চুয়াডাঙ্গা ০২:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কোটচাঁদপুর পৌরসভায় দূর্ধর্ষ চুরি

Padma Sangbad
৭৫

মোঃ শহিদুল ইসলাম, কোটচাঁদপুর প্রতিনিধি।

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর পৌরসভা ভবনের দ্বিতীয় তলায় দূর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে।
শনিবার দিবাগত রাতেচোর চক্র পৌরসভার ব্যবহৃত মই দিয়ে দ্বিতীয় তলার মূল ভবনের গ্রিল কেটে ভেতরে প্রবেশ করে। এসময় হিসাব রক্ষকের রুমের তালা ভেঙ্গে নগদ অর্থ ও কম্পিউটার পিসি চুরি করে পালিয়ে যায়।

হিসাব রক্ষক আল-মাউন কাঞ্চন জানান, রবিবার সকাল সাড়ে ৮ টার দিকে অফিস সহকারি বাবুল হোসেন পৌর ভবনের দ্বিতীয় তলায় গিয়ে আমার রুমের তালা ভাঙ্গা ও ভিতরে অফিসের কাগজ পত্র এলোমেলো ভাবে পড়ে থাকতে দেখে আমাকে ফোন করে। আমি বিষয়টি মেয়রকে জানায়। চোরেরা আমার অফিস কক্ষের তিনটি আলমারী ও টেবিলের ডয়ারের তালা ভাঙ্গচুর করে। আলমারীতে থাকা নগদ ৮৫ হাজার টাকা ও একটি কম্পিউটার পিসি নিয়ে যায়। এছাড়া অতিথি ভবনের তালা ভেঙ্গে কাগজ-পত্র তছনছ করে।

বিশ্বস্ত একটি সূত্র জানায়, বর্তমান মেয়রের আগেও হিসাব রক্ষকের রুমে দুইবার চুরির ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে কোটচাঁদপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মঈন উদ্দিন, পৌর ফাড়ি ইনচার্জ আক্তারুজ্জামান লিটন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পুলিশ চুরির ঘটনার সাথে জড়িত থাকার সন্দেহে পৌরসভার নৈশ প্রহরী ফিরোজ (৪৫) কে আটক করে। এঘটনায় পৌর সচিব এ.এফ.এম. ইনামুল হক বাদী হয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।

এব্যাপারে পৌর মেয়র সহিদুজ্জামান সেলিমের সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, নিয়মিত নৈশ প্রহরী থাকার পরও চুরির বিষয়টি সন্দেহ জনক। পুলিশ তাকে আটক করেছে। হয়ত চুরির মোটিভ উদ্ধার হবে।

আপডেট : ০৭:৩৫:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২১

কোটচাঁদপুর পৌরসভায় দূর্ধর্ষ চুরি

আপডেট : ০৭:৩৫:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২১
৭৫

মোঃ শহিদুল ইসলাম, কোটচাঁদপুর প্রতিনিধি।

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর পৌরসভা ভবনের দ্বিতীয় তলায় দূর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে।
শনিবার দিবাগত রাতেচোর চক্র পৌরসভার ব্যবহৃত মই দিয়ে দ্বিতীয় তলার মূল ভবনের গ্রিল কেটে ভেতরে প্রবেশ করে। এসময় হিসাব রক্ষকের রুমের তালা ভেঙ্গে নগদ অর্থ ও কম্পিউটার পিসি চুরি করে পালিয়ে যায়।

হিসাব রক্ষক আল-মাউন কাঞ্চন জানান, রবিবার সকাল সাড়ে ৮ টার দিকে অফিস সহকারি বাবুল হোসেন পৌর ভবনের দ্বিতীয় তলায় গিয়ে আমার রুমের তালা ভাঙ্গা ও ভিতরে অফিসের কাগজ পত্র এলোমেলো ভাবে পড়ে থাকতে দেখে আমাকে ফোন করে। আমি বিষয়টি মেয়রকে জানায়। চোরেরা আমার অফিস কক্ষের তিনটি আলমারী ও টেবিলের ডয়ারের তালা ভাঙ্গচুর করে। আলমারীতে থাকা নগদ ৮৫ হাজার টাকা ও একটি কম্পিউটার পিসি নিয়ে যায়। এছাড়া অতিথি ভবনের তালা ভেঙ্গে কাগজ-পত্র তছনছ করে।

বিশ্বস্ত একটি সূত্র জানায়, বর্তমান মেয়রের আগেও হিসাব রক্ষকের রুমে দুইবার চুরির ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে কোটচাঁদপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মঈন উদ্দিন, পৌর ফাড়ি ইনচার্জ আক্তারুজ্জামান লিটন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পুলিশ চুরির ঘটনার সাথে জড়িত থাকার সন্দেহে পৌরসভার নৈশ প্রহরী ফিরোজ (৪৫) কে আটক করে। এঘটনায় পৌর সচিব এ.এফ.এম. ইনামুল হক বাদী হয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।

এব্যাপারে পৌর মেয়র সহিদুজ্জামান সেলিমের সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, নিয়মিত নৈশ প্রহরী থাকার পরও চুরির বিষয়টি সন্দেহ জনক। পুলিশ তাকে আটক করেছে। হয়ত চুরির মোটিভ উদ্ধার হবে।