চুয়াডাঙ্গা ০৪:৫৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চলে গেলেন উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানের নেতা তোফায়েল আহমেদ

Padma Sangbad
১৪২

দৈনিক পদ্মা সংবাদ ডেস্ক।।

দেশের প্রবীণ রাজনীতিবিদ, উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান ও মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক তোফায়েল আহমেদ ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। আজ সোমবার বেলা সাড়ে ৩টায় রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।

পারিবারিক সূত্র ও তার জামাতা ডাক্তার তৌহিদুজ্জামান তুহিন বিকেলে গণমাধ্যমকে মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন। দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন এই বর্ষীয়ান নেতা। স্কয়ার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৪ সেপ্টেম্বর নিউমোনিয়াজনিত শ্বাসকষ্ট, হৃদরোগ ও শারীরিক দুর্বলতা নিয়ে তিনি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি এক মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী ও শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন।

**এক নজরে তোফায়েল আহমেদের রাজনৈতিক জীবন**

তোফায়েল আহমেদ ১৯৪৩ সালের ২২ অক্টোবর ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৬৭ থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দিয়ে দেশজুড়ে পরিচিতি লাভ করেন তিনি।

১৯৭০ সালের নির্বাচনে মাত্র ২৭ বছর বয়সে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে মোট ৯ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং একাধিকবার সরকারের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ছিলেন।

তার প্রয়াণে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে একটি যুগের অবসান ঘটল।

আপডেট : ০১:৩৪:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬

চলে গেলেন উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানের নেতা তোফায়েল আহমেদ

আপডেট : ০১:৩৪:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬
১৪২

দৈনিক পদ্মা সংবাদ ডেস্ক।।

দেশের প্রবীণ রাজনীতিবিদ, উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান ও মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক তোফায়েল আহমেদ ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। আজ সোমবার বেলা সাড়ে ৩টায় রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।

পারিবারিক সূত্র ও তার জামাতা ডাক্তার তৌহিদুজ্জামান তুহিন বিকেলে গণমাধ্যমকে মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন। দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন এই বর্ষীয়ান নেতা। স্কয়ার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৪ সেপ্টেম্বর নিউমোনিয়াজনিত শ্বাসকষ্ট, হৃদরোগ ও শারীরিক দুর্বলতা নিয়ে তিনি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি এক মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী ও শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন।

**এক নজরে তোফায়েল আহমেদের রাজনৈতিক জীবন**

তোফায়েল আহমেদ ১৯৪৩ সালের ২২ অক্টোবর ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৬৭ থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দিয়ে দেশজুড়ে পরিচিতি লাভ করেন তিনি।

১৯৭০ সালের নির্বাচনে মাত্র ২৭ বছর বয়সে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে মোট ৯ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং একাধিকবার সরকারের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ছিলেন।

তার প্রয়াণে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে একটি যুগের অবসান ঘটল।