চুয়াডাঙ্গা ০৩:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গুজব ঠেকাতে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ

Padma Sangbad
১৬

অনলাইন ডেস্ক।।
শারদীয় দুর্গাপূজা ঘিরে ব্যাপক নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। গত বছরের মতো এবারও চার ধাপে পূজার নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে পুলিশ। ধাপগুলো হলো— পূর্বপ্রস্তুতি, পূজা চলাকালীন নিরাপত্তা, প্রতিমা বিসর্জন এবং বিসর্জন-পরবর্তী নিরাপত্তা। এ লক্ষ্যে পুলিশের সব জেলা ও মহানগর ইউনিটকে বিশেষ নিরাপত্তা পরিকল্পনা প্রণয়নের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কোনো ধাপেই যাতে নিরাপত্তায় ঘাটতি না থাকে, তা পুলিশ সদর দপ্তর থেকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদারকি করা হবে। এ জন্য পুলিশ সদর দপ্তরের অপারেশন কন্ট্রোল অ্যান্ড মনিটরিং সেন্টারের অধীনে একটি যৌথ সমন্বয় সেল খোলা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানায়, ইতোমধ্যে ঢাকা মহানগর পুলিশসহ (ডিএমপি) পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট দুর্গাপূজার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অধীনস্থ থানাগুলোকে একগুচ্ছ নির্দেশনা দিয়েছে। মঙ্গলবার শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দীন আহমদের সভাপতিত্বে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সামাজিক মাধ্যমে অপতথ্য ও গুজব ছড়িয়ে কেউ যাতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাতে না পারে, সে বিষয়ে ৫০ থানার পুলিশকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগসহ নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনগুলোর তৎপরতার ওপর কঠোর গোয়েন্দা নজরদারি বাড়াতে বলা হয়েছে। ঢাকার প্রতিটি পূজামণ্ডপে এবার প্রথমবারের মতো বডিওর্ন ক্যামেরা ব্যবহার করবে পুলিশ।

আগামী ১৬ অক্টোবর মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। ২১ অক্টোবর বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে পাঁচ দিনব্যাপী পূজার আনুষ্ঠানিকতা শেষ হবে। পূজার সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যালোচনায় আগামী রবিবার পুলিশ সদর দপ্তরে বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। ওই বৈঠক থেকে মাঠপর্যায়ের পুলিশ সদস্যদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হবে।

গত বছর সারাদেশে ৩১ হাজার ৫৭৬টি পূজামণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়। এবার এ সংখ্যা বেড়ে প্রায় সাড়ে ৩২ হাজারে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে ঢাকার ৫০টি থানার আওতাধীন এলাকায় ২৫৮টি মণ্ডপে পূজা অনুষ্ঠিত হবে। নিরাপত্তার স্বার্থে মণ্ডপগুলোকে অধিক গুরুত্বপূর্ণ, গুরুত্বপূর্ণ ও সাধারণ— এই তিন শ্রেণিতে ভাগ করা হচ্ছে। অধিক গুরুত্বপূর্ণ মণ্ডপগুলোতে বাড়তি নিরাপত্তাব্যবস্থা রাখা হবে।

ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দীন আহমদ বলেছেন, মহালয়া, দুর্গাপূজার বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতা এবং প্রতিমা বিসর্জন উপলক্ষে সার্বিক নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি মণ্ডপ সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় থাকবে। মণ্ডপের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা বডিওর্ন ক্যামেরা ব্যবহার করে দায়িত্ব পালন করবেন। পূজার সময় পোশাকধারী ও সাদাপোশাকের পুলিশের পাশাপাশি সোয়াত, ক্রাইসিস রেসপন্স টিম, কুইক রেসপন্স টিম, ক্রাইম সিন ভ্যান এবং বোমা নিষ্ক্রিয়করণ ইউনিট সার্বক্ষণিক প্রস্তুত থাকবে।

পুলিশ সদর দপ্তর সূত্র জানায়, সামাজিক মাধ্যমে অপতথ্য ছড়িয়ে কেউ যাতে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তৈরি করতে না পারে, সেজন্য সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে। কোনো অপতথ্য ছড়ানোর ঘটনা নজরে এলে তা যাচাই-বাছাই করে সংশ্লিষ্ট ইউনিটগুলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেবে পুলিশ সদর দপ্তর। গত বছরও এ ধরনের অপতথ্য ছড়ানোর ঘটনায় কয়েকটি ক্ষেত্রে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল।

মঙ্গলবার ডিএমপির বৈঠকে প্রতিটি পূজামণ্ডপে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন ও পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়। পাশাপাশি বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন এড়াতে প্রতিটি মণ্ডপে জেনারেটর প্রস্তুত রাখার কথা বলা হয়েছে। পূজা শুরুর আগেই মণ্ডপের স্থান বা পূজা উদযাপন কমিটি নিয়ে কোনো বিরোধ থাকলে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে তা মীমাংসার উদ্যোগ নিতে বলা হয়েছে। নির্মাণাধীন প্রতিমার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে টহল ও গোয়েন্দা কার্যক্রম জোরদার করার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

