হক মিকাকেও পরিষদ থেকে ধাওয়া দিয়ে বের করে দেওয়া হয়। এসব ঘটনায় স্থানীয় বিএনপির কর্মী-সমর্থকদের উপস্থিতি দেখা গেছে।

চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোস্তাফিজুর রহমান জানান, সবকটি ঘটনার খবর পেয়েই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। খাদিমপুরের ঘটনায় জসিম নামে একজনকে থানা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক।

উল্লেখ্য, হাইকোর্টের রিট পিটিশনের প্রেক্ষিতে আলমডাঙ্গার চিৎলা ইউপি চেয়ারম্যান হাসানুজ্জামান সরোয়ার, খাসকররা ইউপি চেয়ারম্যান তাসফির আহমেদ লাল ও ডাউকি ইউপি চেয়ারম্যান তরিকুল ইসলামও নিজ নিজ পরিষদে বসে দাপ্তরিক কাজ করার অনুমতি পেয়েছেন।।