চুয়াডাঙ্গা ১২:৫৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কাগজ কেটে শিশুদের শরৎকে ফুঁটিয়ে তোলার দৃশ্য দেখে হতবাক হন দর্শনার্থীরা

Padma Sangbad
৯৬

অনলাইন ডেস্ক।।

কাগজ কেটে শিশুদের শরৎকে ফুঁটিয়ে তোলার দৃশ্য দেখে হতবাক হন দর্শনার্থীরাশরতের শেষ বিকেলে স্নিগ্ধ আলোয় সবুজ প্রান্তরে একদল শিশু ব্যস্ত কাগজ কাটায়। শিশু হলেও জটিল এক কাজ দেয়া হয় তাদের। সাদা আর্ট পেপারে রঙিন কাগজ কেটে বসিয়ে ফুঁটিয়ে তুলতে হবে শরৎকালকে। আর তাই শরতের সবটুকু সৌন্দর্য ফুঁটিয়ে তোলার চেষ্টায় রত শিশুরা। শরতের সৌন্দর্য ফুঁটিয়ে তুলে ধরতে কেউ ব্যস্ত রঙ বেরঙয়ের কাগজ কাটায়, কেউ ব্যস্ত সাদা আর্ট পেপারে কাটা রঙিন কাগজ সেট করার কাজে। ষড়ঋতুর বাংলাদেশে বসন্ত ঋতুরাজ হলেও সৌন্দর্যে কোনো অংশে কম না শরৎ। কাশবনের শুভ্রতা, সবুজ ঘাসে ভোরের শিশিরের বিন্দু, নীল আকাশে সাদা মেঘের ভেলা নতুনত্ব আনে যান্ত্রিক জীবনে, দূর করে দেয় ক্লান্তি। আর এ শরতের সবটুকু সৌন্দর্য কাগজে কেটে ফুঁটিয়ে তোলা সহজ কাজ না। সাদা কাগজে নীল রঙের কাগজ কেটে নীল আকাশ, কাশবন, সবুজ ঘাস নিপুণ হাতে তৈরি করে দেখিয়েছে শরতের বাংলাদেশকে। জটিল ও কঠিন কাজটিই অত্যন্ত মনোযোগ সহকারে করে দেখিয়েছে পাঁচ থেকে আট বছর বয়সী শিশুরা। শিশুদের শৈল্পিক ও সৃজনশীল কাজ দেখে দর্শনার্থীরাও হতবাক।
করোনার আগ্রাসী থাবায় যশোরের সাংস্কৃতিক অঙ্গন নিষ্প্রাণ হয়ে যায়। তবে, আবারও স্বরূপে ফিরেছে চারুপীঠ। তারই বহিঃপ্রকাশ ঘটে শনিবার যশোরের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যর প্রতিষ্ঠান ও মঙ্গল শোভাযাত্রার পথিকৃত চারুপীঠ আর্ট এন্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউট যশোর। শনিবার প্রতিষ্ঠানটির সবুজ চত্বরে অনুষ্ঠিত হয় শিক্ষার্থীদের পেপার কোলাজ বিষয়ক এক কর্মশালা। ঘণ্টাব্যাপী এ কর্মশালায় মোট ৬০জন শিশু শিক্ষার্থী অংশ নেয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চারুপীঠ সভাপতি হারুন অর রশিদ, সাধারণ সম্পাদক মামুনুর রশিদ ও সদস্য সায়েদা বানু শিল্পী। কর্মশালায় প্রশিক্ষক ছিলেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা শিক্ষক সান্ত¡না শাহ্রিন নিনি। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন চারুপীঠ শিক্ষক শামীমা আক্তার সীমা, দেবব্রত দাস, শারমীন আক্তার ও টুম্পা তানজীদা।

কর্মশালার বিষয়ে প্রশিক্ষক ও খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা শিক্ষক সান্তনা শাহ্রিন নিনি বলেন, পেপার কোলাজ চারুপীঠের শিশুদের জন্য একটি নতুন কনসেপ্ট। ওরা সফলভাবে এটা করে দেখিয়েছে। ওদের মধ্যে কতটুকু প্রতিভা বা সৃজনশীলতা আছে এ কর্মশালায় ওরা তা তুলে ধরেছে। আমি অত্যন্ত আনন্দিত ওদের কাজ দেখে। সাধারণ সম্পাদক মামুনুর রশিদ বলেন, চারুপীঠ শিল্পী তৈরিতে বরাবরই ভূমিকা রেখে এসেছে। শিল্পীর শিল্পীমনের প্রকাশই আমাদের লক্ষ্য। গতানুগতিকতার বাইরে গিয়ে কিছু শেখানোর প্রচেষ্টায় আমাদের এ প্রয়াস। শিশুদের সৃজনশীলতা, মেধা ও মননশীলতার প্রকাশ ঘটেছে এ কর্মশালায়। শিশুরা ওদের কল্পনা শক্তিকে ফুঁটিয়ে তুলেছে আমাদের এ ব্যতিক্রমী আয়োজনে। আগামীতেও এমন আয়োজন অব্যাহত থাকবে।

