চুয়াডাঙ্গা ১১:৫২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুষ্টিয়ায় সাহেব আলী হত্যা মামলায় ১২ জনের যাবজ্জীবন

Padma Sangbad
১০২

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি:

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে সাহেব আলী হত্যা মামলায় ১২ আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) দুপুরে কুষ্টিয়া জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক নাদিরা সুলতানা আসামিদের উপস্থিতিতে এই রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার চাপড়া গ্রামের মোজাম্মেল হোসেন, আইন উদ্দিন, আকতার হোসেন, সাবু, সোহাগ, শরিফুল ইসলাম, বিপুল, বদর উদ্দিন, আফসার শেখ, সুমিন, সেলিম ও আবু। এছাড়া অপর দুই আসামি জুলু ও রাহুলকে দুই বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড এবং পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আদালত সাতজনকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ২০১৩ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি রাতে সাহেব আলীকে হত্যা করা হয়। পরে কুমারখালীর চর-চাপড়া গ্রামের একটি কলাবাগানের ভেতর থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

এই ঘটনায় নিহতের ছোট ভাই আহম্মদ আলী ওরফে আকম আলী বাদী হয়ে কুমারখালী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্ত শেষে ২০১৩ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর ২১ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেছিলেন তদন্ত কর্মকর্তা। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত এই রায় দেন।

আপডেট : ১২:০২:৩২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬

কুষ্টিয়ায় সাহেব আলী হত্যা মামলায় ১২ জনের যাবজ্জীবন

আপডেট : ১২:০২:৩২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
১০২

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি:

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে সাহেব আলী হত্যা মামলায় ১২ আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) দুপুরে কুষ্টিয়া জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক নাদিরা সুলতানা আসামিদের উপস্থিতিতে এই রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার চাপড়া গ্রামের মোজাম্মেল হোসেন, আইন উদ্দিন, আকতার হোসেন, সাবু, সোহাগ, শরিফুল ইসলাম, বিপুল, বদর উদ্দিন, আফসার শেখ, সুমিন, সেলিম ও আবু। এছাড়া অপর দুই আসামি জুলু ও রাহুলকে দুই বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড এবং পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আদালত সাতজনকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ২০১৩ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি রাতে সাহেব আলীকে হত্যা করা হয়। পরে কুমারখালীর চর-চাপড়া গ্রামের একটি কলাবাগানের ভেতর থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

এই ঘটনায় নিহতের ছোট ভাই আহম্মদ আলী ওরফে আকম আলী বাদী হয়ে কুমারখালী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্ত শেষে ২০১৩ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর ২১ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেছিলেন তদন্ত কর্মকর্তা। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত এই রায় দেন।