চুয়াডাঙ্গা ০৭:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আলমডাঙ্গা বধ্যভূমিতে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভ অবমাননার অভিযোগ সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও নিয়ে নিন্দার ঝড়

Padma Sangbad
১৩৯

আলমডাঙ্গা চুয়াডাঙ্গা সংবাদদাতা।।
আলমডাঙ্গা বধ্যভূমিতে মুক্তিযুদ্ধের এক নির্যাতিতা নারীর প্রতিকৃতি অবমাননার অভিযোগ উঠেছে। প্রতিকৃতির মুখে বিভিন্ন বস্তু গুঁজে দেওয়া এবং মাথার চারপাশে ঘাস-লতা সাজিয়ে সেটিকে ব্যঙ্গাত্মকভাবে উপস্থাপনের পাশাপাশি পুরো ঘটনাটি ভিডিও ধারণ করে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। গত শুক্রবার রাতে একটি ফেসবুক পেজে গান সংযুক্ত করে ভিডিওটি প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। অনেকেই এটিকে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি, শহীদ এবং নির্যাতিত মানুষের আত্মত্যাগের প্রতি অসম্মানজনক আচরণ বলে মন্তব্য করেছেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য, যে বধ্যভূমিতে মানুষ শহীদদের স্মরণে শ্রদ্ধা জানাতে আসে, সেই পবিত্র স্থানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তাদের মতে, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও স্মৃতিচিহ্ন নিয়ে অবমাননাকর আচরণ জাতীয় চেতনার পরিপন্থী।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভিডিওতে দেখা যাওয়া দুই যুবকের বাড়ি কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার বাজিতপুর গ্রামে। তাদের একজন তাসমির (১৮), পিতা বাপ্প, অপরজন শাওন (১৮), পিতা উজ্জ্বল।
এ ঘটনায় স্থানীয় সচেতন মহল সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভ ও বধ্যভূমি শুধু একটি স্থাপনা নয়; এটি জাতির আত্মত্যাগ, বেদনা ও গৌরবের প্রতীক। তাই এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

আপডেট : ০৪:৫০:৪৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬

আলমডাঙ্গা বধ্যভূমিতে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভ অবমাননার অভিযোগ সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও নিয়ে নিন্দার ঝড়

আপডেট : ০৪:৫০:৪৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬
১৩৯

আলমডাঙ্গা চুয়াডাঙ্গা সংবাদদাতা।।
আলমডাঙ্গা বধ্যভূমিতে মুক্তিযুদ্ধের এক নির্যাতিতা নারীর প্রতিকৃতি অবমাননার অভিযোগ উঠেছে। প্রতিকৃতির মুখে বিভিন্ন বস্তু গুঁজে দেওয়া এবং মাথার চারপাশে ঘাস-লতা সাজিয়ে সেটিকে ব্যঙ্গাত্মকভাবে উপস্থাপনের পাশাপাশি পুরো ঘটনাটি ভিডিও ধারণ করে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। গত শুক্রবার রাতে একটি ফেসবুক পেজে গান সংযুক্ত করে ভিডিওটি প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। অনেকেই এটিকে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি, শহীদ এবং নির্যাতিত মানুষের আত্মত্যাগের প্রতি অসম্মানজনক আচরণ বলে মন্তব্য করেছেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য, যে বধ্যভূমিতে মানুষ শহীদদের স্মরণে শ্রদ্ধা জানাতে আসে, সেই পবিত্র স্থানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তাদের মতে, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও স্মৃতিচিহ্ন নিয়ে অবমাননাকর আচরণ জাতীয় চেতনার পরিপন্থী।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভিডিওতে দেখা যাওয়া দুই যুবকের বাড়ি কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার বাজিতপুর গ্রামে। তাদের একজন তাসমির (১৮), পিতা বাপ্প, অপরজন শাওন (১৮), পিতা উজ্জ্বল।
এ ঘটনায় স্থানীয় সচেতন মহল সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভ ও বধ্যভূমি শুধু একটি স্থাপনা নয়; এটি জাতির আত্মত্যাগ, বেদনা ও গৌরবের প্রতীক। তাই এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।