চুয়াডাঙ্গা ০৫:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জীবনের মমতাময়ী-স্নেহময়ী শব্দ মা

Padma Sangbad
৮০

তন্দ্রা ঘোষ মন্ডল ( ভারত )।।

দশ মাস নিজের পেটে ধারণ করেছিলে তিলেতিলে । পেটে মেরেছি লাথি, দিয়েছি অনেক কষ্ট ।
মা, জীবনের মমতাময়ী-স্নেহময়ী শব্দ ।
মা যেন ভোরের সূর্য মিষ্টি মাখা আলো ।
যেন ধানের ক্ষেতে বিন্দু বিন্দু শিশিরের ভেজা গন্ধ । তুমি না থাকলে ভগবানের অপূর্ব সৃষ্টি এই ধরণী দেখা হতো না।

মায়ের আঁচল আমার মাথার উপর ছায়া,আর পদদ্বয়খানি আমার স্বর্গরাজ্য ।
যখন আমি যেতাম পড়ে ছোট্ট বেলায় তুমি দৌড়ে এসে তুলতে আমাই আর গালে দিতে চুমু।
পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সুখ তোমার আঁচল ।
আর চেনা স্নেহময়ী গন্ধ যে গন্ধ দামী-দামী পারফিউম এ ও পাওয়া যায় না ।
মাগো তুমি আমার প্রথম শিক্ষালয়।
যতটুকু শিক্ষা ছিল তোমার কাছে ততটুকু করেছো দান ।
তুমিই আমার হাইকোর্ট মাগো, তুমিই আমার সুপ্রিমকোর্ট।
আমি আসামী যখন – তুমি জজ সব ভুলের ক্ষমা।
মা বড়ই স্বার্থপর তুমি সারাদিন এলোমেলো চুলে সকাল হতে রাত্রি ছুটে বেড়াচ্ছো রান্নাঘরে । দাউদাউ আগুন জ্বলা উনুনের আঁচের পাশে বসে শাড়ির আঁচল করে লুটোপুটি ।
আমি বললাম মা!একটু নিজের জন্য কি সময় হয় না?
মা, তোমার লাগে না ক্লান্তি ?
উষা থেকে সূর্যাস্ত ۔۔۔ তবুও শেষ হয় না তোমার কাজ , হও না তুমি শান্ত ।
মা,ভগবানের কাছে যখন কর প্রার্থনা নিজের জন্য না করে সন্তান এর জন্য কেন শুধুই করো ?
আর নিজের মনকে দাও শান্ত্বনা।
মা শব্দের অনুভূতি হয়না শেষ
মা । অবশেষে তোমার পদযুগলে প্রণাম জানাই ۔۔۔।

আপডেট : ১০:১৭:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ মে ২০২৩

জীবনের মমতাময়ী-স্নেহময়ী শব্দ মা

আপডেট : ১০:১৭:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ মে ২০২৩
৮০

তন্দ্রা ঘোষ মন্ডল ( ভারত )।।

দশ মাস নিজের পেটে ধারণ করেছিলে তিলেতিলে । পেটে মেরেছি লাথি, দিয়েছি অনেক কষ্ট ।
মা, জীবনের মমতাময়ী-স্নেহময়ী শব্দ ।
মা যেন ভোরের সূর্য মিষ্টি মাখা আলো ।
যেন ধানের ক্ষেতে বিন্দু বিন্দু শিশিরের ভেজা গন্ধ । তুমি না থাকলে ভগবানের অপূর্ব সৃষ্টি এই ধরণী দেখা হতো না।

মায়ের আঁচল আমার মাথার উপর ছায়া,আর পদদ্বয়খানি আমার স্বর্গরাজ্য ।
যখন আমি যেতাম পড়ে ছোট্ট বেলায় তুমি দৌড়ে এসে তুলতে আমাই আর গালে দিতে চুমু।
পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সুখ তোমার আঁচল ।
আর চেনা স্নেহময়ী গন্ধ যে গন্ধ দামী-দামী পারফিউম এ ও পাওয়া যায় না ।
মাগো তুমি আমার প্রথম শিক্ষালয়।
যতটুকু শিক্ষা ছিল তোমার কাছে ততটুকু করেছো দান ।
তুমিই আমার হাইকোর্ট মাগো, তুমিই আমার সুপ্রিমকোর্ট।
আমি আসামী যখন – তুমি জজ সব ভুলের ক্ষমা।
মা বড়ই স্বার্থপর তুমি সারাদিন এলোমেলো চুলে সকাল হতে রাত্রি ছুটে বেড়াচ্ছো রান্নাঘরে । দাউদাউ আগুন জ্বলা উনুনের আঁচের পাশে বসে শাড়ির আঁচল করে লুটোপুটি ।
আমি বললাম মা!একটু নিজের জন্য কি সময় হয় না?
মা, তোমার লাগে না ক্লান্তি ?
উষা থেকে সূর্যাস্ত ۔۔۔ তবুও শেষ হয় না তোমার কাজ , হও না তুমি শান্ত ।
মা,ভগবানের কাছে যখন কর প্রার্থনা নিজের জন্য না করে সন্তান এর জন্য কেন শুধুই করো ?
আর নিজের মনকে দাও শান্ত্বনা।
মা শব্দের অনুভূতি হয়না শেষ
মা । অবশেষে তোমার পদযুগলে প্রণাম জানাই ۔۔۔।