চুয়াডাঙ্গা ১২:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঝিনাইদহে যুবতীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, হত্যার অভিযোগ স্বজনদের

Padma Sangbad
১১৯

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি:

ঝিনাইদহ শহরের কোরাপাড়া গ্রাম থেকে শিখা (২২) নামের এক তরুণীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গত মঙ্গলবার রাতে কোরাপাড়া গ্রামের মুকুল নামের এক ব্যক্তির ঘর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা, তা নিয়ে এলাকায় নানা রহস্য ও গুঞ্জন তৈরি হয়েছে।

নিহত শিখা সদর উপজেলার সাধুহাটী গ্রামের শহিদুল ইসলামের মেয়ে এবং এক সন্তানের জননী।

প্রতিবেশী ও স্বজনদের অভিযোগ, কোরাপাড়া গ্রামের হাকিম মেম্বরের ছেলে গ্রিল মিস্ত্রি মুকুল বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে শিখাকে ঢাকা থেকে নিজের বাড়িতে নিয়ে আসেন। বাড়িতে আনার পর বাসরঘরও সাজানো হয়েছিল বলে প্রতিবেশীরা জানান। ঘটনার দুই দিন পর মুকুলের ঘরের তীরের সঙ্গে শিখার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান স্থানীয়রা। শিখার শরীরের জামাকাপড় ছেঁড়া ছিল এবং পুলিশ আসার পর মুকুল পালিয়ে যায় বলে দাবি তাদের।

নিহত তরুণীর বাবা শহিদুল ইসলাম জানান, পারিবারিক বিভিন্ন জটিলতার কারণে মেয়ের সঙ্গে তাদের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ছিল। তবে এই ঘটনার পেছনে হত্যাকাণ্ড থাকতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি।

নিহতের মামা তরিকুল ইসলাম বলেন, “পুলিশ লাশ উদ্ধারের পর মুকুল দাবি করেছে সে শিখাকে চেনে না। অথচ তার ঘর থেকেই মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মোবাইল ফোনের কল লিস্ট চেক করলেই আসল রহস্য বেরিয়ে আসবে।”

ঝিনাইদহ সদর থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই রোকনুজ্জামান জানান, ঘরের দরজা ভেঙে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঝিনাইদহ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে এবং আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপডেট : ১২:১৫:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬

ঝিনাইদহে যুবতীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, হত্যার অভিযোগ স্বজনদের

আপডেট : ১২:১৫:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬
১১৯

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি:

ঝিনাইদহ শহরের কোরাপাড়া গ্রাম থেকে শিখা (২২) নামের এক তরুণীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গত মঙ্গলবার রাতে কোরাপাড়া গ্রামের মুকুল নামের এক ব্যক্তির ঘর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা, তা নিয়ে এলাকায় নানা রহস্য ও গুঞ্জন তৈরি হয়েছে।

নিহত শিখা সদর উপজেলার সাধুহাটী গ্রামের শহিদুল ইসলামের মেয়ে এবং এক সন্তানের জননী।

প্রতিবেশী ও স্বজনদের অভিযোগ, কোরাপাড়া গ্রামের হাকিম মেম্বরের ছেলে গ্রিল মিস্ত্রি মুকুল বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে শিখাকে ঢাকা থেকে নিজের বাড়িতে নিয়ে আসেন। বাড়িতে আনার পর বাসরঘরও সাজানো হয়েছিল বলে প্রতিবেশীরা জানান। ঘটনার দুই দিন পর মুকুলের ঘরের তীরের সঙ্গে শিখার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান স্থানীয়রা। শিখার শরীরের জামাকাপড় ছেঁড়া ছিল এবং পুলিশ আসার পর মুকুল পালিয়ে যায় বলে দাবি তাদের।

নিহত তরুণীর বাবা শহিদুল ইসলাম জানান, পারিবারিক বিভিন্ন জটিলতার কারণে মেয়ের সঙ্গে তাদের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ছিল। তবে এই ঘটনার পেছনে হত্যাকাণ্ড থাকতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি।

নিহতের মামা তরিকুল ইসলাম বলেন, “পুলিশ লাশ উদ্ধারের পর মুকুল দাবি করেছে সে শিখাকে চেনে না। অথচ তার ঘর থেকেই মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মোবাইল ফোনের কল লিস্ট চেক করলেই আসল রহস্য বেরিয়ে আসবে।”

ঝিনাইদহ সদর থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই রোকনুজ্জামান জানান, ঘরের দরজা ভেঙে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঝিনাইদহ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে এবং আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।