চুয়াডাঙ্গা ১২:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আমিষ কিংবা সবজি স্বস্তি নেই কোনটিতে

Padma Sangbad
৯১

আমিষ কিংবা সবজি কোনটিতেই স্বস্তি নেই। পবিত্র রমজান মাসের সপ্তাহ খানেক বাকি থাকতেই তেঁতে উঠেছে যশোরের নিত্যপণ্যর বাজার। চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে মুরগি, ডিম ও গ্রীষ্মকালীন সবজি। স্বস্তি নেই চাল, ডাল, আটা, সয়াবিন তেল ও চিনিতেও।

যশোরে বাজারে আমিষের প্রধান উৎস মাংসের বাজার চড়া। মুরগির দাম বেড়েই চলেছে। তবে খানিকটা কমেছে কাঁচামরিচের ঝাঁঝ। শুক্রবার ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হয় ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা কেজিতে। সোনালী ও লেয়ার মুরগি বিক্রি হয় ৩৪০ টাকা দরে। দেশি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৫৮০ থেকে ৬০০ টাকায়। গরুর মাংস ৭০০ টাকা কেজি। খাসির মাংস ১০০০ টাকা। ব্রয়লার মুরগির ডিম ৪৫ থেকে ৪৬ টাকা হালি, যা গত সপ্তাহে বিক্রি হয় ৪৪ টাকা দরে। সোনালী মুরগির ডিম ৫৬ টাকা। দেশি মুরগির ডিম ৬০ টাকা। হাঁসের ডিম ৬৪ টাকা। কোয়েল পাখির ডিম ১২ টাকা হালি। ইলিশ মাছ বিক্রি হচ্ছে ৪৫০ থেকে ২০০০ টাকা কেজিতে।

তবে এ সপ্তাহে কাঁচামরিচের ঝাঁঝ কিছুটা কমলো। শুক্রবার ঝাল বিক্রি হয় ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজিতে। যা গত সপ্তাহে বিক্রি হয় ১২০ থেকে ১৪০ টাকায়। কিন্তু চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে গ্রীষ্মকালীন সবজি। বরবটি ১০০ টাকা কেজি। সজনে ১০০ থেকে ১২০ টাকা। উচ্ছে, ঝিঙ্গে ও ঢেঁড়স ৮০ টাকা। পটল ও এঁচোড় ৬০ টাকা। কচুর লতি বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকা দরে। লাউ প্রতি পিস ৪০ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বেগুন ৫০ থেকে ৬০ টাকা। শশা ৪০ থেকে ৬০, কাঁচকলা ৩০ থেকে ৪০, মিষ্টি কুমড়া ৩০, পেঁপে ২০ থেকে ২৫, পুঁইশাক ৩০, আলু বিক্রি হচ্ছে ১৮ থেকে ২০ টাকা কেজিতে। শীতকালীন সবজির মধ্য বাধাকপি ২০ থেকে ২৫ টাকা। শিম ৪০, গাজর ৩০ থেকে ৪০, মুলা ৪০, পালং শাক ১৫ টাকা আঁটি, টমেটো ২০ থেকে ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

চাল বাজারে প্রতি কেজি স্বর্ণা চাল বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৪৬ টাকা কেজিতে। আঠাশ ও কাজললতা ৫০ থেকে ৫৪ টাকা। মিনিকেট ৬০ থেকে ৬৫ টাকা। বাসমতি ৬৮ থেকে ৭২ টাকা। নাজিরশাইল ৭২ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মশলা বাজারে জিরা বিক্রি হচ্ছে ৬০০ থেকে ৮২০ টাকা কেজিতে। লবঙ্গ ১৫০০ থেকে ২২০০ টাকা। দারুচিনি ৪৮০ টাকা। এলাচ ১৮০০ থেকে ৩২০০ টাকা। রসুন ৮০ থেকে ১৬০ টাকা। আদা ১২০ থেকে ২০০ টাকা। পেঁয়াজ ২৫ থেকে ৪০ টাকা কেজি।

প্রতি কেজি চিনি বিক্রি হচ্ছে ১১৫ থেকে ১৪০ টাকায়। লবণ ৪০ টাকা। খোলা আটা ৬০ টাকা কেজি। প্যাকেট আটা ৬৫ টাকা। খোলা ময়দা ৬৫ টাকা। প্যাকেট ময়দা ৭৫ টাকা। খোলা সয়াবিন তেল ১৮৫ টাকা কেজি। বোতলজাত সয়াবিন তেল ১৮৭ টাকা লিটার। বুটের ডাল ৭০ টাকা কেজি। ছোলার ডাল ৯০ টাকা। মসুরের ডাল ৯৫ থেকে ১৪০ টাকা কেজি। মুগ ডাল ১০০ থেকে ১৩০ টাকা কেজি।