আপডেট : ১২:২৫:২০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২

কাগজ কেটে শিশুদের শরৎকে ফুঁটিয়ে তোলার দৃশ্য দেখে হতবাক হন দর্শনার্থীরা

আপডেট : ১২:২৫:২০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২
৯৬

অনলাইন ডেস্ক।।

কাগজ কেটে শিশুদের শরৎকে ফুঁটিয়ে তোলার দৃশ্য দেখে হতবাক হন দর্শনার্থীরাশরতের শেষ বিকেলে স্নিগ্ধ আলোয় সবুজ প্রান্তরে একদল শিশু ব্যস্ত কাগজ কাটায়। শিশু হলেও জটিল এক কাজ দেয়া হয় তাদের। সাদা আর্ট পেপারে রঙিন কাগজ কেটে বসিয়ে ফুঁটিয়ে তুলতে হবে শরৎকালকে। আর তাই শরতের সবটুকু সৌন্দর্য ফুঁটিয়ে তোলার চেষ্টায় রত শিশুরা। শরতের সৌন্দর্য ফুঁটিয়ে তুলে ধরতে কেউ ব্যস্ত রঙ বেরঙয়ের কাগজ কাটায়, কেউ ব্যস্ত সাদা আর্ট পেপারে কাটা রঙিন কাগজ সেট করার কাজে। ষড়ঋতুর বাংলাদেশে বসন্ত ঋতুরাজ হলেও সৌন্দর্যে কোনো অংশে কম না শরৎ। কাশবনের শুভ্রতা, সবুজ ঘাসে ভোরের শিশিরের বিন্দু, নীল আকাশে সাদা মেঘের ভেলা নতুনত্ব আনে যান্ত্রিক জীবনে, দূর করে দেয় ক্লান্তি। আর এ শরতের সবটুকু সৌন্দর্য কাগজে কেটে ফুঁটিয়ে তোলা সহজ কাজ না। সাদা কাগজে নীল রঙের কাগজ কেটে নীল আকাশ, কাশবন, সবুজ ঘাস নিপুণ হাতে তৈরি করে দেখিয়েছে শরতের বাংলাদেশকে। জটিল ও কঠিন কাজটিই অত্যন্ত মনোযোগ সহকারে করে দেখিয়েছে পাঁচ থেকে আট বছর বয়সী শিশুরা। শিশুদের শৈল্পিক ও সৃজনশীল কাজ দেখে দর্শনার্থীরাও হতবাক।
করোনার আগ্রাসী থাবায় যশোরের সাংস্কৃতিক অঙ্গন নিষ্প্রাণ হয়ে যায়। তবে, আবারও স্বরূপে ফিরেছে চারুপীঠ। তারই বহিঃপ্রকাশ ঘটে শনিবার যশোরের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যর প্রতিষ্ঠান ও মঙ্গল শোভাযাত্রার পথিকৃত চারুপীঠ আর্ট এন্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউট যশোর। শনিবার প্রতিষ্ঠানটির সবুজ চত্বরে অনুষ্ঠিত হয় শিক্ষার্থীদের পেপার কোলাজ বিষয়ক এক কর্মশালা। ঘণ্টাব্যাপী এ কর্মশালায় মোট ৬০জন শিশু শিক্ষার্থী অংশ নেয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চারুপীঠ সভাপতি হারুন অর রশিদ, সাধারণ সম্পাদক মামুনুর রশিদ ও সদস্য সায়েদা বানু শিল্পী। কর্মশালায় প্রশিক্ষক ছিলেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা শিক্ষক সান্ত¡না শাহ্রিন নিনি। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন চারুপীঠ শিক্ষক শামীমা আক্তার সীমা, দেবব্রত দাস, শারমীন আক্তার ও টুম্পা তানজীদা।

কর্মশালার বিষয়ে প্রশিক্ষক ও খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা শিক্ষক সান্তনা শাহ্রিন নিনি বলেন, পেপার কোলাজ চারুপীঠের শিশুদের জন্য একটি নতুন কনসেপ্ট। ওরা সফলভাবে এটা করে দেখিয়েছে। ওদের মধ্যে কতটুকু প্রতিভা বা সৃজনশীলতা আছে এ কর্মশালায় ওরা তা তুলে ধরেছে। আমি অত্যন্ত আনন্দিত ওদের কাজ দেখে। সাধারণ সম্পাদক মামুনুর রশিদ বলেন, চারুপীঠ শিল্পী তৈরিতে বরাবরই ভূমিকা রেখে এসেছে। শিল্পীর শিল্পীমনের প্রকাশই আমাদের লক্ষ্য। গতানুগতিকতার বাইরে গিয়ে কিছু শেখানোর প্রচেষ্টায় আমাদের এ প্রয়াস। শিশুদের সৃজনশীলতা, মেধা ও মননশীলতার প্রকাশ ঘটেছে এ কর্মশালায়। শিশুরা ওদের কল্পনা শক্তিকে ফুঁটিয়ে তুলেছে আমাদের এ ব্যতিক্রমী আয়োজনে। আগামীতেও এমন আয়োজন অব্যাহত থাকবে।