প্রতিটি থানার ওসিকে নিজ এলাকার সব পূজামণ্ডপ পরিদর্শন এবং আয়োজক কমিটির সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতে বলা হয়েছে। মণ্ডপের নিরাপত্তা তদারকি ও পরিদর্শনের দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যদের প্রতিবার পরিদর্শনের পর নির্ধারিত রেজিস্টারে তারিখ ও সময় উল্লেখ করে মন্তব্য লিখতে হবে। এ ছাড়া পূজা উদযাপন কমিটি ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় করে যোগাযোগের জন্য নির্দিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি বা ফোকাল পয়েন্ট নির্ধারণ এবং প্রয়োজনীয় ফোন নম্বর সংরক্ষণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আজান ও নামাজের সময় মসজিদসংলগ্ন পূজামণ্ডপে পূজা ও প্রতিমা বিসর্জন চলাকালে শব্দযন্ত্রের ব্যবহার সীমিত রাখতে সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ জানাতে বলা হয়েছে। এ সময় উচ্চ শব্দে মাইক বা অন্য কোনো শব্দযন্ত্র ব্যবহার না করার বিষয়েও সতর্ক করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রতিটি পূজামণ্ডপের আয়োজক কমিটিকে নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগের অনুরোধ জানিয়েছে পুলিশ। স্বেচ্ছাসেবকদের ছবিযুক্ত বড় পরিচয়পত্র ও ‘স্বেচ্ছাসেবক’ লেখা আর্মব্যান্ড নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। প্রয়োজন অনুযায়ী মণ্ডপে হ্যান্ডহেল্ড মেটাল ডিটেক্টর ও আর্চওয়ে স্থাপনের নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

পূজা উপলক্ষে মেলা বা অন্য কোনো অনুষ্ঠানের আয়োজন নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে। একই সঙ্গে পূজার সময় হাউজি, জুয়া, আতশবাজি ও পটকা ফোটানোর মতো কর্মকাণ্ড বন্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মাদকের ব্যবহার, ইভটিজিং ও ছিনতাই প্রতিরোধে পুলিশি টহল বাড়ানোর পাশাপাশি ঝটিকা অভিযান পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আপডেট : ১০:৩০:৫৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬

গুজব ঠেকাতে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ

আপডেট : ১০:৩০:৫৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬
১৬

অনলাইন ডেস্ক।।
শারদীয় দুর্গাপূজা ঘিরে ব্যাপক নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। গত বছরের মতো এবারও চার ধাপে পূজার নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে পুলিশ। ধাপগুলো হলো— পূর্বপ্রস্তুতি, পূজা চলাকালীন নিরাপত্তা, প্রতিমা বিসর্জন এবং বিসর্জন-পরবর্তী নিরাপত্তা। এ লক্ষ্যে পুলিশের সব জেলা ও মহানগর ইউনিটকে বিশেষ নিরাপত্তা পরিকল্পনা প্রণয়নের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কোনো ধাপেই যাতে নিরাপত্তায় ঘাটতি না থাকে, তা পুলিশ সদর দপ্তর থেকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদারকি করা হবে। এ জন্য পুলিশ সদর দপ্তরের অপারেশন কন্ট্রোল অ্যান্ড মনিটরিং সেন্টারের অধীনে একটি যৌথ সমন্বয় সেল খোলা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানায়, ইতোমধ্যে ঢাকা মহানগর পুলিশসহ (ডিএমপি) পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট দুর্গাপূজার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অধীনস্থ থানাগুলোকে একগুচ্ছ নির্দেশনা দিয়েছে। মঙ্গলবার শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দীন আহমদের সভাপতিত্বে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সামাজিক মাধ্যমে অপতথ্য ও গুজব ছড়িয়ে কেউ যাতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাতে না পারে, সে বিষয়ে ৫০ থানার পুলিশকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগসহ নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনগুলোর তৎপরতার ওপর কঠোর গোয়েন্দা নজরদারি বাড়াতে বলা হয়েছে। ঢাকার প্রতিটি পূজামণ্ডপে এবার প্রথমবারের মতো বডিওর্ন ক্যামেরা ব্যবহার করবে পুলিশ।

আগামী ১৬ অক্টোবর মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। ২১ অক্টোবর বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে পাঁচ দিনব্যাপী পূজার আনুষ্ঠানিকতা শেষ হবে। পূজার সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যালোচনায় আগামী রবিবার পুলিশ সদর দপ্তরে বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। ওই বৈঠক থেকে মাঠপর্যায়ের পুলিশ সদস্যদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হবে।

