চুয়াডাঙ্গা ১০:৩২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খেলা হবে দিবসে যুবদের উত্তেজনা দেখে আপ্লুত!খেলোয়াড়দের স্বপ্ন পূরণের আশ্বাস মমতার

Padma Sangbad
১৭৯

অনলাইন ডেস্ক।
খেলা হবে দিবসে বাংলার যুবকর উত্তেজনা দেখে আপ্লুত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়! “খেলাধুলায় যুবদের উৎসাহী অংশগ্রহণ ও উদ্যোগ প্রশংসনীয়। পশ্চিমবঙ্গ সরকার তাঁদের সামগ্রিক উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেওয়া এবং তাঁদের স্বপ্নকে সমর্থন করার প্রয়াস অব্যাহত রাখবে,” এই বার্তা লিখে সারা রাজ্যে খেলা হবে দিবস পালনের একটি ভিডিও ট্যুইট করা হয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর তরফে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে ১৬ অগাস্ট রাজ্যজুড়ে ‘খেলা হবে’ দিবস পালিত হয়েছে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনার সঙ্গে। মূল অনুষ্ঠানটি ছিল নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে। ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস থেকে শুরু করে ক্রীড়া দফতরের রাষ্ট্রমন্ত্রী মনোজ তিওয়ারি-সহ বিভিন্ন স্তরের মানুষজন অংশ নেন এদিনের অনুষ্ঠানে।

গত রবিবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, “১৬ অগাস্ট থেকে আন্দোলন আবার শুরু হবে। খেলা হবে দিবস। মিছিল, মিটিং, প্রতিবাদ, প্রতিরোধ, কাজকর্মও করবেন। রাস্তায় নামতে হবে। রাস্তাই আমাদের রাস্তা দেখাবে। তাই নতুন করে আরেকটা রাজনৈতিক যুদ্ধ শুরু হবে। সেই যুদ্ধটা হবে খেলা হবে দিবস থেকে। খেলা হবে, সকলে খেলা হবে দিবসে অংশগ্রহণও করবেন। একটু খেলাধুলো করবেন। খেলতে খেলতে রাস্তায় মিছিল করুন না… ভাল লাগবে।”

সেই কথা মতোই মঙ্গলবার রাস্তায় নামেন তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীরা। রাজ্যের একাধিক জায়গায় শাসক দলের নেতা নেত্রীরা রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ মিছিল করছেন। মিছিলের উদ্দেশ্য, কেন্দ্রীয় সংস্থার নিরপেক্ষতার প্রশ্নে সরব হওয়া এবং মূল্যবৃদ্ধির মতো বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের নীরবতাকে চ্যালেঞ্জ।

এদিনের অনুষ্ঠানে কমনওয়েলথ গেমসে বাংলার দুই সফল ক্রীড়াবিদ স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত অচিন্ত্য শিউলি ও ব্রোঞ্জপদকপ্রাপ্ত সৌরভ ঘোষালকে বিশেষ সম্মান জানানো হয়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে ক্রীড়া ও যুব কল্যাণ দফতরের পক্ষ থেকে তাঁদের হাতে তুলে দেওয়া হয় আর্থিক সাহায্যও।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, রাজ্য সরকারের উদ্যোগে ‘খেলা হবে’ দিবস শুধুমাত্র নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামই নয়, রাজ্যের ৩৪৫ টি ব্লক, ১১৯ টি পুরসভা, ৬ টি পুরনিগম, কলকাতা পুরসভা এলাকার ১৪৪ টি ওয়ার্ড, ২৩ টি জেলা সদর, জিটিএ এবং আইএফএ অনুমোদিত ক্লাব ও সংস্থায় একযোগে পালিত হয় নানান অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে।
সুত্রঃ আনন্দ বাজার।

আপডেট : ০৬:৫৪:৪১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ অগাস্ট ২০২২

খেলা হবে দিবসে যুবদের উত্তেজনা দেখে আপ্লুত!খেলোয়াড়দের স্বপ্ন পূরণের আশ্বাস মমতার

আপডেট : ০৬:৫৪:৪১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ অগাস্ট ২০২২
১৭৯

অনলাইন ডেস্ক।
খেলা হবে দিবসে বাংলার যুবকর উত্তেজনা দেখে আপ্লুত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়! “খেলাধুলায় যুবদের উৎসাহী অংশগ্রহণ ও উদ্যোগ প্রশংসনীয়। পশ্চিমবঙ্গ সরকার তাঁদের সামগ্রিক উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেওয়া এবং তাঁদের স্বপ্নকে সমর্থন করার প্রয়াস অব্যাহত রাখবে,” এই বার্তা লিখে সারা রাজ্যে খেলা হবে দিবস পালনের একটি ভিডিও ট্যুইট করা হয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর তরফে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে ১৬ অগাস্ট রাজ্যজুড়ে ‘খেলা হবে’ দিবস পালিত হয়েছে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনার সঙ্গে। মূল অনুষ্ঠানটি ছিল নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে। ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস থেকে শুরু করে ক্রীড়া দফতরের রাষ্ট্রমন্ত্রী মনোজ তিওয়ারি-সহ বিভিন্ন স্তরের মানুষজন অংশ নেন এদিনের অনুষ্ঠানে।

গত রবিবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, “১৬ অগাস্ট থেকে আন্দোলন আবার শুরু হবে। খেলা হবে দিবস। মিছিল, মিটিং, প্রতিবাদ, প্রতিরোধ, কাজকর্মও করবেন। রাস্তায় নামতে হবে। রাস্তাই আমাদের রাস্তা দেখাবে। তাই নতুন করে আরেকটা রাজনৈতিক যুদ্ধ শুরু হবে। সেই যুদ্ধটা হবে খেলা হবে দিবস থেকে। খেলা হবে, সকলে খেলা হবে দিবসে অংশগ্রহণও করবেন। একটু খেলাধুলো করবেন। খেলতে খেলতে রাস্তায় মিছিল করুন না… ভাল লাগবে।”

সেই কথা মতোই মঙ্গলবার রাস্তায় নামেন তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীরা। রাজ্যের একাধিক জায়গায় শাসক দলের নেতা নেত্রীরা রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ মিছিল করছেন। মিছিলের উদ্দেশ্য, কেন্দ্রীয় সংস্থার নিরপেক্ষতার প্রশ্নে সরব হওয়া এবং মূল্যবৃদ্ধির মতো বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের নীরবতাকে চ্যালেঞ্জ।

এদিনের অনুষ্ঠানে কমনওয়েলথ গেমসে বাংলার দুই সফল ক্রীড়াবিদ স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত অচিন্ত্য শিউলি ও ব্রোঞ্জপদকপ্রাপ্ত সৌরভ ঘোষালকে বিশেষ সম্মান জানানো হয়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে ক্রীড়া ও যুব কল্যাণ দফতরের পক্ষ থেকে তাঁদের হাতে তুলে দেওয়া হয় আর্থিক সাহায্যও।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, রাজ্য সরকারের উদ্যোগে ‘খেলা হবে’ দিবস শুধুমাত্র নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামই নয়, রাজ্যের ৩৪৫ টি ব্লক, ১১৯ টি পুরসভা, ৬ টি পুরনিগম, কলকাতা পুরসভা এলাকার ১৪৪ টি ওয়ার্ড, ২৩ টি জেলা সদর, জিটিএ এবং আইএফএ অনুমোদিত ক্লাব ও সংস্থায় একযোগে পালিত হয় নানান অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে।
সুত্রঃ আনন্দ বাজার।