চুয়াডাঙ্গা ০৬:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চিকিৎসক না হয়েও চোখের চিকিৎসা দিচ্ছিলেন জাফর, অবশেষে কারাদণ্ড

Padma Sangbad
১৩৫

শরীয়তপুর সংবাদদাতা।।

চিকিৎসক হিসেবে কোনো স্বীকৃত যোগ্যতা ও নিবন্ধন না থাকলেও চক্ষু চিকিৎসা দেওয়ার অভিযোগে মো. জাফর (৪৫) নামের এক ব্যক্তিকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

আজ সোমবার দুপুর ১টার দিকে শরীয়তপুরের গোসাইরহাট উপজেলার দাসের জঙ্গল বাজারের মুক্তিযোদ্ধা ভবনের দোতলায় অবস্থিত জান্নাত মেডিকেল সেন্টারে অভিযান চালিয়ে এ দণ্ড দেওয়া হয়। অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শেখ নওশাদ হাসান।

দণ্ডপ্রাপ্ত ভুয়া চিকিৎসক মো. জাফর শরীয়তপুর সদর উপজেলার শেখ আলাল উদ্দিনের ছেলে।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, জান্নাত মেডিকেল সেন্টারের মালিক মো. জাফর দীর্ঘ দিন ধরে নিজেকে চিকিৎসক পরিচয় দিয়ে রোগীদের চিকিৎসাসেবা ও ব্যবস্থাপত্র দিয়ে আসছিলেন। তার বিরুদ্ধে অভিযোগের ভিত্তিতে আজ সেখানে অভিযান চালায় উপজেলা প্রশাসন। অভিযানে জাফরের প্রয়োজনীয় নিবন্ধন, চিকিৎসা দেওয়ার বৈধ অনুমতিপত্র ও সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র না থাকার তাকে আটক করা হয়। পরে বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিল আইন, ২০১০-এর ২৯(২) ধারায় তাকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

অভিযানে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. এস মহাম্মাদুল্লাহ, গোসাইরহাট থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. হামিদসহ পুলিশ সদস্যরা সহযোগিতা করেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. এস মহাম্মাদুল্লাহ বলেন, ‘তিনি বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিলের স্বীকৃত চিকিৎসক নন। চিকিৎসা দেওয়ারও তার কোনো যোগ্যতা নেই। আমরা এসে দেখেছি, তিনি রোগী দেখেছেন এবং ব্যবস্থাপত্র দিয়েছেন। কিন্তু চিকিৎসা দেওয়া ও ব্যবস্থাপত্র দেওয়ার কোনো বৈধ লাইসেন্স তার নেই।’

ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শেখ নওশাদ হাসান বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি চিকিৎসক না হয়েও চক্ষু চিকিৎসা দিয়ে আসছিলেন। এমন অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় তাকে তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

আপডেট : ১২:০৫:৫০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬

চিকিৎসক না হয়েও চোখের চিকিৎসা দিচ্ছিলেন জাফর, অবশেষে কারাদণ্ড

আপডেট : ১২:০৫:৫০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬
১৩৫

শরীয়তপুর সংবাদদাতা।।

চিকিৎসক হিসেবে কোনো স্বীকৃত যোগ্যতা ও নিবন্ধন না থাকলেও চক্ষু চিকিৎসা দেওয়ার অভিযোগে মো. জাফর (৪৫) নামের এক ব্যক্তিকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

আজ সোমবার দুপুর ১টার দিকে শরীয়তপুরের গোসাইরহাট উপজেলার দাসের জঙ্গল বাজারের মুক্তিযোদ্ধা ভবনের দোতলায় অবস্থিত জান্নাত মেডিকেল সেন্টারে অভিযান চালিয়ে এ দণ্ড দেওয়া হয়। অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শেখ নওশাদ হাসান।

দণ্ডপ্রাপ্ত ভুয়া চিকিৎসক মো. জাফর শরীয়তপুর সদর উপজেলার শেখ আলাল উদ্দিনের ছেলে।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, জান্নাত মেডিকেল সেন্টারের মালিক মো. জাফর দীর্ঘ দিন ধরে নিজেকে চিকিৎসক পরিচয় দিয়ে রোগীদের চিকিৎসাসেবা ও ব্যবস্থাপত্র দিয়ে আসছিলেন। তার বিরুদ্ধে অভিযোগের ভিত্তিতে আজ সেখানে অভিযান চালায় উপজেলা প্রশাসন। অভিযানে জাফরের প্রয়োজনীয় নিবন্ধন, চিকিৎসা দেওয়ার বৈধ অনুমতিপত্র ও সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র না থাকার তাকে আটক করা হয়। পরে বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিল আইন, ২০১০-এর ২৯(২) ধারায় তাকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

অভিযানে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. এস মহাম্মাদুল্লাহ, গোসাইরহাট থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. হামিদসহ পুলিশ সদস্যরা সহযোগিতা করেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. এস মহাম্মাদুল্লাহ বলেন, ‘তিনি বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিলের স্বীকৃত চিকিৎসক নন। চিকিৎসা দেওয়ারও তার কোনো যোগ্যতা নেই। আমরা এসে দেখেছি, তিনি রোগী দেখেছেন এবং ব্যবস্থাপত্র দিয়েছেন। কিন্তু চিকিৎসা দেওয়া ও ব্যবস্থাপত্র দেওয়ার কোনো বৈধ লাইসেন্স তার নেই।’

ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শেখ নওশাদ হাসান বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি চিকিৎসক না হয়েও চক্ষু চিকিৎসা দিয়ে আসছিলেন। এমন অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় তাকে তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।