গত বছর সারাদেশে ৩১ হাজার ৫৭৬টি পূজামণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়। এবার এ সংখ্যা বেড়ে প্রায় সাড়ে ৩২ হাজারে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে ঢাকার ৫০টি থানার আওতাধীন এলাকায় ২৫৮টি মণ্ডপে পূজা অনুষ্ঠিত হবে। নিরাপত্তার স্বার্থে মণ্ডপগুলোকে অধিক গুরুত্বপূর্ণ, গুরুত্বপূর্ণ ও সাধারণ— এই তিন শ্রেণিতে ভাগ করা হচ্ছে। অধিক গুরুত্বপূর্ণ মণ্ডপগুলোতে বাড়তি নিরাপত্তাব্যবস্থা রাখা হবে।

ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দীন আহমদ বলেছেন, মহালয়া, দুর্গাপূজার বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতা এবং প্রতিমা বিসর্জন উপলক্ষে সার্বিক নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি মণ্ডপ সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় থাকবে। মণ্ডপের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা বডিওর্ন ক্যামেরা ব্যবহার করে দায়িত্ব পালন করবেন। পূজার সময় পোশাকধারী ও সাদাপোশাকের পুলিশের পাশাপাশি সোয়াত, ক্রাইসিস রেসপন্স টিম, কুইক রেসপন্স টিম, ক্রাইম সিন ভ্যান এবং বোমা নিষ্ক্রিয়করণ ইউনিট সার্বক্ষণিক প্রস্তুত থাকবে।

পুলিশ সদর দপ্তর সূত্র জানায়, সামাজিক মাধ্যমে অপতথ্য ছড়িয়ে কেউ যাতে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তৈরি করতে না পারে, সেজন্য সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে। কোনো অপতথ্য ছড়ানোর ঘটনা নজরে এলে তা যাচাই-বাছাই করে সংশ্লিষ্ট ইউনিটগুলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেবে পুলিশ সদর দপ্তর। গত বছরও এ ধরনের অপতথ্য ছড়ানোর ঘটনায় কয়েকটি ক্ষেত্রে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল।

মঙ্গলবার ডিএমপির বৈঠকে প্রতিটি পূজামণ্ডপে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন ও পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়। পাশাপাশি বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন এড়াতে প্রতিটি মণ্ডপে জেনারেটর প্রস্তুত রাখার কথা বলা হয়েছে। পূজা শুরুর আগেই মণ্ডপের স্থান বা পূজা উদযাপন কমিটি নিয়ে কোনো বিরোধ থাকলে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে তা মীমাংসার উদ্যোগ নিতে বলা হয়েছে। নির্মাণাধীন প্রতিমার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে টহল ও গোয়েন্দা কার্যক্রম জোরদার করার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

প্রতিটি থানার ওসিকে নিজ এলাকার সব পূজামণ্ডপ পরিদর্শন এবং আয়োজক কমিটির সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতে বলা হয়েছে। মণ্ডপের নিরাপত্তা তদারকি ও পরিদর্শনের দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যদের প্রতিবার পরিদর্শনের পর নির্ধারিত রেজিস্টারে তারিখ ও সময় উল্লেখ করে মন্তব্য লিখতে হবে। এ ছাড়া পূজা উদযাপন কমিটি ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় করে যোগাযোগের জন্য নির্দিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি বা ফোকাল পয়েন্ট নির্ধারণ এবং প্রয়োজনীয় ফোন নম্বর সংরক্ষণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আজান ও নামাজের সময় মসজিদসংলগ্ন পূজামণ্ডপে পূজা ও প্রতিমা বিসর্জন চলাকালে শব্দযন্ত্রের ব্যবহার সীমিত রাখতে সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ জানাতে বলা হয়েছে। এ সময় উচ্চ শব্দে মাইক বা অন্য কোনো শব্দযন্ত্র ব্যবহার না করার বিষয়েও সতর্ক করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রতিটি পূজামণ্ডপের আয়োজক কমিটিকে নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগের অনুরোধ জানিয়েছে পুলিশ। স্বেচ্ছাসেবকদের ছবিযুক্ত বড় পরিচয়পত্র ও ‘স্বেচ্ছাসেবক’ লেখা আর্মব্যান্ড নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। প্রয়োজন অনুযায়ী মণ্ডপে হ্যান্ডহেল্ড মেটাল ডিটেক্টর ও আর্চওয়ে স্থাপনের নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

পূজা উপলক্ষে মেলা বা অন্য কোনো অনুষ্ঠানের আয়োজন নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে। একই সঙ্গে পূজার সময় হাউজি, জুয়া, আতশবাজি ও পটকা ফোটানোর মতো কর্মকাণ্ড বন্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মাদকের ব্যবহার, ইভটিজিং ও ছিনতাই প্রতিরোধে পুলিশি টহল বাড়ানোর পাশাপাশি ঝটিকা অভিযান পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।