আপডেট : ১২:০৯:২১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ মার্চ ২০২৩

আমিষ কিংবা সবজি স্বস্তি নেই কোনটিতে

আপডেট : ১২:০৯:২১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ মার্চ ২০২৩
৯১

আমিষ কিংবা সবজি কোনটিতেই স্বস্তি নেই। পবিত্র রমজান মাসের সপ্তাহ খানেক বাকি থাকতেই তেঁতে উঠেছে যশোরের নিত্যপণ্যর বাজার। চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে মুরগি, ডিম ও গ্রীষ্মকালীন সবজি। স্বস্তি নেই চাল, ডাল, আটা, সয়াবিন তেল ও চিনিতেও।

যশোরে বাজারে আমিষের প্রধান উৎস মাংসের বাজার চড়া। মুরগির দাম বেড়েই চলেছে। তবে খানিকটা কমেছে কাঁচামরিচের ঝাঁঝ। শুক্রবার ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হয় ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা কেজিতে। সোনালী ও লেয়ার মুরগি বিক্রি হয় ৩৪০ টাকা দরে। দেশি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৫৮০ থেকে ৬০০ টাকায়। গরুর মাংস ৭০০ টাকা কেজি। খাসির মাংস ১০০০ টাকা। ব্রয়লার মুরগির ডিম ৪৫ থেকে ৪৬ টাকা হালি, যা গত সপ্তাহে বিক্রি হয় ৪৪ টাকা দরে। সোনালী মুরগির ডিম ৫৬ টাকা। দেশি মুরগির ডিম ৬০ টাকা। হাঁসের ডিম ৬৪ টাকা। কোয়েল পাখির ডিম ১২ টাকা হালি। ইলিশ মাছ বিক্রি হচ্ছে ৪৫০ থেকে ২০০০ টাকা কেজিতে।

তবে এ সপ্তাহে কাঁচামরিচের ঝাঁঝ কিছুটা কমলো। শুক্রবার ঝাল বিক্রি হয় ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজিতে। যা গত সপ্তাহে বিক্রি হয় ১২০ থেকে ১৪০ টাকায়। কিন্তু চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে গ্রীষ্মকালীন সবজি। বরবটি ১০০ টাকা কেজি। সজনে ১০০ থেকে ১২০ টাকা। উচ্ছে, ঝিঙ্গে ও ঢেঁড়স ৮০ টাকা। পটল ও এঁচোড় ৬০ টাকা। কচুর লতি বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকা দরে। লাউ প্রতি পিস ৪০ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বেগুন ৫০ থেকে ৬০ টাকা। শশা ৪০ থেকে ৬০, কাঁচকলা ৩০ থেকে ৪০, মিষ্টি কুমড়া ৩০, পেঁপে ২০ থেকে ২৫, পুঁইশাক ৩০, আলু বিক্রি হচ্ছে ১৮ থেকে ২০ টাকা কেজিতে। শীতকালীন সবজির মধ্য বাধাকপি ২০ থেকে ২৫ টাকা। শিম ৪০, গাজর ৩০ থেকে ৪০, মুলা ৪০, পালং শাক ১৫ টাকা আঁটি, টমেটো ২০ থেকে ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

চাল বাজারে প্রতি কেজি স্বর্ণা চাল বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৪৬ টাকা কেজিতে। আঠাশ ও কাজললতা ৫০ থেকে ৫৪ টাকা। মিনিকেট ৬০ থেকে ৬৫ টাকা। বাসমতি ৬৮ থেকে ৭২ টাকা। নাজিরশাইল ৭২ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মশলা বাজারে জিরা বিক্রি হচ্ছে ৬০০ থেকে ৮২০ টাকা কেজিতে। লবঙ্গ ১৫০০ থেকে ২২০০ টাকা। দারুচিনি ৪৮০ টাকা। এলাচ ১৮০০ থেকে ৩২০০ টাকা। রসুন ৮০ থেকে ১৬০ টাকা। আদা ১২০ থেকে ২০০ টাকা। পেঁয়াজ ২৫ থেকে ৪০ টাকা কেজি।

প্রতি কেজি চিনি বিক্রি হচ্ছে ১১৫ থেকে ১৪০ টাকায়। লবণ ৪০ টাকা। খোলা আটা ৬০ টাকা কেজি। প্যাকেট আটা ৬৫ টাকা। খোলা ময়দা ৬৫ টাকা। প্যাকেট ময়দা ৭৫ টাকা। খোলা সয়াবিন তেল ১৮৫ টাকা কেজি। বোতলজাত সয়াবিন তেল ১৮৭ টাকা লিটার। বুটের ডাল ৭০ টাকা কেজি। ছোলার ডাল ৯০ টাকা। মসুরের ডাল ৯৫ থেকে ১৪০ টাকা কেজি। মুগ ডাল ১০০ থেকে ১৩০ টাকা কেজি।