চুয়াডাঙ্গা ০৪:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কলকাতায় বাংলাদেশ মিশন ঘেরাওয়ের চেষ্টা, পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি

Padma Sangbad
১২

আন্তর্জাতিক ডেস্ক।।

বাংলাদেশে ‘ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা’ এবং চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের মুক্তির দাবিতে পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশন ঘেরাওয়ের চেষ্টাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। শনিবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। দ্য টেলিগ্রাফ অনলাইন এতথ্য জানিয়েছে।

জানা গেছে, ‘বিবেকানন্দ মিশন সেবা প্রতিষ্ঠান’ এবং রাজনৈতিক দল ‘ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি অব ইন্ডিয়া’ (এনসিপিআই)-এর যৌথ উদ্যোগে বিক্ষোভ ও ঘেরাও কর্মসূচি পালন করা হয়। এসময় একটি মিছিল বের করা হয় । মিছিলে বিবেকানন্দ মিশন সেবা প্রতিষ্ঠানের শতাধিক সন্ন্যাসী-সন্ন্যাসিনী এবং এনসিপিআই-এর অর্ধশতাধিক সমর্থক অংশ নেন। মিছিলটি বাংলাদেশ মিশনের দিকে অগ্রসর হলে নিরাপত্তার স্বার্থে পুলিশ মিশন থেকে প্রায় ৩০০ গজ দূরে শক্ত ব্যারিকেড দিয়ে পথ আটকে দেয়।

বিক্ষোভকারীরা পুলিশের দেওয়া ব্যারিকেড ভেঙে জোরপূর্বক মিশনের দিকে এগোনোর চেষ্টা করলে কলকাতা পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি হয়। এর ফলে কিছুক্ষণ মিশন সংলগ্ন ব্যস্ত সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায় এবং পুরো এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

পুলিশি বাধায় বিক্ষোভকারীরা মিশনের সামনে পৌঁছাতে ব্যর্থ হওয়ার পর ডেপুটি হাইকমিশন কর্তৃপক্ষের অনুমতি সাপেক্ষে ৫ জনের একটি প্রতিনিধি দলকে ভেতরে যাওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়। প্রতিনিধি দলটি ডেপুটি হাইকমিশনে প্রবেশ করে বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা বিধান এবং চিন্ময় কৃষ্ণের মুক্তির দাবি সম্বলিত একটি স্মারকলিপি পেশ করে। এরপর আন্দোলনকারীরা মিশন চত্বর ত্যাগ করেন।

আপডেট : ১০:২৮:৫৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬

কলকাতায় বাংলাদেশ মিশন ঘেরাওয়ের চেষ্টা, পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি

আপডেট : ১০:২৮:৫৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬
১২

আন্তর্জাতিক ডেস্ক।।

বাংলাদেশে ‘ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা’ এবং চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের মুক্তির দাবিতে পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশন ঘেরাওয়ের চেষ্টাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। শনিবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। দ্য টেলিগ্রাফ অনলাইন এতথ্য জানিয়েছে।

জানা গেছে, ‘বিবেকানন্দ মিশন সেবা প্রতিষ্ঠান’ এবং রাজনৈতিক দল ‘ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি অব ইন্ডিয়া’ (এনসিপিআই)-এর যৌথ উদ্যোগে বিক্ষোভ ও ঘেরাও কর্মসূচি পালন করা হয়। এসময় একটি মিছিল বের করা হয় । মিছিলে বিবেকানন্দ মিশন সেবা প্রতিষ্ঠানের শতাধিক সন্ন্যাসী-সন্ন্যাসিনী এবং এনসিপিআই-এর অর্ধশতাধিক সমর্থক অংশ নেন। মিছিলটি বাংলাদেশ মিশনের দিকে অগ্রসর হলে নিরাপত্তার স্বার্থে পুলিশ মিশন থেকে প্রায় ৩০০ গজ দূরে শক্ত ব্যারিকেড দিয়ে পথ আটকে দেয়।

বিক্ষোভকারীরা পুলিশের দেওয়া ব্যারিকেড ভেঙে জোরপূর্বক মিশনের দিকে এগোনোর চেষ্টা করলে কলকাতা পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি হয়। এর ফলে কিছুক্ষণ মিশন সংলগ্ন ব্যস্ত সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায় এবং পুরো এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

পুলিশি বাধায় বিক্ষোভকারীরা মিশনের সামনে পৌঁছাতে ব্যর্থ হওয়ার পর ডেপুটি হাইকমিশন কর্তৃপক্ষের অনুমতি সাপেক্ষে ৫ জনের একটি প্রতিনিধি দলকে ভেতরে যাওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়। প্রতিনিধি দলটি ডেপুটি হাইকমিশনে প্রবেশ করে বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা বিধান এবং চিন্ময় কৃষ্ণের মুক্তির দাবি সম্বলিত একটি স্মারকলিপি পেশ করে। এরপর আন্দোলনকারীরা মিশন চত্বর ত্যাগ করেন।