চুয়াডাঙ্গা ০৬:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চুয়াডাঙ্গায় অশ্লীল টিকটক ভিডিও তৈরির অভিযোগে নারীর মরদেহ দাফনে বাধা

Padma Sangbad
২৯

দৈনিক পদ্মা সংবাদ ডেস্ক।।
চুয়াডাঙ্গায় নাচ-গান ও টিকটক করায় সুবর্ণা আক্তার (৩৫) নামে এক নারীর মরদেহ দাফনে বাধা দিয়েছে স্থানীয়রা। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দুপুরে চুয়াডাঙ্গা শহরতলীর দৌলতদিয়াড় এলাকায় তার মরদেহ পৌঁছালে দাফনকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
এর আগে বুধবার রাতে ঝিনাইদহ শহরের একটি ভাড়া বাসায় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন সুবর্ণা। বৃহস্পতিবার সকালে ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ নিজ বাড়িতে নেওয়া হলে এলাকাবাসী দাফনে আপত্তি জানান।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই নারী দীর্ঘদিন ধরে নাচ-গান ও টিকটক ভিডিও তৈরির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নিতেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার কর্মকাণ্ড নিয়েও এলাকায় ব্যাপক সমালোচনা ছিল বলে দাবি করেন তারা। পরিবারের বিরুদ্ধে মাদক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগও তোলেন কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা। এসব কারণ দেখিয়ে স্থানীয় কবরস্থানে তাকে দাফন করতে অস্বীকৃতি জানানো হয়।
এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, ‘তার (ওই নারী) চলাফেরা ও কর্মকাণ্ড নিয়ে আমাদের আপত্তি ছিল। টিকটকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার কার্যক্রম ভালোভাবে দেখেনি এলাকাবাসী। তাই এখানে দাফন দিতে রাজি হয়নি কেউ। এটি আমাদের নিজস্ব কবরস্থান। তারা এই কবরস্থানের সদস্য নয়। আগে সদস্য হওয়ার কথা বলা হলেও তারা তা মানেনি।’
অন্যদিকে, এ ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়েছেন ওই নারীর পরিবারের সদস্যরা। তার সৎবাবা বলেন, ‘এর আগে আমাদের পরিবারের আরেক সদস্যকে এখানেই দাফন করা হয়েছে। এখন কেন বাধা দেওয়া হচ্ছে বুঝতে পারছি না। কবর খুঁড়তেও দেওয়া হয়নি। বাধ্য হয়ে অন্যত্র দাফনের কথা ভাবতে হচ্ছে।’
পারিবারিক সূত্র জানায়, যায়, ওই নারীর প্রথম বিয়ে হয়েছিল চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকায়। সেই সংসারে তার দুই মেয়ে ও এক ছেলে সন্তান রয়েছে। প্রথম স্বামীর সংসার ছেড়ে প্রায় ছয় বছর আগে ঝিনাইদহের এক ব্যক্তিকে বিয়ে করেন সুবর্ণা। পরিবারের দাবি, দ্বিতীয় স্বামীর সঙ্গে মনোমালিন্যের জেরেই তিনি আত্মহত্যা করেছেন। পরিবারের দাবি, সাম্প্রতিক পারিবারিক অশান্তির কারণেই তিনি আত্মহত্যার পথ বেছে নেন। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত মরদেহ দাফন নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, ‘ঘটনাটি জানার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে।।

আপডেট : ১২:৩৬:১৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬

চুয়াডাঙ্গায় অশ্লীল টিকটক ভিডিও তৈরির অভিযোগে নারীর মরদেহ দাফনে বাধা

আপডেট : ১২:৩৬:১৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬
২৯

দৈনিক পদ্মা সংবাদ ডেস্ক।।
চুয়াডাঙ্গায় নাচ-গান ও টিকটক করায় সুবর্ণা আক্তার (৩৫) নামে এক নারীর মরদেহ দাফনে বাধা দিয়েছে স্থানীয়রা। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দুপুরে চুয়াডাঙ্গা শহরতলীর দৌলতদিয়াড় এলাকায় তার মরদেহ পৌঁছালে দাফনকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
এর আগে বুধবার রাতে ঝিনাইদহ শহরের একটি ভাড়া বাসায় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন সুবর্ণা। বৃহস্পতিবার সকালে ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ নিজ বাড়িতে নেওয়া হলে এলাকাবাসী দাফনে আপত্তি জানান।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই নারী দীর্ঘদিন ধরে নাচ-গান ও টিকটক ভিডিও তৈরির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নিতেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার কর্মকাণ্ড নিয়েও এলাকায় ব্যাপক সমালোচনা ছিল বলে দাবি করেন তারা। পরিবারের বিরুদ্ধে মাদক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগও তোলেন কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা। এসব কারণ দেখিয়ে স্থানীয় কবরস্থানে তাকে দাফন করতে অস্বীকৃতি জানানো হয়।
এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, ‘তার (ওই নারী) চলাফেরা ও কর্মকাণ্ড নিয়ে আমাদের আপত্তি ছিল। টিকটকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার কার্যক্রম ভালোভাবে দেখেনি এলাকাবাসী। তাই এখানে দাফন দিতে রাজি হয়নি কেউ। এটি আমাদের নিজস্ব কবরস্থান। তারা এই কবরস্থানের সদস্য নয়। আগে সদস্য হওয়ার কথা বলা হলেও তারা তা মানেনি।’
অন্যদিকে, এ ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়েছেন ওই নারীর পরিবারের সদস্যরা। তার সৎবাবা বলেন, ‘এর আগে আমাদের পরিবারের আরেক সদস্যকে এখানেই দাফন করা হয়েছে। এখন কেন বাধা দেওয়া হচ্ছে বুঝতে পারছি না। কবর খুঁড়তেও দেওয়া হয়নি। বাধ্য হয়ে অন্যত্র দাফনের কথা ভাবতে হচ্ছে।’
পারিবারিক সূত্র জানায়, যায়, ওই নারীর প্রথম বিয়ে হয়েছিল চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকায়। সেই সংসারে তার দুই মেয়ে ও এক ছেলে সন্তান রয়েছে। প্রথম স্বামীর সংসার ছেড়ে প্রায় ছয় বছর আগে ঝিনাইদহের এক ব্যক্তিকে বিয়ে করেন সুবর্ণা। পরিবারের দাবি, দ্বিতীয় স্বামীর সঙ্গে মনোমালিন্যের জেরেই তিনি আত্মহত্যা করেছেন। পরিবারের দাবি, সাম্প্রতিক পারিবারিক অশান্তির কারণেই তিনি আত্মহত্যার পথ বেছে নেন। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত মরদেহ দাফন নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, ‘ঘটনাটি জানার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে।।