চুয়াডাঙ্গা ০১:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস: একুশের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ জাতি গঠনের অঙ্গীকার

Padma Sangbad
১১৯

মোঃ আব্দুর রহমান অনিক।।
১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন ছিল বাঙালি জাতির ইতিহাসে একটি মাইলফলক। মাতৃভাষা বাংলার মর্যাদা রক্ষার জন্য যে সংগ্রাম শুরু হয়েছিল, তা আজও আমাদের অধিকার আদায় ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে প্রেরণা জোগায়। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান প্রমাণ করে যে, একুশের চেতনা আজও অম্লান। দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্র, জনগণের ভাত ও ভোটের অধিকার, দুর্নীতি-দুবৃত্তায়ন, চাঁদাবাজি, দখলবাজি, দলীয় ও ধর্মীয় উগ্রবাদ মুক্ত রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে একুশের চেতনা আমাদের পথ দেখাচ্ছে।

১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন শুধু মাতৃভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামই ছিল না, এটি ছিল একটি জাতির আত্মপরিচয় ও স্বাধীনচেতা হওয়ার প্রথম পদক্ষেপ। সেই চেতনা আজও আমাদের সংগ্রামে অনুপ্রেরণা যোগায়। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানও একই চেতনার ধারাবাহিকতা। এটি প্রমাণ করে যে, বাংলার মাটিতে জনগণের অধিকার আদায়ের সংগ্রাম কখনো থেমে থাকে না।

আজকের দিনে আমরা যখন আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন করছি, তখন আমাদের মনে রাখতে হবে যে, ভাষা শুধু যোগাযোগের মাধ্যম নয়, এটি একটি জাতির সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও স্বাধীনচেতা আত্মার প্রতীক। বাংলা ভাষার মর্যাদা রক্ষার সংগ্রামে আমরা যেমন ঐক্যবদ্ধ হয়েছিলাম, তেমনি আজও দেশের স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে আমাদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, জনগণের ভাত ও ভোটের অধিকার নিশ্চিত করা, দুর্নীতি-দুবৃত্তায়ন, চাঁদাবাজি, দখলবাজি, দলীয় ও ধর্মীয় উগ্রবাদ মুক্ত রাষ্ট্র গঠনের সংগ্রামে একুশের চেতনা আমাদের পথপ্রদর্শক। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানও সেই চেতনারই ধারাবাহিকতা। এটি প্রমাণ করে যে, বাংলার মাটিতে জনগণের অধিকার আদায়ের সংগ্রাম কখনো থেমে থাকে না।

আজকের দিনে আমাদের অঙ্গীকার করতে হবে যে, আমরা একুশের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশের স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে ঐক্যবদ্ধ হব। আমরা আমাদের মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষার পাশাপাশি দেশের সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার রক্ষার সংগ্রামেও অবিচল থাকব।

১৯৫২ থেকে ২০২৪—এই দীর্ঘ পথচলায় একুশের চেতনা আমাদের পথ দেখিয়েছে। আজও সেই চেতনা আমাদের সংগ্রামে অনুপ্রেরণা যোগায়। আসুন, আমরা সবাই একুশের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশের স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে ঐক্যবদ্ধ হই।।

আপডেট : ১২:৫৭:১৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস: একুশের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ জাতি গঠনের অঙ্গীকার

আপডেট : ১২:৫৭:১৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
১১৯

মোঃ আব্দুর রহমান অনিক।।
১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন ছিল বাঙালি জাতির ইতিহাসে একটি মাইলফলক। মাতৃভাষা বাংলার মর্যাদা রক্ষার জন্য যে সংগ্রাম শুরু হয়েছিল, তা আজও আমাদের অধিকার আদায় ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে প্রেরণা জোগায়। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান প্রমাণ করে যে, একুশের চেতনা আজও অম্লান। দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্র, জনগণের ভাত ও ভোটের অধিকার, দুর্নীতি-দুবৃত্তায়ন, চাঁদাবাজি, দখলবাজি, দলীয় ও ধর্মীয় উগ্রবাদ মুক্ত রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে একুশের চেতনা আমাদের পথ দেখাচ্ছে।

১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন শুধু মাতৃভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামই ছিল না, এটি ছিল একটি জাতির আত্মপরিচয় ও স্বাধীনচেতা হওয়ার প্রথম পদক্ষেপ। সেই চেতনা আজও আমাদের সংগ্রামে অনুপ্রেরণা যোগায়। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানও একই চেতনার ধারাবাহিকতা। এটি প্রমাণ করে যে, বাংলার মাটিতে জনগণের অধিকার আদায়ের সংগ্রাম কখনো থেমে থাকে না।

আজকের দিনে আমরা যখন আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন করছি, তখন আমাদের মনে রাখতে হবে যে, ভাষা শুধু যোগাযোগের মাধ্যম নয়, এটি একটি জাতির সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও স্বাধীনচেতা আত্মার প্রতীক। বাংলা ভাষার মর্যাদা রক্ষার সংগ্রামে আমরা যেমন ঐক্যবদ্ধ হয়েছিলাম, তেমনি আজও দেশের স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে আমাদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, জনগণের ভাত ও ভোটের অধিকার নিশ্চিত করা, দুর্নীতি-দুবৃত্তায়ন, চাঁদাবাজি, দখলবাজি, দলীয় ও ধর্মীয় উগ্রবাদ মুক্ত রাষ্ট্র গঠনের সংগ্রামে একুশের চেতনা আমাদের পথপ্রদর্শক। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানও সেই চেতনারই ধারাবাহিকতা। এটি প্রমাণ করে যে, বাংলার মাটিতে জনগণের অধিকার আদায়ের সংগ্রাম কখনো থেমে থাকে না।

আজকের দিনে আমাদের অঙ্গীকার করতে হবে যে, আমরা একুশের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশের স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে ঐক্যবদ্ধ হব। আমরা আমাদের মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষার পাশাপাশি দেশের সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার রক্ষার সংগ্রামেও অবিচল থাকব।

১৯৫২ থেকে ২০২৪—এই দীর্ঘ পথচলায় একুশের চেতনা আমাদের পথ দেখিয়েছে। আজও সেই চেতনা আমাদের সংগ্রামে অনুপ্রেরণা যোগায়। আসুন, আমরা সবাই একুশের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশের স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে ঐক্যবদ্ধ হই।।