চুয়াডাঙ্গা ১১:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আশুলিয়ায় শারমিন গ্রুপের কর্মকর্তার রহস্যজনক মৃত্যু: স্বজনদের দাবি হত্যা, তদন্তে পুলিশ

Padma Sangbad
৪৫

মোঃ আক্তার আলী আশুলিয়া প্রতিনিধি:

সাভারের আশুলিয়ার নরসিংহপুর এলাকায় শীর্ষস্থানীয় পোশাক প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান শারমিন গ্রুপের কারখানার ছাদ থেকে পড়ে মো. জামাল উদ্দিন (৩৯) নামের এক কর্মকর্তার রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। কারখানা কর্তৃপক্ষ ঘটনাটিকে ‘আত্মহত্যা’ বলে দাবি করলেও নিহতের পরিবারের অভিযোগ এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড।

নিহত মো. জামাল উদ্দিন গাজীপুর সদর উপজেলার বুরুলিয়া এলাকার মৃত সেকেন্দার আলীর ছেলে। তিনি শারমিন গ্রুপের ৩ নম্বর ডিভিশনে সিনিয়র মার্চেন্ডাইজার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কারখানার উঁচুতলা থেকে নিচে পড়ে গুরুতর আহত অবস্থায় জামাল উদ্দিনকে উদ্ধার করে আশুলিয়া নারী ও শিশু হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। প্রাথমিক সুরতহাল প্রতিবেদনে নিহতের শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন ও রক্তক্ষরণের কথা জানানো হয়েছে।

নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার আগের দিন রাতে তিনি কর্মক্ষেত্রে চরম অপমান ও মানসিক চাপের মুখোমুখি হওয়ার কথা স্ত্রীকে জানিয়েছিলেন। সকালে অফিসে যাওয়ার পর থেকেই তার মোবাইল ফোন বন্ধ ছিল। পরবর্তীতে হাসপাতাল থেকে তার মৃত্যুর খবর আসে। স্বজনদের দাবি, কর্মক্ষেত্রের কোন্দলের জেরে তাকে হত্যার পর আত্মহত্যার নাটক সাজানো হচ্ছে।

তবে কারখানা কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, সিসিটিভি ফুটেজে ওই কর্মকর্তাকে ভবনের ছাদের দেয়ালে একা বসে থাকতে এবং পরবর্তীতে নিচে পড়ে যেতে দেখা গেছে।

আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনার মাধ্যমে মৃত্যুর সঠিক কারণ উদঘাটন করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপডেট : ০৯:২৯:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

আশুলিয়ায় শারমিন গ্রুপের কর্মকর্তার রহস্যজনক মৃত্যু: স্বজনদের দাবি হত্যা, তদন্তে পুলিশ

আপডেট : ০৯:২৯:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
৪৫

মোঃ আক্তার আলী আশুলিয়া প্রতিনিধি:

সাভারের আশুলিয়ার নরসিংহপুর এলাকায় শীর্ষস্থানীয় পোশাক প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান শারমিন গ্রুপের কারখানার ছাদ থেকে পড়ে মো. জামাল উদ্দিন (৩৯) নামের এক কর্মকর্তার রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। কারখানা কর্তৃপক্ষ ঘটনাটিকে ‘আত্মহত্যা’ বলে দাবি করলেও নিহতের পরিবারের অভিযোগ এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড।

নিহত মো. জামাল উদ্দিন গাজীপুর সদর উপজেলার বুরুলিয়া এলাকার মৃত সেকেন্দার আলীর ছেলে। তিনি শারমিন গ্রুপের ৩ নম্বর ডিভিশনে সিনিয়র মার্চেন্ডাইজার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কারখানার উঁচুতলা থেকে নিচে পড়ে গুরুতর আহত অবস্থায় জামাল উদ্দিনকে উদ্ধার করে আশুলিয়া নারী ও শিশু হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। প্রাথমিক সুরতহাল প্রতিবেদনে নিহতের শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন ও রক্তক্ষরণের কথা জানানো হয়েছে।

নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার আগের দিন রাতে তিনি কর্মক্ষেত্রে চরম অপমান ও মানসিক চাপের মুখোমুখি হওয়ার কথা স্ত্রীকে জানিয়েছিলেন। সকালে অফিসে যাওয়ার পর থেকেই তার মোবাইল ফোন বন্ধ ছিল। পরবর্তীতে হাসপাতাল থেকে তার মৃত্যুর খবর আসে। স্বজনদের দাবি, কর্মক্ষেত্রের কোন্দলের জেরে তাকে হত্যার পর আত্মহত্যার নাটক সাজানো হচ্ছে।

তবে কারখানা কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, সিসিটিভি ফুটেজে ওই কর্মকর্তাকে ভবনের ছাদের দেয়ালে একা বসে থাকতে এবং পরবর্তীতে নিচে পড়ে যেতে দেখা গেছে।

আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনার মাধ্যমে মৃত্যুর সঠিক কারণ উদঘাটন করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।